![]() |
| ভেঙে গেছে ফুলগাজীর কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ। বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিতে চলাচল স্থানীয় লোকজনের -প্রথম আলো |
প্রতিবেশী
এক যুবকের মাছ চাষে সাফল্য দেখে সাতকানিয়া পৌরসভার সতিপাড়া এলাকার তিন
বন্ধু মাসুদুল করিম, মো. হোসেন ও মো. কালু মিলে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি
মাসে সাত একরের একটি পরিত্যক্ত পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। তিনজনের যা
জমাজাতি ছিল তা দিয়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা খরচ করে পাঙাশ ও কার্পজাতীয়
পোনা ছেড়েছিলেন ওই পুকুরে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার
পানিতে পুকুরটি ডুবে সব মাছ ভেসে গেছে। তিনজনই পুঁজি হারিয়ে এখন দিশেহারা।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট সাম্প্রতিক বন্যায় ওই তিন বন্ধুর মতো চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার অন্তত চার শ মাছচাষির স্বপ্ন বন্যার পানিতে বিলীন হয়ে গেছে। পুকুর ও মৎস্য খামার বন্যার পানিতে ডুবে ভেসে গেছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এতে অনেক মাছচাষি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার অন্তত ৫৫০টি পুকুর ও ১৫০টি মৎস্য খামার সাম্প্রতিক সময়ের বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে মাছচাষিরা কমপক্ষে ২০ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।
কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেঁওচিয়া এলাকার মাছচাষি মো. সেলিম (৪৮) জানান, তাঁদের দুটি পুকুর ও পাঁচটি মৎস্য খামারের সব মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ঢেমশা ইউনিয়নের দক্ষিণ ঢেমশা গ্রামের মাছচাষি ফারুখ আহমদ (৫৮) বলেন, ‘গত দুই বছর আগে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করে ভালো লাভ হয়েছিল। ঋণ শোধ করার পাশাপাশি লাভের টাকায় মাছ চাষ চলছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের দুই দফার বন্যা আমাকে পথে বসিয়ে দিয়েছে। পুকুরের সব মাছ ভেসে গেছে।’
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বরকতুল আলম জানান, বন্যার পানিতে ডুবে সাতকানিয়ার অন্তত ৭০০টি পুকুর ও মৎস্য খামারের মাছসহ পোনা ভেসে গেছে। এতে মাছচাষিদের প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হবে।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট সাম্প্রতিক বন্যায় ওই তিন বন্ধুর মতো চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার অন্তত চার শ মাছচাষির স্বপ্ন বন্যার পানিতে বিলীন হয়ে গেছে। পুকুর ও মৎস্য খামার বন্যার পানিতে ডুবে ভেসে গেছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এতে অনেক মাছচাষি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার অন্তত ৫৫০টি পুকুর ও ১৫০টি মৎস্য খামার সাম্প্রতিক সময়ের বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে মাছচাষিরা কমপক্ষে ২০ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।
কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেঁওচিয়া এলাকার মাছচাষি মো. সেলিম (৪৮) জানান, তাঁদের দুটি পুকুর ও পাঁচটি মৎস্য খামারের সব মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ঢেমশা ইউনিয়নের দক্ষিণ ঢেমশা গ্রামের মাছচাষি ফারুখ আহমদ (৫৮) বলেন, ‘গত দুই বছর আগে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করে ভালো লাভ হয়েছিল। ঋণ শোধ করার পাশাপাশি লাভের টাকায় মাছ চাষ চলছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের দুই দফার বন্যা আমাকে পথে বসিয়ে দিয়েছে। পুকুরের সব মাছ ভেসে গেছে।’
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বরকতুল আলম জানান, বন্যার পানিতে ডুবে সাতকানিয়ার অন্তত ৭০০টি পুকুর ও মৎস্য খামারের মাছসহ পোনা ভেসে গেছে। এতে মাছচাষিদের প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হবে।

No comments:
Post a Comment