কক্সবাজারের
টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে শাহপরীর দ্বীপে সদ্য নির্মিত ১৪ লাখ টাকার
বিকল্প বাঁধ ধসে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ৪ আগস্ট এই ঘটনা ঘটে। এতে প্রায়
২০০ ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। ভেসে গেছে ২০০ বিঘার মাছের ঘের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা প্রশাসন গত ২ মে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় শাহপরীর দ্বীপে এই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। বাঁধটি শাহপরীর দ্বীপের ক্যাম্পপাড়া থেকে পশ্চিমপাড়া বিস্তৃত। তবে অভিযোগ আছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিরা খরচ কমাতে বাঁধের উচ্চতা কমিয়েছেন। এ কারণে জোয়ারের পানি উপচে পড়ে বাঁধটি ধসে যায়। এতে ক্যাম্পপাড়া গ্রামসহ আরও পাঁচটি গ্রামের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে।
প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিদের দাবি পর্যাপ্ত টাকা বরাদ্দ না হওয়ায় বাঁধটি দুর্বলভাবে নির্মাণ করতে হয়েছে। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সাবরাংয়ের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সনজিদা বেগম জানান, বাঁধ নির্মাণের জন্য ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই টাকায় রিং বাঁধ যথাযথভাবে নির্মাণ করা যায়নি। তাই জোয়ারের পানিতে বাঁধটি ভেঙে গেছে।
এ ব্যাপারে শাহপরীর দ্বীপ শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনির উল্লাহ জানান, বিকল্প বাঁধটি সঠিকভাবে নির্মাণ করলে ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে বাড়িঘর, গাছপালা ভাঙলেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করত না। অনিয়মের মাধ্যমে কাজ করায় এলাকার অধিকাংশ বসতবাড়ি ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। সাবরাং ইউপির চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান বলেন, গত সোমবার দুপুরে জোয়ারের তোড়ে রিং বাঁধটি ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে।
এতে মিস্ত্রিপাড়া, হাজিপাড়া, বাজারপাড়া, দক্ষিণপাড়া, কোনাপাড়া, ক্যাম্পপাড়াসহ ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। ভেসে গেছে ২০০ বিঘার মাছের ঘের ও ফসলি জমি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাউবোর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, এমনিতে ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে টেকনাফ উপকূলীয় এলাকার ৪৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ১০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। বরাদ্দ পেলে সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা প্রশাসন গত ২ মে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় শাহপরীর দ্বীপে এই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। বাঁধটি শাহপরীর দ্বীপের ক্যাম্পপাড়া থেকে পশ্চিমপাড়া বিস্তৃত। তবে অভিযোগ আছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিরা খরচ কমাতে বাঁধের উচ্চতা কমিয়েছেন। এ কারণে জোয়ারের পানি উপচে পড়ে বাঁধটি ধসে যায়। এতে ক্যাম্পপাড়া গ্রামসহ আরও পাঁচটি গ্রামের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে।
প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিদের দাবি পর্যাপ্ত টাকা বরাদ্দ না হওয়ায় বাঁধটি দুর্বলভাবে নির্মাণ করতে হয়েছে। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সাবরাংয়ের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সনজিদা বেগম জানান, বাঁধ নির্মাণের জন্য ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই টাকায় রিং বাঁধ যথাযথভাবে নির্মাণ করা যায়নি। তাই জোয়ারের পানিতে বাঁধটি ভেঙে গেছে।
এ ব্যাপারে শাহপরীর দ্বীপ শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনির উল্লাহ জানান, বিকল্প বাঁধটি সঠিকভাবে নির্মাণ করলে ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে বাড়িঘর, গাছপালা ভাঙলেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করত না। অনিয়মের মাধ্যমে কাজ করায় এলাকার অধিকাংশ বসতবাড়ি ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। সাবরাং ইউপির চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান বলেন, গত সোমবার দুপুরে জোয়ারের তোড়ে রিং বাঁধটি ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে।
এতে মিস্ত্রিপাড়া, হাজিপাড়া, বাজারপাড়া, দক্ষিণপাড়া, কোনাপাড়া, ক্যাম্পপাড়াসহ ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। ভেসে গেছে ২০০ বিঘার মাছের ঘের ও ফসলি জমি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাউবোর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, এমনিতে ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে টেকনাফ উপকূলীয় এলাকার ৪৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ১০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। বরাদ্দ পেলে সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।

No comments:
Post a Comment