দক্ষিণ
চীন সাগরে সামরিক নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে রাডারসহ অন্যান্য
প্রতিরক্ষা স্থাপনা বসাচ্ছে বেইজিং। এতে ওই ভূচিত্রের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন
ঘটতে পারে। প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আমেরিকান থিংক ট্যাংক। খবর এএফপির।
ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) প্রকাশিত কার্টেরন রিফের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, চীন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাডারসহ লাইট হাউস, ভূগর্ভস্থ বাংকার, হেলিপ্যাড এবং অন্যান্য যোগাযোগ স্থাপনা তৈরি করছে। এর মাত্র এক সপ্তাহ আগে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, চীন তার কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই অঞ্চল নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা তীব্র হয়েছে। সিএসআইএস বলছে, কার্টেরন রিফে চীনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাডার স্থাপনের মাধ্যমে মালাক্কা প্রণালী এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য চ্যানেল থেকে উত্তর দিকে আসা ভূমি ও আকাশে যে কোনো তৎপরতা মনিটরিংয়ের সক্ষমতা চীনের উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। সিএসআইএস আরও বলছে, অন্যান্যের মধ্যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য এইচকিউ-৯ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি খুবই উল্লেখযোগ্য। তবে এর মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক ভারসাম্য নষ্ট হবে না। কিন্তু নতুন রাডার স্থাপনের মাধ্যমে ওই অঞ্চলের ভূচিত্রের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটতে পারে। দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় সবটাই চীন দাবি করছে। যদিও তাইওয়ানের মতো অন্যান্য দেশও দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম দাবিদার। গত সপ্তাহে চীন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, এটি তাদের সার্বভৌম অধিকার।
হাওয়াই দ্বীপ আর দ. চীন সাগর এক নয়-যুক্তরাষ্ট্র : দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন নানাভাবে তা লঙ্ঘন করে চলেছে। অঞ্চলটিতে নিজেদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্বপক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে চীন দাবি করেছে যে হাওয়াই দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান প্রতিরক্ষামূলক কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য হলে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের হস্তক্ষেপও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। চীনের এ দাবি উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হাওয়াই দ্বীপ দক্ষিণ চীন সাগর নয়, হাওয়াই দ্বীপের ওপর অন্য কোনো দেশের দাবি নেই।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব জোশ আর্নেস্ট সোমবার বলেন, ‘হাওয়াইয়ের ওপর অন্য কোনো দেশের দাবিদাওয়া নেই। কিন্তু তারপরও যদি হাওয়াইকে দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত এলাকার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে বলতে হয় যে বেশ কয়েকটি দেশ সাগরের নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করায় এই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।’ এএফপি।
ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) প্রকাশিত কার্টেরন রিফের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, চীন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাডারসহ লাইট হাউস, ভূগর্ভস্থ বাংকার, হেলিপ্যাড এবং অন্যান্য যোগাযোগ স্থাপনা তৈরি করছে। এর মাত্র এক সপ্তাহ আগে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, চীন তার কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই অঞ্চল নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা তীব্র হয়েছে। সিএসআইএস বলছে, কার্টেরন রিফে চীনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাডার স্থাপনের মাধ্যমে মালাক্কা প্রণালী এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য চ্যানেল থেকে উত্তর দিকে আসা ভূমি ও আকাশে যে কোনো তৎপরতা মনিটরিংয়ের সক্ষমতা চীনের উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। সিএসআইএস আরও বলছে, অন্যান্যের মধ্যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য এইচকিউ-৯ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি খুবই উল্লেখযোগ্য। তবে এর মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক ভারসাম্য নষ্ট হবে না। কিন্তু নতুন রাডার স্থাপনের মাধ্যমে ওই অঞ্চলের ভূচিত্রের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটতে পারে। দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় সবটাই চীন দাবি করছে। যদিও তাইওয়ানের মতো অন্যান্য দেশও দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম দাবিদার। গত সপ্তাহে চীন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, এটি তাদের সার্বভৌম অধিকার।
হাওয়াই দ্বীপ আর দ. চীন সাগর এক নয়-যুক্তরাষ্ট্র : দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন নানাভাবে তা লঙ্ঘন করে চলেছে। অঞ্চলটিতে নিজেদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্বপক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে চীন দাবি করেছে যে হাওয়াই দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান প্রতিরক্ষামূলক কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য হলে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের হস্তক্ষেপও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। চীনের এ দাবি উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হাওয়াই দ্বীপ দক্ষিণ চীন সাগর নয়, হাওয়াই দ্বীপের ওপর অন্য কোনো দেশের দাবি নেই।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব জোশ আর্নেস্ট সোমবার বলেন, ‘হাওয়াইয়ের ওপর অন্য কোনো দেশের দাবিদাওয়া নেই। কিন্তু তারপরও যদি হাওয়াইকে দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত এলাকার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে বলতে হয় যে বেশ কয়েকটি দেশ সাগরের নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করায় এই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।’ এএফপি।

No comments:
Post a Comment