বরগুনার
তালতলী উপজেলার আমখোলা গ্রাম এখন শোকে নিস্তব্ধ। গ্রামের দুরন্ত শিশু
রবিউলকে মাছ চুরির অপবাদে লাঠি ও টর্চ দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলার পর শোকের
মাতম থামছে না তার পরিবারে। মা মোর্শেদা বেগম একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে এখন
শয্যাশায়ী।
এদিকে রবিউলকে যে টর্চ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে সেটি আসামি মিরাজ হোসেনের বাড়ি থেকে জব্দ করেছে তালতলী থানা-পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার মিরাজ আমতলী উপজেলা বিচারিক হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর সেদিনই টর্চটি আমখোলা গ্রামে মিরাজের বাড়ি থেকে জব্দ করা হয়। গত সোমবার আদরের ধন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত খাবার মুখে নেননি শিশু রবিউলের মা। শুধু কাঁদছেন আর মাঝেমধ্যেই মূর্ছা যাচ্ছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে জোর করে তাঁর মুখে সামান্য দুধ তুলে দিয়েছেন স্বজনেরা। আর রবিউলের বাবা দুলাল হোসেন শোকে পাথর হয়ে গেছেন। কারও সঙ্গে তেমন কথা বলছেন না। রবিউলের বড় বোন দশম শ্রেণির ছাত্রী খাদিজা প্রিয় ভাইয়ের খোঁজে দিশেহারা। শুধু রবিউলের পরিবার নয়, শোকের ধকল সইতে পারছে না পুরো আমখোলা গ্রামই।
গ্রাম ঘুরে কয়েক দিনের মতো গতকালও কারও মুখে বিন্দুমাত্র হাসির চিহ্নটুকু দেখা গেল না। এ রকমই একজন রবিউলদের প্রতিবেশী নিজাম উদ্দীন। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘কত হাসি-খুশি ছিল পোলাডা। যেদিন ও নিখোঁজ অয়, হেই সকালে আমারে সাপে কামড় দেয়। বিকালের দিকে ও হাতে আম লইয়্যা আমারে দ্যাখতে আইছিল।’ এ কথা বলতে বলতেই কথা আটকে গেল নিজাম উদ্দীনের। আর কিছু বলতে পারলেন না তিনি।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম গ্রামে রবিউলদের বাড়িতে যান। ওই সময় রবিউলের মা কান্নায় ভেঙে পড়েন। জেলা প্রশাসক রবিউলের মা-বাবা ও স্বজনদের সান্ত্বনা এবং খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে রবিউলের পরিবারের সহায়তায় ১০ হাজার টাকা তুলে দেন রবিউলের বাবার হাতে।
এদিকে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আকতার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আসামি মিরাজ বৃহস্পতিবার আদালতে যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তা আমরা যাচাই-বাছাই করছি। মামলাটি আমরা অতিগুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্ত করছি। যদি ওই বক্তব্যের কোনো অংশের গরমিল পাওয়া যায় তবে মিরাজকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
সোমবার রাতে বাড়ির পাশে ঘেরে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয় আমখোলা গ্রামের দুলাল হোসেন মৃধার ছেলে রবিউল আউয়াল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লখনার খালে রবিউলের লাশ পাওয়া যায়। তার বাঁ চোখ, কপাল ও মাথায় গুরুতর জখম ছিল। এ ঘটনায় বুধবার একই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মিরাজ হোসেনকে (২৮) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
এদিকে রবিউলকে যে টর্চ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে সেটি আসামি মিরাজ হোসেনের বাড়ি থেকে জব্দ করেছে তালতলী থানা-পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার মিরাজ আমতলী উপজেলা বিচারিক হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর সেদিনই টর্চটি আমখোলা গ্রামে মিরাজের বাড়ি থেকে জব্দ করা হয়। গত সোমবার আদরের ধন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত খাবার মুখে নেননি শিশু রবিউলের মা। শুধু কাঁদছেন আর মাঝেমধ্যেই মূর্ছা যাচ্ছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে জোর করে তাঁর মুখে সামান্য দুধ তুলে দিয়েছেন স্বজনেরা। আর রবিউলের বাবা দুলাল হোসেন শোকে পাথর হয়ে গেছেন। কারও সঙ্গে তেমন কথা বলছেন না। রবিউলের বড় বোন দশম শ্রেণির ছাত্রী খাদিজা প্রিয় ভাইয়ের খোঁজে দিশেহারা। শুধু রবিউলের পরিবার নয়, শোকের ধকল সইতে পারছে না পুরো আমখোলা গ্রামই।
গ্রাম ঘুরে কয়েক দিনের মতো গতকালও কারও মুখে বিন্দুমাত্র হাসির চিহ্নটুকু দেখা গেল না। এ রকমই একজন রবিউলদের প্রতিবেশী নিজাম উদ্দীন। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘কত হাসি-খুশি ছিল পোলাডা। যেদিন ও নিখোঁজ অয়, হেই সকালে আমারে সাপে কামড় দেয়। বিকালের দিকে ও হাতে আম লইয়্যা আমারে দ্যাখতে আইছিল।’ এ কথা বলতে বলতেই কথা আটকে গেল নিজাম উদ্দীনের। আর কিছু বলতে পারলেন না তিনি।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম গ্রামে রবিউলদের বাড়িতে যান। ওই সময় রবিউলের মা কান্নায় ভেঙে পড়েন। জেলা প্রশাসক রবিউলের মা-বাবা ও স্বজনদের সান্ত্বনা এবং খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে রবিউলের পরিবারের সহায়তায় ১০ হাজার টাকা তুলে দেন রবিউলের বাবার হাতে।
এদিকে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আকতার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আসামি মিরাজ বৃহস্পতিবার আদালতে যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তা আমরা যাচাই-বাছাই করছি। মামলাটি আমরা অতিগুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্ত করছি। যদি ওই বক্তব্যের কোনো অংশের গরমিল পাওয়া যায় তবে মিরাজকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
সোমবার রাতে বাড়ির পাশে ঘেরে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয় আমখোলা গ্রামের দুলাল হোসেন মৃধার ছেলে রবিউল আউয়াল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লখনার খালে রবিউলের লাশ পাওয়া যায়। তার বাঁ চোখ, কপাল ও মাথায় গুরুতর জখম ছিল। এ ঘটনায় বুধবার একই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মিরাজ হোসেনকে (২৮) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

No comments:
Post a Comment