বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচলের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নৌ-মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বুধবার চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনে যাবেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
থাইল্যন্ডের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক মাধব রায় সাংবাদিকদের বলেন, 'উপকূলীয় জাহাজ চলাচলে থাইল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের একটি এমওইউ স্বাক্ষর হবে।'
এতে সাত দিনের স্থলে তিন দিনে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন করা যাবে। এতে পরিবহন খরচও কমে আসবে বলে জানান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত নৌ-পরিবহন সচিব অশোক মাধব রায় ও থাইল্যান্ডের পক্ষে দেশটির পোর্ট কর্তৃপক্ষের সহকারী মহাপরিচালক প্রজাক শ্রীভাথানা।
এছাড়া বৈঠকে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসলিম এবং চট্টগ্রাম, মংলা, পায়রা বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।
নৌ-পরিবহন সচিব বলেন, 'প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করে মূল ধারণাটা নেবেন। চট্টগ্রাম পোর্টে আমরা কীভাবে পণ্য, কন্টেইনার বা মালামাল হ্যান্ডলিং করি, আমাদের কাস্টম কিভাবে কাজ করে সব ওনারা দেখবেন।'
'এর মাধ্যমে যে কনফিডেন্স গ্রো (আত্মবিশ্বাস জন্মাবে) করবে তার ভিত্তিতে আমরা একটা এমওইউ স্বাক্ষর করব' যোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নৌ-মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বুধবার চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনে যাবেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
থাইল্যন্ডের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক মাধব রায় সাংবাদিকদের বলেন, 'উপকূলীয় জাহাজ চলাচলে থাইল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের একটি এমওইউ স্বাক্ষর হবে।'
এতে সাত দিনের স্থলে তিন দিনে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন করা যাবে। এতে পরিবহন খরচও কমে আসবে বলে জানান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত নৌ-পরিবহন সচিব অশোক মাধব রায় ও থাইল্যান্ডের পক্ষে দেশটির পোর্ট কর্তৃপক্ষের সহকারী মহাপরিচালক প্রজাক শ্রীভাথানা।
এছাড়া বৈঠকে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসলিম এবং চট্টগ্রাম, মংলা, পায়রা বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।
নৌ-পরিবহন সচিব বলেন, 'প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করে মূল ধারণাটা নেবেন। চট্টগ্রাম পোর্টে আমরা কীভাবে পণ্য, কন্টেইনার বা মালামাল হ্যান্ডলিং করি, আমাদের কাস্টম কিভাবে কাজ করে সব ওনারা দেখবেন।'
'এর মাধ্যমে যে কনফিডেন্স গ্রো (আত্মবিশ্বাস জন্মাবে) করবে তার ভিত্তিতে আমরা একটা এমওইউ স্বাক্ষর করব' যোগ করেন তিনি।

No comments:
Post a Comment