এলসিএল পণ্য আনস্টাফিং ও ডেলিভারিতে লেগে যাচ্ছে ১২ দিন
বিদেশী
কার্যাদেশের ভরা মওসুম হলেও চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত এলসিএল
কনটেইনারযোগে (একই কনটেইনারযোগে একাধিক আমদানিকারকের পণ্য) আমদানিকৃত
গার্মেন্ট শিল্পের কাঁচামাল আনস্টাফিং ও ডেলিভারিতে অস্বাভাবিক বিলম্ব
হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জাহাজ থেকে আমদানিকৃত কাঁচামাল নামার পর পণ্য
ডেলিভারি নিতেই লেগে যাচ্ছে ১০-১২ দিন। কিছুদিন পরপরই একই পরিস্থিতির
পুনরাবৃত্তি ব্যবসায়ীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
আমদানিকারকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, গত ২ অক্টোবর কিমোলস ট্রেডার নামীয় জাহাজযোগে ২১০ বাক্স এলসিএল কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এসব কনটেইনার এঅ্যান্ডজে ট্রেডার্স নামীয় বার্থ অপারেটরের তত্ত্বাবধানে এন শেডে (সিএফএস শেড) আনস্টাফিং করা হচ্ছে। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার ১০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও গতকাল সোমবার পর্যন্ত ৬৯ টিইইউএস কনটেইনার আনস্টাফিং বাকি ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ওই জাহাজটি এলসিএল কনটেইনার আনস্টাফিং শেষ না হতেই গত রোববার কেপ মনিটরি নামে আরো একটি কনটেইনার জাহাজ বন্দরে নোঙর করে এবং ওই জাহাজে আরো ২১২ বাক্স এলসিএল কনটেইনার রয়েছে বলে সূত্র জানায়।
সূত্র জানিয়েছে, বন্দর অভ্যন্তরে সিএফএস শেডে আনস্টাফিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দ শ্রমিক নিয়োজিত না করা এবং কনটেইনার মুভারসহ পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা না করায় মালামাল খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। ইকুইপমেন্ট এবং সিএফএস শেডে স্পেস সঙ্কটের কারণে এলসিএল পণ্য আনস্টাফিংয়ে অহেতুক বিলম্ব দেশের রফতানি বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে ইকুইপমেন্টস্বল্পতা দূরীকরণ এবং সাময়িকভাবে অন্যান্য শেডকে সিএফএস ঘোষণা করে স্থানাভাব দূর করার জন্য গার্মেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িতরা দাবি জানিয়েছেন।
বন্দর কর্তৃপরে ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, গত রোববার চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন সিএফএস শেডে ৪৩৬ টিইইউএস এলসিএল কনটেইনার ছিল। শিপিং সংশ্লিষ্টদের মতে, সিঙ্গাপুর বন্দর থেকে ১৫১০ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে সাড়ে চার দিনে, মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং ও তানজুম তেলাপাচ বন্দর এবং শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দর থেকে প্রায় ১৩ শ’ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে কনটেইনার জাহাজগুলো সাড়ে তিন দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। অথচ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কোনো কোনো এলসিএল কনটেইনারের পণ্য আনলোডিং শেষে ডেলিভারি নিতে ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় লাগছে বলে জানা গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সাধারণত এলসিএল কনটেইনারযোগে আসে গার্মেন্ট শিল্পের সেনসিটিভ আইটেমগুলো। সেগুলো খালাসে দীর্ঘসূত্রতায় পুরো কারখানাজুড়ে সব কাজেই অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বন্দরের সিসিটি (চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল), এনসিটি (নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল) এবং জিসিবিতে কনটেইনার মুভমেন্টের জন্য কনটেইনার মুভারের (সিএম) সঙ্কট দীর্ঘদিনের। দেশের প্রধান এ বন্দরে সিএম সঙ্কটের কারণে এলসিএল কনটেইনার আনস্টাফিং এবং প্লেসমেন্ট দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।
সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এলসিএল কনটেইনারযোগে বিভিন্ন আমদানিকারকের ুদ্র ুদ্র আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপরে প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। সূত্র অভিযোগ করেছে, বন্দর কর্তৃপ এলসিএল পণ্য আনস্টাফিং কাজ চালাচ্ছে অনেকটা জোড়াতালি দিয়ে। কোনো জাহাজে ২০০-এর কাছাকাছি এলসিএল কনটেইনার এলেই হিমশিম খাচ্ছে বন্দর কর্তৃপ।
সূত্র মতে, ইকুইপমেন্ট সঙ্কটের পাশাপাশি শেডে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে এলসিএল কনটেইনারগুলোর আনস্টাফিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে। এ েেত্র বন্দর ট্রাফিক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতিকেও দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের মতে, শেডে জায়গার অভাবের বিষয়টি বন্দর কর্মকর্তাদের কাছে আগে থেকেই জানা থাকা সত্ত্বেও সাথে সাথেই অন্য শেডে আনস্টাফিংয়ের অর্ডার দেয়া হচ্ছে না। ফলে আনস্টাফিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে।
এ দিকে বেশির ভাগ এলসিএল পণ্য আমদানি হয় রফতানিমুখী তৈরী পোশাক শিল্পের কাঁচামাল। এসব কনটেইনার আনস্টাফিংয়ে দীর্ঘসূত্রতা এবং সময়মতো মালামাল ডেলিভারি না পাওয়ায় বিদেশী ক্রেতাদের লিড টাইম ফলো করতে পারছে না বিভিন্ন তৈরী পোশাক প্রস্তুতকারক কারখানা। এতে এসব কারখানার অর্ডার বাতিল, অনেক েেত্র এয়ারশিপমেন্ট করতে গিয়ে বিপুল আর্থিক তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একাধিক শিপিং ব্যবসায়ী নয়া দিগন্তকে বলেন, ইদানীং চায়না থেকে সরাসরি জাহাজ চালু হওয়ার পর থেকে একই জাহাজযোগে অধিক সংখ্যক এলসিএল পণ্যবাহী কনটেইনার আসছে বলে বন্দর কর্তৃপরে কাছ থেকে আমরা জানতে পেরেছি। অতিরিক্ত কনটেইনার এলেই সাফার করতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন এ জন্য সমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপরে সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো: জাফর আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, ঈদের পর এক সপ্তাহ তো ডেলিভারি বন্ধ ছিল। এর বাইরে একসাথে বেশি পরিমাণ এলসিএল কনটেইনার আসাতে স্পেস সঙ্কটসহ কিছু সীমাবদ্ধতা তো আমাদের আছে, এমন মন্তব্য করেন তিনি। তিনি ইকুইপমেন্ট স্বল্পতার কথা সঠিক নয় বলে জানান।
আমদানিকারকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, গত ২ অক্টোবর কিমোলস ট্রেডার নামীয় জাহাজযোগে ২১০ বাক্স এলসিএল কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এসব কনটেইনার এঅ্যান্ডজে ট্রেডার্স নামীয় বার্থ অপারেটরের তত্ত্বাবধানে এন শেডে (সিএফএস শেড) আনস্টাফিং করা হচ্ছে। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার ১০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও গতকাল সোমবার পর্যন্ত ৬৯ টিইইউএস কনটেইনার আনস্টাফিং বাকি ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ওই জাহাজটি এলসিএল কনটেইনার আনস্টাফিং শেষ না হতেই গত রোববার কেপ মনিটরি নামে আরো একটি কনটেইনার জাহাজ বন্দরে নোঙর করে এবং ওই জাহাজে আরো ২১২ বাক্স এলসিএল কনটেইনার রয়েছে বলে সূত্র জানায়।
সূত্র জানিয়েছে, বন্দর অভ্যন্তরে সিএফএস শেডে আনস্টাফিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দ শ্রমিক নিয়োজিত না করা এবং কনটেইনার মুভারসহ পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা না করায় মালামাল খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। ইকুইপমেন্ট এবং সিএফএস শেডে স্পেস সঙ্কটের কারণে এলসিএল পণ্য আনস্টাফিংয়ে অহেতুক বিলম্ব দেশের রফতানি বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে ইকুইপমেন্টস্বল্পতা দূরীকরণ এবং সাময়িকভাবে অন্যান্য শেডকে সিএফএস ঘোষণা করে স্থানাভাব দূর করার জন্য গার্মেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িতরা দাবি জানিয়েছেন।
