Friday, January 1, 2016

ময়মনসিংহে মুক্তা গবেষণাগার ও মৎস্য জাদুঘর উদ্বোধন

বাণিজ্যিকভাবে ঝিনুক চাষ ও ঝিনুক থেকে মুক্তা তৈরির আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে মুক্তা গবেষণাগার এবং স্বাদু ও সামুদ্রিক মৎস প্রজাতির একটি সংগ্রহশালা গড়ে তুলতে একটি মৎস্য জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শনিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে দু’টি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মাকসুদুল হাসান খান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহের, জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, বিএফআরআই’র পরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, স্বাদু পানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, মুক্তাচাষ প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হারুনর রশিদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে মৎসমন্ত্রী মুক্তা গবেষণাগার ও মাঠ পর্যায়ের গবেষণা কার্যক্রম, স্বাদুপানি কেন্দ্রের হ্যাচারি, কুচিয়া, তেলাপিয়া, কৈ, বিলুপ্তপ্রায় মাছের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক এমপি ও সচিব মাকসুদুল হাসান খান বিএফআরআই’র বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এতে বিএফআরআই’র পরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
মৎস্যমন্ত্রী জানান, মুক্তা গবেষণাগার ব্যবহারের মাধ্যমে ঝিনুক থেকে মুক্তা তৈরির কলা-কৌশল আয়ত্ব, ঝিনুকের প্রজননকাল সনাক্তে হিস্টোলজিক্যাল স্টাডি করা সম্ভব হবে।
মুক্তাচাষ প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হারুনর রশিদ জানান, ২০১২ সালের জুলাই মাসে ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে মুক্তাচাষ প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের অধিনে মুক্তা গবেণাগার, কক্সবাজারে একটি ল্যাবরেটরি সংস্কার, গবেষনা পুকুর সংস্কার ও রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে এ প্রকল্পে ২৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারি নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া স্বাদু ও সামুদ্রিক মৎস্য প্রজাতির বৃহৎ একটি সংগ্রহশালা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে জলজ প্রকল্পের অধিনে একটি মৎস্য জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

No comments:

Post a Comment