![]() |
| ইজতেমা ময়দানে যাচ্ছেন মুসল্লিরা : নয়া দিগন্ত |
টঙ্গীর
তুরাগ তীরে তাবলিগ জামাতের এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ শুক্রবার
শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কনকনে শীত ও কুয়াশা উপো
করে বাস-ট্রাক, কার-পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে দলে দলে মুসল্লিরা
ইতোমধ্যে ইজতেমাস্থলে আসছেন। তারা কাঁধে-পিঠে প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে
ইজতেমাস্থলে নিজ নিজ জেলার খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন। অবশ্য গত কয়েক দিন
থেকেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জামাতবদ্ধ মুসল্লিরা এসে ময়দানের
খিত্তায় খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন। টঙ্গীর ইজতেমাস্থল এখন মুসল্লিদের আগমনে
মুখরিত। আজ শুক্রবার বাদ ফজর আনুষ্ঠানিক আমবয়ানের মাধ্যমে তাবলিগের
মুরুব্বিদের এর সূচনা করার কথা রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারই বিশ্ব ইজতেমার
বিশাল ময়দানে লাখো মুসল্লি জমায়েত হওয়ায় বাদ মাগরিব থেকেই মুসল্লিদের মাঝে
হেদায়েতি বয়ান ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
এবার প্রথমবারের মতো চার ভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। দেশের মোট ৩২টি জেলা নিয়ে এ বছর ইজতেমার দুই পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী বছর বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বে বাকি ৩২ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন। এ বছরের প্রথম পর্বে অংশ নেবে ঢাকার একাংশসহ ১৭টি জেলার তাবলিগ অনুসারীরা। দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবে ১৫টি জেলাসহ ঢাকার বাকি অংশের তাবলিগ অনুসারীরা। তবে বিদেশী মুসল্লিরা প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন।
এবারের ২০১৬ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব দেশের ৩২টি জেলার মুসল্লিদের নিয়ে টঙ্গী তুরাগ তীরে আজ শুক্রবার শুরু হচ্ছে এবং আগামী রোববার আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হবে। এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ১৫ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবে ঢাকার বাকি অংশসহ ১৬টি জেলার তাবলিগ অনুসারীরা। ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে দুই পর্বের এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় পথে দুর্ভোগ সত্ত্বেও সব বাধা উপো করে মুসল্লিরা গাড়িতে চড়ে ও হেঁটে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আসছেন দলে দলে। এ বছর বাইরের প্রায় ৩০-৪০টি দেশ থেকে ৩০ হাজারেরও বেশি মুসল্লি ইজতেমায় যোগ দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রথম পর্বে মুসল্লিরা খিত্তাওয়ারি যেভাবে অবস্থান নেবেন : এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ২৭টি খিত্তায় ঢাকার একাংশসহ ১৭ জেলার মুসল্লিদের জন্য ময়দানে জেলাওয়ারি মুসল্লিদের স্থান (খিত্তা) নির্দিষ্ট করা হয়েছে। মুসল্লিরা জেলাওয়ারি এসব খিত্তায় অবস্থান নেবেন।
তুরাগ নদীতে ভাসমান সেতু স্থাপন : মুসল্লিদের তুরাগ নদী পারাপারের ৯টি ভাসমান সেতু স্থাপন করা হয়েছে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের তত্ত্বাবধানে। ইতোমধ্যে সেতুগুলো মুসল্লিদের চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে।
ইজতেমাস্থলে কোনো প্রকার অপরাধ সংঘটিত হলে তার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম জানান, বুধবার থেকে ইজতেমাস্থলে ও আশপাশের খাবারের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান শুরু করেছে। ইজতেমায় অংশ নেয়া মুসল্লিদের যোগাযোগের সুবিধার জন্য ইজতেমা ময়দান এলাকায় প্রয়োজনসাপেে প্রায় অর্ধশত টেলিফোন সংযোগ দেয়া হয়েছে। র্যাব কন্ট্রোল রুম, পুলিশ কন্ট্রোল রুম, জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম, ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম, টঙ্গী পৌরসভার কন্ট্রোল রুম, ইজতেমার আমিরের রুম, বিদেশী মেহমানদের রান্নাঘর, সেনাসদসদ্যের কন্ট্রোল রুম, স্বাস্থ্য ক্যাম্প, পানির পাম্প সেন্টার, বিদেশী তাঁবু ও গোডাউনে এসব টেলিফোন সংযোগ দেয়া হয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ঠিক রাখতে অস্থায়ী টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।