বন্দর কর্তৃপরে ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, গত রোববার চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন সিএফএস শেডে ৪৩৬ টিইইউএস এলসিএল কনটেইনার ছিল। শিপিং সংশ্লিষ্টদের মতে, সিঙ্গাপুর বন্দর থেকে ১৫১০ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে সাড়ে চার দিনে, মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং ও তানজুম তেলাপাচ বন্দর এবং শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দর থেকে প্রায় ১৩ শ’ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে কনটেইনার জাহাজগুলো সাড়ে তিন দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। অথচ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কোনো কোনো এলসিএল কনটেইনারের পণ্য আনলোডিং শেষে ডেলিভারি নিতে ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় লাগছে বলে জানা গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সাধারণত এলসিএল কনটেইনারযোগে আসে গার্মেন্ট শিল্পের সেনসিটিভ আইটেমগুলো। সেগুলো খালাসে দীর্ঘসূত্রতায় পুরো কারখানাজুড়ে সব কাজেই অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বন্দরের সিসিটি (চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল), এনসিটি (নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল) এবং জিসিবিতে কনটেইনার মুভমেন্টের জন্য কনটেইনার মুভারের (সিএম) সঙ্কট দীর্ঘদিনের। দেশের প্রধান এ বন্দরে সিএম সঙ্কটের কারণে এলসিএল কনটেইনার আনস্টাফিং এবং প্লেসমেন্ট দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।
সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এলসিএল কনটেইনারযোগে বিভিন্ন আমদানিকারকের ুদ্র ুদ্র আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপরে প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। সূত্র অভিযোগ করেছে, বন্দর কর্তৃপ এলসিএল পণ্য আনস্টাফিং কাজ চালাচ্ছে অনেকটা জোড়াতালি দিয়ে। কোনো জাহাজে ২০০-এর কাছাকাছি এলসিএল কনটেইনার এলেই হিমশিম খাচ্ছে বন্দর কর্তৃপ।
সূত্র মতে, ইকুইপমেন্ট সঙ্কটের পাশাপাশি শেডে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে এলসিএল কনটেইনারগুলোর আনস্টাফিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে। এ েেত্র বন্দর ট্রাফিক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতিকেও দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের মতে, শেডে জায়গার অভাবের বিষয়টি বন্দর কর্মকর্তাদের কাছে আগে থেকেই জানা থাকা সত্ত্বেও সাথে সাথেই অন্য শেডে আনস্টাফিংয়ের অর্ডার দেয়া হচ্ছে না। ফলে আনস্টাফিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে।
এ দিকে বেশির ভাগ এলসিএল পণ্য আমদানি হয় রফতানিমুখী তৈরী পোশাক শিল্পের কাঁচামাল। এসব কনটেইনার আনস্টাফিংয়ে দীর্ঘসূত্রতা এবং সময়মতো মালামাল ডেলিভারি না পাওয়ায় বিদেশী ক্রেতাদের লিড টাইম ফলো করতে পারছে না বিভিন্ন তৈরী পোশাক প্রস্তুতকারক কারখানা। এতে এসব কারখানার অর্ডার বাতিল, অনেক েেত্র এয়ারশিপমেন্ট করতে গিয়ে বিপুল আর্থিক তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একাধিক শিপিং ব্যবসায়ী নয়া দিগন্তকে বলেন, ইদানীং চায়না থেকে সরাসরি জাহাজ চালু হওয়ার পর থেকে একই জাহাজযোগে অধিক সংখ্যক এলসিএল পণ্যবাহী কনটেইনার আসছে বলে বন্দর কর্তৃপরে কাছ থেকে আমরা জানতে পেরেছি। অতিরিক্ত কনটেইনার এলেই সাফার করতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন এ জন্য সমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপরে সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো: জাফর আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, ঈদের পর এক সপ্তাহ তো ডেলিভারি বন্ধ ছিল। এর বাইরে একসাথে বেশি পরিমাণ এলসিএল কনটেইনার আসাতে স্পেস সঙ্কটসহ কিছু সীমাবদ্ধতা তো আমাদের আছে, এমন মন্তব্য করেন তিনি। তিনি ইকুইপমেন্ট স্বল্পতার কথা সঠিক নয় বলে জানান।

No comments:
Post a Comment