নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চকরিয়া উপজেলা সহ উপকুলের ব্যসÍতম বানিজ্যিক এলাকা হিসাবে খ্যাত বদরখালী
বাজার এলাকার শত শত হকার- ব্যাবসায়ী টাকা দিয়ে ও এখন শুধু চাঁদার গরমিলের
কারনে গতকাল উচ্ছেদ হতে হয়েছে এমন সংবাদ আগে থেকে বদরখালী প্রচার হয়েছিল।
তাই চেয়ারম্যানের লোক সকাল থেকে চকরিয়া ওথপেতে ছিল কবে দৈনিক সাগর দেশ
চকরিয়া আসবে। চকরিয়ার পত্রিকা এজেন্ট জয়নাল জানান পত্রিকা আসার সাথে সাথে
একজন লোক এসে সব পত্রিকা কিনে নিয়েছে। এজেন্ট কামালের ও একই কথা। এদিকে গত
৩১ ডিসেম্ভর‘১৫ ইং তারিখ রাতে ব্যাবসায়ীদের ঝুপড়ি দোকান ভেঙ্গে দেওয়ায়
বাজারের শত শত ব্যাবসায়ী প্রচন্ড শীতে মানবেতর ভাবে ব্যাবসা করতে হচ্ছে বলে
জানান কামাল নামে এক ব্যবসায়ী। জানা যায় বর্তমান চেয়ারম্যান ও বাজার
কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ঝুপড়ি ব্যাবসায়ীরা প্রতি বছর হাজার
হাজার টাকা চাদা দিয়ে তাদের ব্যাবসা করতে হচ্ছে। ব্যাবসায়ী মোহাম্মদ জানান এ
চেয়ারম্যান সভাপতি হবার আগে তৎকালীন চেয়ারম্যান এ কে এম ইকবাল বদরী
শুধুমাত্র টোল আদায়ের মাধ্যমে সহজ ভাবে ব্যাবসা করে আসছিল। কিন্তু বর্তমান
বাজার কমিটি‘র সভাপতি ও বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরে
হোছাইন আরিফ প্রত্যেক ব্যাবসায়ী থেকে ক্ষেত্র বিশেষে দশ থেকে পঞ্চাশ হাজার
টাকা পর্যন্ত এককালীন টাকা সহ মাসিক ও বাজার টোল আর পাহারাদারদের প্রতিদিন
টাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘেœ ব্যাবসা কারে আসলেও এ বছর আবার ও
অতিরিক্ত টাকা আদায় করার জন্য চাইলে কয়েকজন ব্যাবসায়ী দিতে অনিহা প্রকাশ
করায় এবং এ উচ্ছেদ অভিযান বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাবসায়ীরা।
চেয়ারম্যানকে চাদা দেওয়ার কথা বললেও সবাই এক কথাই বলে- নাম প্রকাশ করা
যাবেনা । যদি প্রকাশ হয় বদরখালী থাকা যাবেনা। এভাবে ব্যাবসার ভয়ে টাকার কথা
অনেকে বলতে না চাইলেও ভিন্ন ভাবে প্রশ্ন করে জানা যায় পুরা ঘটনাটা। তরকারী
ব্যাবসায়ী মোহাম্মদ বলেন উচ্ছেদের আগে আমাদের কাউকে নোটিশ করা হয়নি অথচ
টাকা দিয়ে আমাদের ব্যাবসা করার সুযোগ দিয়েছে চেয়ারম্যান। আর এখন আম-ছাল
দুটিই গেল এমন কথাই বললেন সাহসী ব্যাবসায়ী আব্দুল্লাহ। অসহায় ব্যাবসায়ীগন
প্রচন্ড শীতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর ভাবে ব্যাবসা করা থেকে রক্ষা করার
জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হসÍক্ষেপ কামনা করেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment