যে
অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেংকারির ঘটনায় ৫৬টি
মামলা হয়েছে, দুদকের সেই প্রতিবেদন তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী সাত দিনের
মধ্যে দুদককে তা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ঋণ কেলেংকারির ঘটনার
অধিকতর তদন্তের দাবিতে করা একটি রিটের চূড়ান্ত শুনানিকালে মঙ্গলবার
বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ
আদেশ দেন। একই সঙ্গে ওই ব্যাংকের বোর্ড সভায় (৩১০ থেকে ৩২১ নম্বর সভা)
যেসব ঋণ অনুমোদন দেয়া হয়েছে তার সিদ্ধান্ত এবং ঋণ কেলেংকারির ঘটনায়
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদনও চার সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে দাখিল
করতে বলা হয়েছে।
জানা যায়, আর্থিক কেলেংকারি, নিয়োগ, পদোন্নতিতে দুর্নীতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, মহাহিসাব নিরীক্ষকের (সিএজি) কার্যালয় ও বেসিক ব্যাংকের প্রতিবেদন নিয়ে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু ও পরিচালনা পর্ষদকে বাদ দিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুদকের করা মামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নোয়াখালীর হারুনুর রশিদ এক রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত বছরের ১৬ নভেম্বর রুল জারি করেন।
রুলে প্রতিবেদনে অভিযোগের মুখে থাকা মুখ্য অপরাধীদের বাদ দিয়ে ৫৬টি মামলা করা কেন বেআইনি ঘোষণা হবে না এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে দুদককে বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেংকারি বিষয়ে অধিক তদন্তের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।
দুদক চেয়ারম্যান, অর্থ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়, যার ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদেশ আসে। মঙ্গলবার এই রুলের ওপর আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী জেডআই খান পান্না ও মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ এবং আদালতের আহবানে দুদক আইনজীবী খুরশিদ আলম খান শুনানি করেন।
শুনানিতে জেডআই খান পান্না বলেন, এই ব্যাংকে পাবলিক মানি রয়েছে এবং ঋণ দেয়া নিয়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে ১০ টাকা চুরি করলে তাকে সাজা দেয়া হয়। কিন্তু কোটি টাকা চুরির জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাই এ ঘটনা তদন্ত করা দরকার। শুনানি শেষে হাইকোর্ট এসব অনুসন্ধান, বোর্ড মিটিংয়ের রেজ্যুলেশন ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন তলব করেন।
২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেংকারির ঘটনা ঘটে। ব্যাংকের তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ অনুমোদন করাতেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি সংকটে পড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। চার বছর অনুসন্ধানের পর ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ১৫৬ জনকে আসামি করে মোট ৫৬টি মামলা করে দুদক।
মামলায় বেসিক ব্যাংকের ২৬ কর্মকর্তাকে আসামি করা হলেও ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু ও পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্যকে রাখা হয়নি। ব্যাংক কর্মকর্তার বাইরে অপর আসামিরা ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। বেসিক ব্যাংক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে ঋণ কেলেংকারিতে শেখ আবদুল হাইয়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল বলে গণমাধ্যমে খবর আসে।
জানা যায়, আর্থিক কেলেংকারি, নিয়োগ, পদোন্নতিতে দুর্নীতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, মহাহিসাব নিরীক্ষকের (সিএজি) কার্যালয় ও বেসিক ব্যাংকের প্রতিবেদন নিয়ে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু ও পরিচালনা পর্ষদকে বাদ দিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুদকের করা মামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নোয়াখালীর হারুনুর রশিদ এক রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত বছরের ১৬ নভেম্বর রুল জারি করেন।
রুলে প্রতিবেদনে অভিযোগের মুখে থাকা মুখ্য অপরাধীদের বাদ দিয়ে ৫৬টি মামলা করা কেন বেআইনি ঘোষণা হবে না এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে দুদককে বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেংকারি বিষয়ে অধিক তদন্তের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।
দুদক চেয়ারম্যান, অর্থ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়, যার ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদেশ আসে। মঙ্গলবার এই রুলের ওপর আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী জেডআই খান পান্না ও মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ এবং আদালতের আহবানে দুদক আইনজীবী খুরশিদ আলম খান শুনানি করেন।
শুনানিতে জেডআই খান পান্না বলেন, এই ব্যাংকে পাবলিক মানি রয়েছে এবং ঋণ দেয়া নিয়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে ১০ টাকা চুরি করলে তাকে সাজা দেয়া হয়। কিন্তু কোটি টাকা চুরির জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাই এ ঘটনা তদন্ত করা দরকার। শুনানি শেষে হাইকোর্ট এসব অনুসন্ধান, বোর্ড মিটিংয়ের রেজ্যুলেশন ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন তলব করেন।
২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেংকারির ঘটনা ঘটে। ব্যাংকের তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ অনুমোদন করাতেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি সংকটে পড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। চার বছর অনুসন্ধানের পর ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ১৫৬ জনকে আসামি করে মোট ৫৬টি মামলা করে দুদক।
মামলায় বেসিক ব্যাংকের ২৬ কর্মকর্তাকে আসামি করা হলেও ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু ও পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্যকে রাখা হয়নি। ব্যাংক কর্মকর্তার বাইরে অপর আসামিরা ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। বেসিক ব্যাংক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে ঋণ কেলেংকারিতে শেখ আবদুল হাইয়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল বলে গণমাধ্যমে খবর আসে।

No comments:
Post a Comment