ঘূর্ণিঝড়
কোমেনের প্রভাবে জোয়ারের পানি বেড়ে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার চার
ইউনিয়নের প্রায় চার কিলোমিটার বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ নতুন করে ভেঙে
গেছে। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে এখন ৩৭ গ্রামে ঢুকে পড়ছে জোয়ারের পানি। ফলের
এখানকার প্রায় দেড় লাখ মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠেছে।
গত শুক্রবার সরেজিমনে দেখা যায়, উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙা, তাজিয়াকাটা, শাপলাপুর ইউনিয়নের দিনেশপুরপাড়া, হামিদখালী, জেমঘাট, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজঘাট, টিয়াকাটি, রাঙাখালী, রুস্তমেরঘোনা, ধলঘাট ইউনিয়নের সাপমারার ডেইল, সরইতলা, ভারতঘোনা এলাকায় বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে আশপাশের গ্রাম তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে পানি।
ধলঘাট ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রে পরিচালক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে ধলঘাটার দক্ষিণে নতুন করে বেড়িবাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। আতঙ্কে আছে মানুষ।
মাতারবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, জোয়ারের পানি ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এ কারণে এই এলাকার ১৫টি গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটার কবলে পড়ে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
মাতারবাড়ী ইউনিয়নের রাজঘাট এলাকার বাসিন্দা নবীর হোসেন জানান, রাজঘাট এলাকার দুই কিলোমিটার বােঁধর বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে হুমকির মুখে পড়েছে চারটি মসজিদ ও একটি মাদ্রাসাসহ শতাধিক ঘরবাড়ি।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে জোয়ারের পানি বেড়ে মাতারবাড়ী, ধলঘাট, শাপলাপুর ও কুতুবজোম ইউনিয়নের চার কিলোমিটার বেড়িবােঁধর বিভিন্ন স্থানে ভেঙে যাওয়ায় লোকালয়ে জোয়ার-ভাটা চলছে। এ কারণে চার ইউনিয়নের ৩৭ গ্রামের প্রায় দেড় লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের বলেন, জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা পরিষদে জমা দেওয়ার জন্য সব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কারের জন্য বলা হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সবিবুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে প্রায় চার কিলোমিটার বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। বৃষ্টি কমলে আপাতত জোয়ারের পানি ঠেকানোর জন্য ভাঙা বাঁধগুলো মেরামত করে দেওয়া হবে।
গত শুক্রবার সরেজিমনে দেখা যায়, উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙা, তাজিয়াকাটা, শাপলাপুর ইউনিয়নের দিনেশপুরপাড়া, হামিদখালী, জেমঘাট, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজঘাট, টিয়াকাটি, রাঙাখালী, রুস্তমেরঘোনা, ধলঘাট ইউনিয়নের সাপমারার ডেইল, সরইতলা, ভারতঘোনা এলাকায় বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে আশপাশের গ্রাম তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে পানি।
ধলঘাট ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রে পরিচালক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাতে ধলঘাটার দক্ষিণে নতুন করে বেড়িবাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। আতঙ্কে আছে মানুষ।
মাতারবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, জোয়ারের পানি ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এ কারণে এই এলাকার ১৫টি গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটার কবলে পড়ে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
মাতারবাড়ী ইউনিয়নের রাজঘাট এলাকার বাসিন্দা নবীর হোসেন জানান, রাজঘাট এলাকার দুই কিলোমিটার বােঁধর বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে হুমকির মুখে পড়েছে চারটি মসজিদ ও একটি মাদ্রাসাসহ শতাধিক ঘরবাড়ি।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে জোয়ারের পানি বেড়ে মাতারবাড়ী, ধলঘাট, শাপলাপুর ও কুতুবজোম ইউনিয়নের চার কিলোমিটার বেড়িবােঁধর বিভিন্ন স্থানে ভেঙে যাওয়ায় লোকালয়ে জোয়ার-ভাটা চলছে। এ কারণে চার ইউনিয়নের ৩৭ গ্রামের প্রায় দেড় লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের বলেন, জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা পরিষদে জমা দেওয়ার জন্য সব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কারের জন্য বলা হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সবিবুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে প্রায় চার কিলোমিটার বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। বৃষ্টি কমলে আপাতত জোয়ারের পানি ঠেকানোর জন্য ভাঙা বাঁধগুলো মেরামত করে দেওয়া হবে।

No comments:
Post a Comment