![]() |
| তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু |
মুক্তিযুদ্ধ
নিয়ে কটাক্ষকারীদেরকে ‘পাগল’ ও ‘রাজনৈতিক শয়তান’ আখ্যায়িত করেছেন
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় পতাকা আর মুক্তিযুদ্ধ
নিয়ে যারা কটাক্ষ করে তারা পাগল, না হয় রাজনৈতিক শয়তান।’ তিনি বলেন, ‘যদি
পাগল হয় তার জায়গা হবে পাগলাগারদে, যদি রাজনৈতিক শয়তান হয় তার জায়গা হবে
আদালতে। আর যদি ‘আহাম্মক’ হয় তাহলে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে রাজনীতি থেকে বের করে
দেয়া হবে।’
রোবাবার দুপুরে ময়মনসিংহ টাউনহল ময়দানে জাসদের জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মায়াকান্না করে লাভ নেই। নির্বাচন আর গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে যারা আগুন সন্ত্রাসী আর জঙ্গিদের রাজনীতিতে জায়গা দেওয়ার কথা বলছেন তারা কার্যত যুদ্ধাপরাধী, আগুন সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের হালাল করার চক্রান্ত করছেন।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত সাত বছর ধরে বাংলাদেশকে আমরা সঠিক ইতিহাসের পথে সংবিধানের পথে, গণতন্ত্রের পথে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করলাম। আর বেগম খালেদা জিয়া জঙ্গি ও রাজাকারদের সাথে নিয়ে আবার ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত শুরু করলেন। বাংলাদেশের সমাজ, গণতন্ত্র স্থায়ী নিরাপদ করতে হলে খালেদা ও জামায়াতকে আর ক্ষমতা দখল করতে দেয়া যাবে না। খালেদার হাত ধরে জঙ্গিরা আর যাতে ঘাঁটি ও খুঁটি গাড়তে না পারে সেই ব্যবস্থা করাই হচ্ছে গুরুত্বপুর্ণ কাজ। জামায়াত নিষিদ্ধ করলে, জঙ্গি দমন ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি দিলেই বাংলাদেশ নিরাপদ হবে। তিনি বলেন, আগুন সন্ত্রাসী খালেদা জিয়া ও বিএনপি বাংলাদেশে থাকবে কি থাকবে না এই গুরুত্বপুর্ণ রাজনীতির প্রশ্নে মীমাংসা করতে হবে। এই প্রশ্ন যখন করি আমার রাজনৈতিক বন্ধুরা আমাকে অসাংবিধানিক মনে করেন। আমি কোনো অগণতান্ত্রিক প্রস্তাব করছি না।
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা জাসদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনো নিরাপদ নয়। এখনো জঙ্গিনেত্রী আগুন সন্ত্রাসী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদীরা, রাজাকাররা, সাম্প্রদায়িক শক্তিরা, পাকিস্তানের দালালরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। আগুনযুদ্ধে হেরে যাবার পরে তারা আত্মসমর্পণ করেনি। পিছু হটে গেলেও তারা চোরাগুপ্তা হামলা চালাচ্ছে। মানুষকে হত্যা, ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা মুক্তিযুদ্ধ, একাত্তরের শহীদ, বঙ্গবন্ধু, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কটাক্ষ করছে, বিদ্রুপ ও অপমান করছে। বাংলাদেশ, সংবিধান, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে।
জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাদিক হোসেনের সঞ্চালনায় জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নূরুল আম্বিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, লুৎফা তাহের এমপি, নারী জোটের আহবায়ক নারী নেত্রী আফরোজা রীনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত রায়হান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মোক্তাদির, জাসদ নেতা শফিউদ্দিন মোল্লা, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্ন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু, সম্মেলন কমিটির আহবায়ক রতন সরকার প্রমুখ। পরে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের ময়মনসিংহ উপ-কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
রোবাবার দুপুরে ময়মনসিংহ টাউনহল ময়দানে জাসদের জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মায়াকান্না করে লাভ নেই। নির্বাচন আর গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে যারা আগুন সন্ত্রাসী আর জঙ্গিদের রাজনীতিতে জায়গা দেওয়ার কথা বলছেন তারা কার্যত যুদ্ধাপরাধী, আগুন সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের হালাল করার চক্রান্ত করছেন।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত সাত বছর ধরে বাংলাদেশকে আমরা সঠিক ইতিহাসের পথে সংবিধানের পথে, গণতন্ত্রের পথে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করলাম। আর বেগম খালেদা জিয়া জঙ্গি ও রাজাকারদের সাথে নিয়ে আবার ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত শুরু করলেন। বাংলাদেশের সমাজ, গণতন্ত্র স্থায়ী নিরাপদ করতে হলে খালেদা ও জামায়াতকে আর ক্ষমতা দখল করতে দেয়া যাবে না। খালেদার হাত ধরে জঙ্গিরা আর যাতে ঘাঁটি ও খুঁটি গাড়তে না পারে সেই ব্যবস্থা করাই হচ্ছে গুরুত্বপুর্ণ কাজ। জামায়াত নিষিদ্ধ করলে, জঙ্গি দমন ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি দিলেই বাংলাদেশ নিরাপদ হবে। তিনি বলেন, আগুন সন্ত্রাসী খালেদা জিয়া ও বিএনপি বাংলাদেশে থাকবে কি থাকবে না এই গুরুত্বপুর্ণ রাজনীতির প্রশ্নে মীমাংসা করতে হবে। এই প্রশ্ন যখন করি আমার রাজনৈতিক বন্ধুরা আমাকে অসাংবিধানিক মনে করেন। আমি কোনো অগণতান্ত্রিক প্রস্তাব করছি না।
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা জাসদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনো নিরাপদ নয়। এখনো জঙ্গিনেত্রী আগুন সন্ত্রাসী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদীরা, রাজাকাররা, সাম্প্রদায়িক শক্তিরা, পাকিস্তানের দালালরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। আগুনযুদ্ধে হেরে যাবার পরে তারা আত্মসমর্পণ করেনি। পিছু হটে গেলেও তারা চোরাগুপ্তা হামলা চালাচ্ছে। মানুষকে হত্যা, ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা মুক্তিযুদ্ধ, একাত্তরের শহীদ, বঙ্গবন্ধু, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কটাক্ষ করছে, বিদ্রুপ ও অপমান করছে। বাংলাদেশ, সংবিধান, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে।
জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাদিক হোসেনের সঞ্চালনায় জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নূরুল আম্বিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, লুৎফা তাহের এমপি, নারী জোটের আহবায়ক নারী নেত্রী আফরোজা রীনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত রায়হান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মোক্তাদির, জাসদ নেতা শফিউদ্দিন মোল্লা, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্ন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু, সম্মেলন কমিটির আহবায়ক রতন সরকার প্রমুখ। পরে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের ময়মনসিংহ উপ-কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

No comments:
Post a Comment