মহেশখালীতে বহিঃস্কৃত কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ ছলিম উল্লাহ আবারও মরিয়া!
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর বহু বিতর্কিত কর্মকান্ডের মূলহুতা কালারমারছড়া মঈনুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ছলিম উল্লাহ আবারো জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত দাখিল পরীক্ষার সময় কেন্দ্র পরিচালনায় দূর্নীতি অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় সহকারী কমিশনার ভুমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহেশখালী মোঃ নোমান হোসেন অধ্যক্ষ ছলিম উল্লাহকে কেন্দ্র সচিব থেকে বহিস্কার করেন। পরীক্ষা কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কেন্দ্রে নিজ মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের লিখিত উত্তরপত্র সরবরাহ, পরিদর্শকদের সম্মানি কম দ্ওেয়া, আপ্যায়নের জন্য প্রাপ্ত টাকা আত্মসাত,্ও টাকার বিনিময়ে নিজ নিজ প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের দিয়ে কেন্দ্র পরিদর্শক দ্ওেয়া সহ অনেক অনিয়ম ্ও দুর্ণীতির অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। তার এসমস্ত কর্মকান্ডের সহযোগি হিসাবে কাজ করে তার ছেলে মাওঃ মুবিন ও ভাগিনা মাওঃ কফিল উদ্দিনকে। বাহির থেকে লিখিত উত্তরপত্র সরবরাহ করে মোটা অংকের ব্যাবসা করে এমনই অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। তাই গত পরীক্ষার বহিস্কৃত হওয়া সত্বেও আবারো এবছর কেন্দ্র সচিব হওয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের এক কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে যাচ্ছেন বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মাদ্রাসা সুপার। অনেকেই জানান, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব নিয়ে নিয়ম নীতির তোয়াক্ষা না করে কেন্দ্র পরিচালনা করেন একক সিদ্ধান্তে। অভিযোগ পাওয়া যায়, মঈনুল ইসলাম মাদ্রসার ছাত্র/ছাত্রী যে কক্ষে পরীক্ষা দেয় সে কক্ষে ঐ মাদ্রাসার শিক্ষক ডিউটি দেওয়ার নিয়ম না থাকলেও তিনি প্রায় পরীক্ষা চলাকালীন সময় এধরনের কাজ করে থাকেন। এছাড়া পরীক্ষার সময় গণিত শিক্ষকে ধর্মীয় শিক্ষক পরিচয় দিয়ে গণিত পরীক্ষায় ডিউটি দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন বলে জানা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার একজন সিয়ির শিক্ষক জনান, প্রত্যেকটা পরীক্ষায় ছাত্র ছত্রীদের কেন্দ্রে লিখিত খাতা সরবরাহ করে পাশ করিয়ে দেওয়ার মৌখিক চুক্তিতে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। গত দাখিল পরীক্ষায় কেন্দ্রে লিখিত খাতা সরবরাহ করতে গিয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট এর হাতেনাতে ধরা পড়েন অধ্যক্ষের ছেলে মাহমুদুল হক। ঐদিনই কেন্দ্র সচিব থেকে মাওঃ ছলিম উল্লাহকে বহিস্কার করা হয়। প্রায় সময় দূর্নীতি অনিয়ম করার পরও অনেকটা দায়মুক্তি পাওয়ায় মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে বহুমাত্রিক দূর্নীতি। নির্বাসিত হয়েছে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ। মাদ্রাসার জায়গা বিক্রি, নগদ তহবিল আত্মসাৎ, পরিচালনায় পকেট কমিটি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মতো গুরুতর অভিযোগ তদান্তাধিন থাকা সত্বেও কেন্দ্র সচিব থেকে বহিসকৃত মাওঃ ছলিম উল্লাহর কেন্দ্র সচিব হওয়ার দৌড়ঝাপ দেখে অনেক প্রতিষ্টান প্রধানরা হতাশা প্রকাশ করেন। বহিষ্কৃত কেন্দ্র সচিব মাওঃ ছলিম উল্লাহ আবারো সচিব হওয়া নিয়ে একাডমিক সুপারভাইজার ফজলুল করিম’র নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান- অধ্যক্ষ ছলিম উল্লাহ এ বিষয় নিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে আসছিল। তিনি যেহেতু বহিস্কৃত তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। কেন্দ্র সচিব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আজ শনিবার মিটিং এর আহবান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা যায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম জানান, তিনি বহিস্কৃত কেন্দ্র সচিব মাওঃ ছলিম উল্লাহর বিষয়ে অবগত হয়েছেন। কেন্দ্র সচিব নিয়োগে যথাযথ পক্রিয়া অনুসরন করে সিদ্ধানন্ত নেওয়া হবে। তাই পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ রক্ষার্থে বিতর্কের উর্ধ্বে একজন সৎ ব্যক্তিকে কেন্দ্র সচিব করার জোর দাবী জানান অভিভাবক সমাজ। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ সুবিবেচনায় নেবেন এটাই শিক্ষানুরাগি মহলের প্রত্যাশা।
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর বহু বিতর্কিত কর্মকান্ডের মূলহুতা কালারমারছড়া মঈনুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ছলিম উল্লাহ আবারো জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত দাখিল পরীক্ষার সময় কেন্দ্র পরিচালনায় দূর্নীতি অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় সহকারী কমিশনার ভুমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহেশখালী মোঃ নোমান হোসেন অধ্যক্ষ ছলিম উল্লাহকে কেন্দ্র সচিব থেকে বহিস্কার করেন। পরীক্ষা কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কেন্দ্রে নিজ মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের লিখিত উত্তরপত্র সরবরাহ, পরিদর্শকদের সম্মানি কম দ্ওেয়া, আপ্যায়নের জন্য প্রাপ্ত টাকা আত্মসাত,্ও টাকার বিনিময়ে নিজ নিজ প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের দিয়ে কেন্দ্র পরিদর্শক দ্ওেয়া সহ অনেক অনিয়ম ্ও দুর্ণীতির অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। তার এসমস্ত কর্মকান্ডের সহযোগি হিসাবে কাজ করে তার ছেলে মাওঃ মুবিন ও ভাগিনা মাওঃ কফিল উদ্দিনকে। বাহির থেকে লিখিত উত্তরপত্র সরবরাহ করে মোটা অংকের ব্যাবসা করে এমনই অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। তাই গত পরীক্ষার বহিস্কৃত হওয়া সত্বেও আবারো এবছর কেন্দ্র সচিব হওয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের এক কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে যাচ্ছেন বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মাদ্রাসা সুপার। অনেকেই জানান, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব নিয়ে নিয়ম নীতির তোয়াক্ষা না করে কেন্দ্র পরিচালনা করেন একক সিদ্ধান্তে। অভিযোগ পাওয়া যায়, মঈনুল ইসলাম মাদ্রসার ছাত্র/ছাত্রী যে কক্ষে পরীক্ষা দেয় সে কক্ষে ঐ মাদ্রাসার শিক্ষক ডিউটি দেওয়ার নিয়ম না থাকলেও তিনি প্রায় পরীক্ষা চলাকালীন সময় এধরনের কাজ করে থাকেন। এছাড়া পরীক্ষার সময় গণিত শিক্ষকে ধর্মীয় শিক্ষক পরিচয় দিয়ে গণিত পরীক্ষায় ডিউটি দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন বলে জানা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার একজন সিয়ির শিক্ষক জনান, প্রত্যেকটা পরীক্ষায় ছাত্র ছত্রীদের কেন্দ্রে লিখিত খাতা সরবরাহ করে পাশ করিয়ে দেওয়ার মৌখিক চুক্তিতে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। গত দাখিল পরীক্ষায় কেন্দ্রে লিখিত খাতা সরবরাহ করতে গিয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট এর হাতেনাতে ধরা পড়েন অধ্যক্ষের ছেলে মাহমুদুল হক। ঐদিনই কেন্দ্র সচিব থেকে মাওঃ ছলিম উল্লাহকে বহিস্কার করা হয়। প্রায় সময় দূর্নীতি অনিয়ম করার পরও অনেকটা দায়মুক্তি পাওয়ায় মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে বহুমাত্রিক দূর্নীতি। নির্বাসিত হয়েছে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ। মাদ্রাসার জায়গা বিক্রি, নগদ তহবিল আত্মসাৎ, পরিচালনায় পকেট কমিটি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মতো গুরুতর অভিযোগ তদান্তাধিন থাকা সত্বেও কেন্দ্র সচিব থেকে বহিসকৃত মাওঃ ছলিম উল্লাহর কেন্দ্র সচিব হওয়ার দৌড়ঝাপ দেখে অনেক প্রতিষ্টান প্রধানরা হতাশা প্রকাশ করেন। বহিষ্কৃত কেন্দ্র সচিব মাওঃ ছলিম উল্লাহ আবারো সচিব হওয়া নিয়ে একাডমিক সুপারভাইজার ফজলুল করিম’র নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান- অধ্যক্ষ ছলিম উল্লাহ এ বিষয় নিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে আসছিল। তিনি যেহেতু বহিস্কৃত তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। কেন্দ্র সচিব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আজ শনিবার মিটিং এর আহবান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা যায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম জানান, তিনি বহিস্কৃত কেন্দ্র সচিব মাওঃ ছলিম উল্লাহর বিষয়ে অবগত হয়েছেন। কেন্দ্র সচিব নিয়োগে যথাযথ পক্রিয়া অনুসরন করে সিদ্ধানন্ত নেওয়া হবে। তাই পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ রক্ষার্থে বিতর্কের উর্ধ্বে একজন সৎ ব্যক্তিকে কেন্দ্র সচিব করার জোর দাবী জানান অভিভাবক সমাজ। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ সুবিবেচনায় নেবেন এটাই শিক্ষানুরাগি মহলের প্রত্যাশা।

No comments:
Post a Comment