কক্সবাজারের খুটাখালীর প.প. পরিদর্শক এখন তথ্যসেবার উদ্যোক্তা
শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, সদর প্রতিনিধি, কক্সবাজার
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন পরিবার-পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম এখন ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তার দায়িত্ব পালন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারী কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে তথ্যসেবায় সময় দেওয়ার ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির রোগীরা চরম বেকায়দায় পড়ছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে পরিবার-পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের পাশাপাশি একজন করে পরিদর্শক নিয়োগ দিয়েছিল। উক্ত শফিকুল ইসলাম ৩ বছর পূর্ব থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। এ সুযোগে স্থানীয় চেয়ারম্যানের আশির্বাদপুষ্ট হওয়ায় উক্ত ইউনিয়নের তথ্যসেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হিসাবে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে। যার কারনে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণীর রোগীরা চরম বেকায়দা ও ভোগান্তিতে পড়ছে বলে খুটাখালীর বাসিন্দা নুরুল ইসলাম, হাজিপাড়ার শরিফ উল্লাহ, নয়া পাড়ার শামসুল আলম অভিযোগ করেন। উক্ত শফিকুল ইসলাম সরকারী বেতনভুক্ত হয়েও বেসরকারী হিসাবে ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা উদ্যোক্তার কর্মকান্ড চালালে তার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা ুদ্ধ হয়ে উঠে। এমনকি তথ্যসেবা কেন্দ্রেও সেবাপ্রার্থীরা বিভিন্ন প্রকার হয়রানি ও মোটা অংকের টাকা দাবী করে বলে একাধিক ব্যক্তি জানান। জানা যায়, উক্ত শফিকুল ইসলাম খুটাখালীর নাইফরঘোনা এলাকার বজল আহমদের পুত্র এবং জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান। অপরদিকে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদুল করিম জানান বিষয়টি জানা ছিল না। খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ২ স্থানে চাকরি করার সত্যতা স্বীকার করেন।
শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, সদর প্রতিনিধি, কক্সবাজার
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন পরিবার-পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম এখন ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তার দায়িত্ব পালন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারী কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে তথ্যসেবায় সময় দেওয়ার ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির রোগীরা চরম বেকায়দায় পড়ছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে পরিবার-পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের পাশাপাশি একজন করে পরিদর্শক নিয়োগ দিয়েছিল। উক্ত শফিকুল ইসলাম ৩ বছর পূর্ব থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। এ সুযোগে স্থানীয় চেয়ারম্যানের আশির্বাদপুষ্ট হওয়ায় উক্ত ইউনিয়নের তথ্যসেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হিসাবে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে। যার কারনে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণীর রোগীরা চরম বেকায়দা ও ভোগান্তিতে পড়ছে বলে খুটাখালীর বাসিন্দা নুরুল ইসলাম, হাজিপাড়ার শরিফ উল্লাহ, নয়া পাড়ার শামসুল আলম অভিযোগ করেন। উক্ত শফিকুল ইসলাম সরকারী বেতনভুক্ত হয়েও বেসরকারী হিসাবে ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা উদ্যোক্তার কর্মকান্ড চালালে তার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা ুদ্ধ হয়ে উঠে। এমনকি তথ্যসেবা কেন্দ্রেও সেবাপ্রার্থীরা বিভিন্ন প্রকার হয়রানি ও মোটা অংকের টাকা দাবী করে বলে একাধিক ব্যক্তি জানান। জানা যায়, উক্ত শফিকুল ইসলাম খুটাখালীর নাইফরঘোনা এলাকার বজল আহমদের পুত্র এবং জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান। অপরদিকে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদুল করিম জানান বিষয়টি জানা ছিল না। খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ২ স্থানে চাকরি করার সত্যতা স্বীকার করেন।

No comments:
Post a Comment