মাগুরা শহরে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যকার সংঘর্ষে
মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ ও ১ আওয়ামী লীগ কর্মী নিহতের মামলায় ১৭ জন
আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। গতকাল বিকালে মাগুরা কোর্ট
পুলিশ পরিদর্শকের অফিসে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওসি ইমাউল হক এ
চার্জশিট জমা দেন।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক ফউজুল কবির সাংবাদিকদের জানান, আদালতের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর চার্জশিট জমা হওয়ায় তা আদালতে দাখিল করা যায়নি। আজ বুধবার এ চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে বলে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক সাংবাদিকদের নিকট নিশ্চিত করেছেন। ডিবি ওসি ইমাউল হক জানান, হত্যা ও মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছিল নিহত মোমিন ভূঁইয়ার পুত্র রুবেল। পরে তদন্তকালে ধৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিতে নতুন করে তোতা, আয়নাল ও মুন্না নামের ৩ আসামিকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । এ ছাড়া মামলার ২নং আসামি আজিবর শেখ বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয় এবং অপর এক আসামির সঠিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে মুজিবর, তোতা, আয়নাল ও মুন্না নামের ৪ আসামি পলাতক রয়েছে। বাকি ১৩ জন মাগুরা জেল হাজতে আটক রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৩শে জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাশীন দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মমিন ভূঁইয়া নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হন এবং নিহতের ভাইয়ের স্ত্রী নাজমা বেগম গর্ভের শিশুসহ গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় নিহত মোমিন ভূঁইয়ার ছেলে রুবেল ভূঁইয়া ২৬শে জুলাই মাগুরা সদর থানায় এ মামলা করেন। মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশুসহ মা নাজমা বেগমকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেয়া হয়। সরকারের মন্ত্রী উপদেষ্টাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষ গুলিবিদ্ধ শিশু ও মায়ের চিকিৎসা কাজে আর্থিক সহায়তা করেন ।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক ফউজুল কবির সাংবাদিকদের জানান, আদালতের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর চার্জশিট জমা হওয়ায় তা আদালতে দাখিল করা যায়নি। আজ বুধবার এ চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে বলে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক সাংবাদিকদের নিকট নিশ্চিত করেছেন। ডিবি ওসি ইমাউল হক জানান, হত্যা ও মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছিল নিহত মোমিন ভূঁইয়ার পুত্র রুবেল। পরে তদন্তকালে ধৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিতে নতুন করে তোতা, আয়নাল ও মুন্না নামের ৩ আসামিকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । এ ছাড়া মামলার ২নং আসামি আজিবর শেখ বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয় এবং অপর এক আসামির সঠিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে মুজিবর, তোতা, আয়নাল ও মুন্না নামের ৪ আসামি পলাতক রয়েছে। বাকি ১৩ জন মাগুরা জেল হাজতে আটক রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৩শে জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাশীন দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মমিন ভূঁইয়া নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হন এবং নিহতের ভাইয়ের স্ত্রী নাজমা বেগম গর্ভের শিশুসহ গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় নিহত মোমিন ভূঁইয়ার ছেলে রুবেল ভূঁইয়া ২৬শে জুলাই মাগুরা সদর থানায় এ মামলা করেন। মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশুসহ মা নাজমা বেগমকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেয়া হয়। সরকারের মন্ত্রী উপদেষ্টাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষ গুলিবিদ্ধ শিশু ও মায়ের চিকিৎসা কাজে আর্থিক সহায়তা করেন ।

No comments:
Post a Comment