গাজীপুরের
কালিয়াকৈরে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মঙ্গলবার এক স্কুলছাত্রীকে
ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে বিক্রম নামে এক যুবক। নিহত কবিতামণি দাস (১৪)
স্থানীয় বোর্ডঘর উত্তর গজারিয়া এলাকার জনতা বিজয়সরণি উচ্চবিদ্যালয়ের দশম
শ্রেণীর ছাত্রী এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানাধীন রামরাবণ এলাকার
সাগরচন্দ্র মণি দাসের মেয়ে। এলাকাবাসী ঘাতক বিক্রমচন্দ্র সরকারকে আটক করে
পুলিশে সোপর্দ করেছে। বিক্রম সাভারের গণবিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র এবং
স্থানীয় ছোট কাঞ্চনপুর এলাকার রামপদ মণি দাসের ছেলে।
এলাকাবাসী জানান, কবিতার মা-বাবা সাভারের এনাম মেডিক্যালে চাকরি করার কারণে কবিতা কালিয়াকৈরে কাঞ্চনপুর এলাকায় তার নানার বাড়ি থেকে ওই স্কুলে লেখাপড়া করত। বিক্রম কবিতাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই বিরক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু কবিতা বরাবরই তা প্রত্যাখ্যান করে।
মঙ্গলবার দুপুর ১টায় কবিতা স্কুল থেকে বের হওয়ার পর গেটের সামনেই বিক্রম তাকে বুক, পেট ও কাঁধে ছুরিকাঘাত করে। কবিতাকে সহপাঠী ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দিকে স্থানীয়রা বিক্রমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
কালিয়াকৈর থানার ওসি তদন্ত মো: রফিকুল ইসলাম জানান, প্রেমঘটিত কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কবিতার মা-বাবা সাভারের এনাম মেডিক্যালে চাকরি করার কারণে কবিতা কালিয়াকৈরে কাঞ্চনপুর এলাকায় তার নানার বাড়ি থেকে ওই স্কুলে লেখাপড়া করত। বিক্রম কবিতাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই বিরক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু কবিতা বরাবরই তা প্রত্যাখ্যান করে।
মঙ্গলবার দুপুর ১টায় কবিতা স্কুল থেকে বের হওয়ার পর গেটের সামনেই বিক্রম তাকে বুক, পেট ও কাঁধে ছুরিকাঘাত করে। কবিতাকে সহপাঠী ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দিকে স্থানীয়রা বিক্রমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
কালিয়াকৈর থানার ওসি তদন্ত মো: রফিকুল ইসলাম জানান, প্রেমঘটিত কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

No comments:
Post a Comment