‘বন্দুকযুদ্ধে’
নিহত দুই ব্যক্তি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের
নেতা বলে দাবি করেছে মহানগর গোয়োন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল নিহতদের লাশ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ
করে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে জেএমবি’র ঢাকা উত্তরের সামরিক কমান্ডার
আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে আবদুল্লাহ এবং কামাল ওরফে হিরণ। এ বিষয়ে গতকাল
দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন
ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নিহত দুজনেই
জেএমবির সক্রিয় নেতা। তারা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে
নাশকতার পরিকল্পনা করতো। এ পর্যন্ত এরকম ১৪টি বাসার সন্ধান পেয়েছে
গোয়েন্দারা। মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে তাদের
মূল ঘাঁটি উত্তরবঙ্গে। জঙ্গিরা শুরুতে অন্তত দুই মাস প্রশিক্ষণ নেয়।
পরবর্তীকালে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে পরিকল্পনা অনুসারে নাশকতা চালায়। গত বছরের
২২শে অক্টোবর রাজধানীর দারুসসালাম থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে
নিহত হন পুলিশের এএসআই ইব্রাহীম মোল্লা। ইব্রাহীম মোল্লা হত্যা ও শিয়াদের
তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময়ে পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে হামলার ঘটনায়
কামাল ওরফে হিরণ জড়িত বলে জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম। এ বিষয়ে
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদপুরে শিয়াদের ওপর হামলার উদ্দেশ্য ছিল
জঙ্গিদের। এজন্য ওই এলাকায় বাসা ভাড়া নেয় তারা। কিন্তু পরবর্তীকালে
শিয়াদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান তাজিয়া মিছিলে হামলার পরিকল্পনা করে। ওই হামলায়
নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল হিরণের। কিন্তু পুলিশ হত্যার পর প্রস্তুতি নিতে সময়
লাগছিল হিরনের। এতে ক্ষিপ্ত হয়েই হোসেনি দালানে হামলার নেতৃত্ব দেন
ইতিমধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত জেএমবির সামরিক কমান্ডার আলবানী ওরফে হোজ্জা।
হোজ্জার সঙ্গে ওই হামলায় অংশ নেন হিরণসহ ছয়জন। তাদের মধ্যে হোজ্জা এবং হিরণ
বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। বাকি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিবি দাবি
করেছে, জেএমবির সামরিক কমান্ডার আলবানি ওরফে হোজ্জার সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিল
কামাল ওরফে হিরণ।
আবদুল্লাহ ও হিরণের নিহত হওয়ার বিষয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত ১০টায় রাজধানীর কামরাঙ্গীচর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় তিন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১১টায় হাজারীবাগ থানার বারইখালীর পশ্চিম সুলতানগঞ্জের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বালুর মাঠে পৌঁছালে ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সেখানে শলাপরামর্শ করতে দেখা যায়। তাদের অবস্থান সন্দেহজনক ছিল দাবি করে মনিরুল ইসলাম জানান, পুলিশ তাদের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করতে থাকে তারা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায় বলে দাবি করেন তিনি। গুলি বর্ষণের একপর্যায়ে দুষ্কৃতকারীদের দুজন আহত হয়। অন্য দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাদের। নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম জানান, আহতদের উদ্ধার করার পর গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গিরা জানায়, একজন জেএমবির সামরিক কমান্ডার আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে আবদুল্লাহ, অন্যজন কামাল ওরফে হিরণ।
বন্দুকযুদ্ধের আগে কামরাঙ্গীরচর থেকে গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- আরমান, জাহিদ হাসান রানা ওরফে মুসহাব এবং নূর মোহাম্মদ ওরফে ল্যাংড়া মাস্টার। তাদের মধ্যে রানা হোসেনি দালানে হামলায় অংশ নিয়েছিল বলে জানান মনিরুল ইসলাম। তাদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলিসহ কাঠের বাটযুক্ত দুটি ওয়ান সুটারগান, একটি ধারালো অস্ত্র, একটি কালো রঙের পালসার মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-২৩-০৫৬৮) ও বিস্ফোরিত গ্রেনেডের কয়েক টুকরা লোহা উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বে জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি গোষ্ঠী জঙ্গিদের অর্থায়ন করছে। ওই গোষ্ঠী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না। এমনকি সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ছাত্র শিবির থেকে একটা গ্রুপ জেএমবিতে যোগ দিয়েছে বলে দাবি করেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তারা নাশকতার নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে, গতকাল দিনভর আবদুল্লাহ ও হিরণের লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল। তাদের কোনো স্বজনকে সেখানে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় মামলা হয়েছে।
আবদুল্লাহ ও হিরণের নিহত হওয়ার বিষয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত ১০টায় রাজধানীর কামরাঙ্গীচর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় তিন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১১টায় হাজারীবাগ থানার বারইখালীর পশ্চিম সুলতানগঞ্জের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বালুর মাঠে পৌঁছালে ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সেখানে শলাপরামর্শ করতে দেখা যায়। তাদের অবস্থান সন্দেহজনক ছিল দাবি করে মনিরুল ইসলাম জানান, পুলিশ তাদের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করতে থাকে তারা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায় বলে দাবি করেন তিনি। গুলি বর্ষণের একপর্যায়ে দুষ্কৃতকারীদের দুজন আহত হয়। অন্য দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাদের। নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম জানান, আহতদের উদ্ধার করার পর গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গিরা জানায়, একজন জেএমবির সামরিক কমান্ডার আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে আবদুল্লাহ, অন্যজন কামাল ওরফে হিরণ।
বন্দুকযুদ্ধের আগে কামরাঙ্গীরচর থেকে গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- আরমান, জাহিদ হাসান রানা ওরফে মুসহাব এবং নূর মোহাম্মদ ওরফে ল্যাংড়া মাস্টার। তাদের মধ্যে রানা হোসেনি দালানে হামলায় অংশ নিয়েছিল বলে জানান মনিরুল ইসলাম। তাদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলিসহ কাঠের বাটযুক্ত দুটি ওয়ান সুটারগান, একটি ধারালো অস্ত্র, একটি কালো রঙের পালসার মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-২৩-০৫৬৮) ও বিস্ফোরিত গ্রেনেডের কয়েক টুকরা লোহা উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বে জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি গোষ্ঠী জঙ্গিদের অর্থায়ন করছে। ওই গোষ্ঠী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না। এমনকি সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ছাত্র শিবির থেকে একটা গ্রুপ জেএমবিতে যোগ দিয়েছে বলে দাবি করেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তারা নাশকতার নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে, গতকাল দিনভর আবদুল্লাহ ও হিরণের লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল। তাদের কোনো স্বজনকে সেখানে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় মামলা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment