জন্মদিনে
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ
রাসেলকে স্মরণ করেছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। রাসেলের ৫১তম
জন্মদিন উপলক্ষে রোববার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা, মিলাদ,
দোয়া মাহফিল, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও
দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। ১৯৬৪ সালের এই দিনে ধানমন্ডির
বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ
রাসেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ওই বাড়িতেই বাবা-মাসহ পরিবারের অধিকাংশ
সদস্যের সঙ্গে ঘাতকরা শিশু রাসেলকেও হত্যা করে।
সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ অগাস্টে নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে রাসেলের জন্মদিনের কর্মসূচি শুরু হয়।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের ও সতীশ চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বনানী কবরস্থান মসজিদে রাসেলসহ ১৫ অগাস্টে নিহতদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ১৫ অগাস্টে নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, শেখ রাসেল শিশু সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন।
রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসাবে সেখানে বক্তব্য রাখেন। এদিকে বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বক্তব্য রাখেন। শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী যুবলীগ বিকেলে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত ডাস-এর সামনে কেক কেটে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন করে ছাত্রলীগ। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমী কেক কাটার পাশাপাশি শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি শোভাযাত্রার নেতৃত্বে দেন। শেখ রাসেল শিশু সংসদও মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ অগাস্টে নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে রাসেলের জন্মদিনের কর্মসূচি শুরু হয়।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের ও সতীশ চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বনানী কবরস্থান মসজিদে রাসেলসহ ১৫ অগাস্টে নিহতদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ১৫ অগাস্টে নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, শেখ রাসেল শিশু সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন।
রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসাবে সেখানে বক্তব্য রাখেন। এদিকে বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বক্তব্য রাখেন। শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী যুবলীগ বিকেলে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত ডাস-এর সামনে কেক কেটে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন করে ছাত্রলীগ। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমী কেক কাটার পাশাপাশি শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি শোভাযাত্রার নেতৃত্বে দেন। শেখ রাসেল শিশু সংসদও মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

No comments:
Post a Comment