পানি, বিদ্যুৎ, চিকিৎসাসেবা : জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের টঙ্গী অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ইজতেমা মাঠে স্থাপিত উৎপাদন নলকূপের মাধ্যমে প্রতিদিন তিন কোটি লিটারেরও বেশি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের সব পদপে নেয়া হয়েছে। ওজু-গোসলের হাউজ ও টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় স্থানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পারভেজ আলম জানান, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা দিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মেডিক্যাল অফিসারদের তালিকা ও ডিউটি রোস্টার করা হয়েছে। মুসল্লিদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে মন্নু গেট, এটলাস গেট, বাটা কারাখানার গেট ও টঙ্গী হাসপাতাল মাঠসহ ছয়টি অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ধর্মমন্ত্রী অধ্য মতিউর রহমান ও রেলমন্ত্রী মজিবুল হক টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ও এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
নিরাপত্তাব্যবস্থা : গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের নিরাপত্তায় সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ১২ হাজার পুলিশ সদস্য ২৪ ঘণ্টা মুসল্লিদের নিরাপত্তাদানে নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়াও সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পর্যাপ্ত সদস্য নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।
স্পেশাল যানবাহন : মুসল্লিদের সুবিধার্থে ইজতেমা শুরুর আগের দিন থেকে বিআরটিসির ২২৮টি স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। বিআরটিসির একটি সূত্র জানায়, ৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলাচলকারী স্পেশাল বাসের মধ্যে তিনটি বাস বিদেশী মুসল্লিদের জন্য রিজার্ভ থাকবে।
অপর দিকে বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২৮টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে। এ ছাড়া সব আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেনে অতিরিক্ত ২০টি কোচ সংযোজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুই ধাপের ইজতেমার প্রথম ধাপে শুক্রবার ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা দু’টি জুমা স্পেশাল, আখেরি মুনাজাতের আগের দু’দিন জামালপুর ও আখাউড়া থেকে দু’টি করে চারটি অতিরিক্ত ট্রেন পরিচালনা করা হবে। আখেরি মুনাজাতের আগের দিন লাকসাম-টঙ্গী একটি, আখেরি মুনাজাতের দিন ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা সাতটি, টঙ্গী-ঢাকা সাতটি, টঙ্গী-লাকসাম একটি, টঙ্গী-আখাউড়া দু’টি, টঙ্গী-ময়মনসিংহ চারটিসহ মোট ২১টি আখেরি মুনাজাত স্পেশাল ট্রেন চালু থাকবে।
এবার প্রথমবারের মতো চার ভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। দেশের মোট ৩২টি জেলা নিয়ে এ বছর ইজতেমার দুই পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী বছর বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বে বাকি ৩২ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন। এ বছরের প্রথম পর্বে অংশ নেবে ঢাকার একাংশসহ ১৭টি জেলার তাবলিগ অনুসারীরা। দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবে ১৫টি জেলাসহ ঢাকার বাকি অংশের তাবলিগ অনুসারীরা। তবে বিদেশী মুসল্লিরা প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন।
এবারের ২০১৬ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব দেশের ৩২টি জেলার মুসল্লিদের নিয়ে টঙ্গী তুরাগ তীরে আজ শুক্রবার শুরু হচ্ছে এবং আগামী রোববার আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হবে। এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ১৫ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবে ঢাকার বাকি অংশসহ ১৬টি জেলার তাবলিগ অনুসারীরা। ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে দুই পর্বের এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় পথে দুর্ভোগ সত্ত্বেও সব বাধা উপো করে মুসল্লিরা গাড়িতে চড়ে ও হেঁটে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আসছেন দলে দলে। এ বছর বাইরের প্রায় ৩০-৪০টি দেশ থেকে ৩০ হাজারেরও বেশি মুসল্লি ইজতেমায় যোগ দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রথম পর্বে মুসল্লিরা খিত্তাওয়ারি যেভাবে অবস্থান নেবেন : এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ২৭টি খিত্তায় ঢাকার একাংশসহ ১৭ জেলার মুসল্লিদের জন্য ময়দানে জেলাওয়ারি মুসল্লিদের স্থান (খিত্তা) নির্দিষ্ট করা হয়েছে। মুসল্লিরা জেলাওয়ারি এসব খিত্তায় অবস্থান নেবেন।
তুরাগ নদীতে ভাসমান সেতু স্থাপন : মুসল্লিদের তুরাগ নদী পারাপারের ৯টি ভাসমান সেতু স্থাপন করা হয়েছে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের তত্ত্বাবধানে। ইতোমধ্যে সেতুগুলো মুসল্লিদের চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে।
ইজতেমাস্থলে কোনো প্রকার অপরাধ সংঘটিত হলে তার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম জানান, বুধবার থেকে ইজতেমাস্থলে ও আশপাশের খাবারের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান শুরু করেছে। ইজতেমায় অংশ নেয়া মুসল্লিদের যোগাযোগের সুবিধার জন্য ইজতেমা ময়দান এলাকায় প্রয়োজনসাপেে প্রায় অর্ধশত টেলিফোন সংযোগ দেয়া হয়েছে। র্যাব কন্ট্রোল রুম, পুলিশ কন্ট্রোল রুম, জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম, ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম, টঙ্গী পৌরসভার কন্ট্রোল রুম, ইজতেমার আমিরের রুম, বিদেশী মেহমানদের রান্নাঘর, সেনাসদসদ্যের কন্ট্রোল রুম, স্বাস্থ্য ক্যাম্প, পানির পাম্প সেন্টার, বিদেশী তাঁবু ও গোডাউনে এসব টেলিফোন সংযোগ দেয়া হয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ঠিক রাখতে অস্থায়ী টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।
পানি, বিদ্যুৎ, চিকিৎসাসেবা : জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের টঙ্গী অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ইজতেমা মাঠে স্থাপিত উৎপাদন নলকূপের মাধ্যমে প্রতিদিন তিন কোটি লিটারেরও বেশি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের সব পদপে নেয়া হয়েছে। ওজু-গোসলের হাউজ ও টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় স্থানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পারভেজ আলম জানান, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা দিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মেডিক্যাল অফিসারদের তালিকা ও ডিউটি রোস্টার করা হয়েছে। মুসল্লিদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে মন্নু গেট, এটলাস গেট, বাটা কারাখানার গেট ও টঙ্গী হাসপাতাল মাঠসহ ছয়টি অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ধর্মমন্ত্রী অধ্য মতিউর রহমান ও রেলমন্ত্রী মজিবুল হক টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ও এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
নিরাপত্তাব্যবস্থা : গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের নিরাপত্তায় সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ১২ হাজার পুলিশ সদস্য ২৪ ঘণ্টা মুসল্লিদের নিরাপত্তাদানে নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়াও সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পর্যাপ্ত সদস্য নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।
স্পেশাল যানবাহন : মুসল্লিদের সুবিধার্থে ইজতেমা শুরুর আগের দিন থেকে বিআরটিসির ২২৮টি স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। বিআরটিসির একটি সূত্র জানায়, ৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলাচলকারী স্পেশাল বাসের মধ্যে তিনটি বাস বিদেশী মুসল্লিদের জন্য রিজার্ভ থাকবে।
অপর দিকে বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২৮টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে। এ ছাড়া সব আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেনে অতিরিক্ত ২০টি কোচ সংযোজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুই ধাপের ইজতেমার প্রথম ধাপে শুক্রবার ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা দু’টি জুমা স্পেশাল, আখেরি মুনাজাতের আগের দু’দিন জামালপুর ও আখাউড়া থেকে দু’টি করে চারটি অতিরিক্ত ট্রেন পরিচালনা করা হবে। আখেরি মুনাজাতের আগের দিন লাকসাম-টঙ্গী একটি, আখেরি মুনাজাতের দিন ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা সাতটি, টঙ্গী-ঢাকা সাতটি, টঙ্গী-লাকসাম একটি, টঙ্গী-আখাউড়া দু’টি, টঙ্গী-ময়মনসিংহ চারটিসহ মোট ২১টি আখেরি মুনাজাত স্পেশাল ট্রেন চালু থাকবে।

No comments:
Post a Comment