![]() |
| টানা বর্ষণে কক্সবাজার–চট্টগ্রাম মহাসড়ক ভরে গেছে খানাখন্দে। ফলে দূরপাল্লার যানবাহন চলছে ঝুঁকি নিয়ে। ছবিটি ৫ আগস্ট সকালে চকরিয়ার জিদ্দাবাজার এলাকা থেকে তোলা l প্রথম আলো, চকরিয়া |
টানা
বর্ষণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে। পিচঢালাই উঠে গিয়ে
সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। এসব গর্তে পড়ে গাড়ি চলছে হেলেদুলে।
বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে মহাসড়কের
চকরিয়া অংশের ৩২ কিলোমিটারের অবস্থা করুণ। গত বুধবার সকালে সরেজমিনে
দেখা যায়, মহাসড়কের জিদ্দাবাজার এলাকার অন্তত ৩০০ মিটার অংশে কয়েক শ বড়
বড় গর্ত। এ ছাড়া বানিয়ারছড়া, বরইতলীর নতুন সড়কের মাথা, হারবাং,
গয়ালমারা, আজিজনগর, খুটাখালী, ডুলাহাজারা, মালুমঘাট এলাকায়ও চোখে পড়ে
অসংখ্য গর্ত। এসব এলাকার ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে গাড়ি। মাঝেমধ্যে
গর্তে আটকে যাচ্ছে গাড়ি। গর্তের মধ্যে পানি জমে থাকায় অনেক ক্ষেত্রে
দুর্ঘটনাও ঘটছে।
বেসরকারি পরিবহন কোম্পানি এস আলমের বাসচালক আবুল হোসেন (৫৩) বলেন, ‘পানি জমে থাকা গর্তগুলো বিশালাকার। গাড়ির চাকা গর্তের মধ্যে পড়ে নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রাংশ, ঘটছে দুর্ঘটনাও।
হাইওয়ে পুলিশের চিরিঙ্গা ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়েজুর রহমান বলেন, ‘মহাসড়কের অনেক জায়গায় পিচ উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত এক মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটে পাঁচজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। এসব দুর্ঘটনার জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিশালাকার গর্তগুলো দায়ী।’
জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগে চকরিয়ার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, ‘টানা বর্ষণে মহাসড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে জরুরি বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ১৫ কিলোমিটারের চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী সড়কও ‘কোমেন’–এর প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকায় এ সড়কের দুই পাশ ধসে পড়ে সড়কের প্রস্থ কমে গেছে।
একটি বাসের যাত্রী বদরখালী এলাকার বাসিন্দা শফিউল আজম বলেন, ‘সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের কারণে গাড়ি চলছে খুব ধীরগতিতে, ৩০ মিনিটের পথ যেতে লাগছে এক ঘণ্টা।’ এ সড়কে নিয়মিত চলাচল করেন এমন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফয়সাল। তিনি বলেন, ‘সড়কটির দুই পাশ ভেঙে গিয়ে অনেক ছোট হয়ে গেছে। দ্রুত মেরামত না করলে আরও ভেঙে গিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
একই অবস্থা বরইতলী সড়কের মাথা থেকে মগনামা পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়কের। এ সড়কের আট কিলোমিটার অংশ আট দিন ধরে বন্যার পানিতে ডুবে ছিল। এতে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাবে এই সড়কটিও।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপপ্রকৌশলী মুহাম্মদ শহিদুল আলম বলেন, ‘ভোগান্তি এড়াতে বড় গর্তগুলো ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে।’
বেসরকারি পরিবহন কোম্পানি এস আলমের বাসচালক আবুল হোসেন (৫৩) বলেন, ‘পানি জমে থাকা গর্তগুলো বিশালাকার। গাড়ির চাকা গর্তের মধ্যে পড়ে নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রাংশ, ঘটছে দুর্ঘটনাও।
হাইওয়ে পুলিশের চিরিঙ্গা ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়েজুর রহমান বলেন, ‘মহাসড়কের অনেক জায়গায় পিচ উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত এক মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটে পাঁচজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। এসব দুর্ঘটনার জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিশালাকার গর্তগুলো দায়ী।’
জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগে চকরিয়ার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, ‘টানা বর্ষণে মহাসড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে জরুরি বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ১৫ কিলোমিটারের চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী সড়কও ‘কোমেন’–এর প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকায় এ সড়কের দুই পাশ ধসে পড়ে সড়কের প্রস্থ কমে গেছে।
একটি বাসের যাত্রী বদরখালী এলাকার বাসিন্দা শফিউল আজম বলেন, ‘সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের কারণে গাড়ি চলছে খুব ধীরগতিতে, ৩০ মিনিটের পথ যেতে লাগছে এক ঘণ্টা।’ এ সড়কে নিয়মিত চলাচল করেন এমন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফয়সাল। তিনি বলেন, ‘সড়কটির দুই পাশ ভেঙে গিয়ে অনেক ছোট হয়ে গেছে। দ্রুত মেরামত না করলে আরও ভেঙে গিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
একই অবস্থা বরইতলী সড়কের মাথা থেকে মগনামা পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়কের। এ সড়কের আট কিলোমিটার অংশ আট দিন ধরে বন্যার পানিতে ডুবে ছিল। এতে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাবে এই সড়কটিও।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপপ্রকৌশলী মুহাম্মদ শহিদুল আলম বলেন, ‘ভোগান্তি এড়াতে বড় গর্তগুলো ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে।’

No comments:
Post a Comment