প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেয়েছেন পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। আজ সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে চা
এবং শীতের পিঠার দাওয়াতে গণভবনে যান বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি
ফেডারেশন নেতৃবৃন্দ। সেখানে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাদের দাবি বিবেচনার
আশ্বাস দিয়েছেন বলে শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন। তবে কর্মবিরতির বিষয়ে
ফেডারেশনের পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রায় আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠক শেষে গণভবন থেকে বেরিয়ে ফেডারেশন সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমাদের ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আমরা তার কাছে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছি। তিনি আমাদের কথা ধৈর্যসহ শুনেছেন এবং খুবই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি বিবেচনা করারও আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, সভায় আটজন শিক্ষক নেতা এবং সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আমাদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা ফেডারেশনের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব বলে জানিয়েছি। দু-এক দিনের মধ্যেই ফেডারেশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে তার আগ পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে জানান তিনি।
সোমবার বিকেলে ফেডারেশনের প্রায় ২৭ জন শিক্ষক নেতা প্রধানমন্ত্রীর শীতের পিঠার দাওয়াতে যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানে শিক্ষকেরা ছাড়াও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলার একপর্যায়ে ফেডারেশনের আটজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী গণভবনের ভেতরে ডেকে নেন এবং বৈঠক করেন।
দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোতে নিজেদের মর্যাদা রক্ষা এবং সব বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে গত ১১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করা শুরু করেছেন। গতকাল এই আন্দোলন কর্মসূচির অষ্টম দিন পার হয়েছে। ক্লাস হচ্ছে না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে। কয়েকটি ছাড়া বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষাও হচ্ছে না। শিক্ষক ও সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো একপ্রকার অচল হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত রোববার বিশ্ববিদালয় শিক্ষকেরা তাদের পূর্বঘোষিত দাবির আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুটি প্রস্তাব দিয়েছেন। যার মধ্যে সিনিয়র অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ৫ শতাংশকে সিনিয়র সচিবের সমান মর্যাদা এবং ২৫ শতাংশ অধ্যাপককে গ্রেড-১ এর সমান মর্যাদা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ হাজারেরও কিছু বেশি শিক্ষক রয়েছেন। অধ্যাপক আছেন চার হাজার ২০০ কিছু বেশি। গ্রেড-১ এর অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক আছেন ৮২৩ জন।
তাদের মধ্যে ৫ শতাংশকে সিনিয়র সচিবের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিনিয়র অধ্যাপক যারা হবেন তাদের ‘ডিস্টিংগুয়িশ প্রফেসর’ হিসেবে অভিহিত করা হবে। তারা তাদের মেধা-যোগ্যতার নিরিখেই এ পর্যায়ে যেতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে তাদের গবেষণা ও ডিগ্রি মূল্যায়ন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রায় আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠক শেষে গণভবন থেকে বেরিয়ে ফেডারেশন সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমাদের ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আমরা তার কাছে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছি। তিনি আমাদের কথা ধৈর্যসহ শুনেছেন এবং খুবই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি বিবেচনা করারও আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, সভায় আটজন শিক্ষক নেতা এবং সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আমাদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা ফেডারেশনের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব বলে জানিয়েছি। দু-এক দিনের মধ্যেই ফেডারেশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে তার আগ পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে জানান তিনি।
সোমবার বিকেলে ফেডারেশনের প্রায় ২৭ জন শিক্ষক নেতা প্রধানমন্ত্রীর শীতের পিঠার দাওয়াতে যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানে শিক্ষকেরা ছাড়াও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলার একপর্যায়ে ফেডারেশনের আটজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী গণভবনের ভেতরে ডেকে নেন এবং বৈঠক করেন।
দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোতে নিজেদের মর্যাদা রক্ষা এবং সব বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে গত ১১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করা শুরু করেছেন। গতকাল এই আন্দোলন কর্মসূচির অষ্টম দিন পার হয়েছে। ক্লাস হচ্ছে না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে। কয়েকটি ছাড়া বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষাও হচ্ছে না। শিক্ষক ও সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো একপ্রকার অচল হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত রোববার বিশ্ববিদালয় শিক্ষকেরা তাদের পূর্বঘোষিত দাবির আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুটি প্রস্তাব দিয়েছেন। যার মধ্যে সিনিয়র অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ৫ শতাংশকে সিনিয়র সচিবের সমান মর্যাদা এবং ২৫ শতাংশ অধ্যাপককে গ্রেড-১ এর সমান মর্যাদা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ হাজারেরও কিছু বেশি শিক্ষক রয়েছেন। অধ্যাপক আছেন চার হাজার ২০০ কিছু বেশি। গ্রেড-১ এর অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক আছেন ৮২৩ জন।
তাদের মধ্যে ৫ শতাংশকে সিনিয়র সচিবের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ সিনিয়র অধ্যাপক যারা হবেন তাদের ‘ডিস্টিংগুয়িশ প্রফেসর’ হিসেবে অভিহিত করা হবে। তারা তাদের মেধা-যোগ্যতার নিরিখেই এ পর্যায়ে যেতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে তাদের গবেষণা ও ডিগ্রি মূল্যায়ন করা হবে।

No comments:
Post a Comment