কক্সবাজার ঈদগাঁওতে ২ অপহরণ গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-৪ , অস্ত্র উদ্ধার
সদর প্রতিনিধি, কক্সবাজার
অপহরণ ও ডাকাতির টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ২ অপহরণকারী গ্রুপের সংঘর্ষে আবদুর রশিদ নামের এক শীর্ষ অপহরণকারী নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরো ৪/৫ জন। আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। এসময় সন্ত্রাসীতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৬ নভেম্বর সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ভোমরিয়াঘোনাস্থ সাত তারা নামক স্থানে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী জানান, অপহরণের টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অপহরণ চক্রের গডফাদার পূর্ব গজালিয়ার আবুল বশরের পুত্র আবদুর রশিদ ও রশিদ নগর এলাকার অপর অপহরণকারী ভেটকার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় ঘটনাস্থলে অপর গ্রুপের গুলিতে আবদুর রশিদ গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয়রা গুলির শব্দ শুনে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অপহরণ বাহিনীর প্রধান আব্দুর রশিদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে বলে জানা গেছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশিয় তৈরি বন্দুক ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি (তদন্ত) দাবি করেন, আব্দুর রশিদ গ্রুপ ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে প্রায় লোকজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় ও সড়ক ডাকাতি করত। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মিনহাজ মাহমুদ ভুঁইয়া জানান, তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানা, রামু, নাইক্ষ্যংছড়ি, চকরিয়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় ৯টিরও অধিক অপহরণ, ডাকাতি, অস্ত্র, মুক্তিপণ আদায়ের মামলা রয়েছে। সম্প্রতি ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে আম্বুলেন্স থামিয়ে বাইশারী ইউনিয়নের প্রাক্তন ইউপি সদস্যসহ তিন জন অপহরণের ঘটনার প্রধান আসামি ছিল নিহত আবদুর রশিদ। এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ চলছে বলে জানান তিনি। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন এ কর্মকান্ড করে আসলে এক প্রকার এলাকাবাসীদের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তার নিহতের খবর এলাকায় পৌছলে এলাকাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।
সদর প্রতিনিধি, কক্সবাজার
অপহরণ ও ডাকাতির টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ২ অপহরণকারী গ্রুপের সংঘর্ষে আবদুর রশিদ নামের এক শীর্ষ অপহরণকারী নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরো ৪/৫ জন। আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। এসময় সন্ত্রাসীতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৬ নভেম্বর সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ভোমরিয়াঘোনাস্থ সাত তারা নামক স্থানে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী জানান, অপহরণের টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অপহরণ চক্রের গডফাদার পূর্ব গজালিয়ার আবুল বশরের পুত্র আবদুর রশিদ ও রশিদ নগর এলাকার অপর অপহরণকারী ভেটকার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় ঘটনাস্থলে অপর গ্রুপের গুলিতে আবদুর রশিদ গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয়রা গুলির শব্দ শুনে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অপহরণ বাহিনীর প্রধান আব্দুর রশিদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে বলে জানা গেছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশিয় তৈরি বন্দুক ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি (তদন্ত) দাবি করেন, আব্দুর রশিদ গ্রুপ ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে প্রায় লোকজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় ও সড়ক ডাকাতি করত। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মিনহাজ মাহমুদ ভুঁইয়া জানান, তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানা, রামু, নাইক্ষ্যংছড়ি, চকরিয়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় ৯টিরও অধিক অপহরণ, ডাকাতি, অস্ত্র, মুক্তিপণ আদায়ের মামলা রয়েছে। সম্প্রতি ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে আম্বুলেন্স থামিয়ে বাইশারী ইউনিয়নের প্রাক্তন ইউপি সদস্যসহ তিন জন অপহরণের ঘটনার প্রধান আসামি ছিল নিহত আবদুর রশিদ। এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ চলছে বলে জানান তিনি। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন এ কর্মকান্ড করে আসলে এক প্রকার এলাকাবাসীদের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তার নিহতের খবর এলাকায় পৌছলে এলাকাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।

No comments:
Post a Comment