![]() |
| নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ১৯তম সমাবর্তনে বক্তব্য দিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ |
নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ১৯তম সমাবর্তন
ভাষা
শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান জানাতে নবীন গ্রাজুয়েটদের বছরে কমপক্ষে
দু’জনকে অক্ষর জ্ঞান দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
বৃহস্পতিবার নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ১৯তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি বলেন, নবীন গ্রাজুয়েটদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, তোমরা মাতৃভাষা চর্চার পাশাপাশি তোমাদের নিজ নিজ এলাকায়, পরিমণ্ডলে বছরে কমপক্ষে দু’জন নিরক্ষর ব্যক্তিকে অক্ষরজ্ঞানে সাক্ষর করে তুলবে, তা হলে ভাষা শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে।
গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কী ধরনের শিক্ষা ও গবেষণা হচ্ছে তা জানতে হবে এবং আমাদের দেশের উপযোগিতা অনুযায়ী জ্ঞান অর্জন করে তা প্রয়োগ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে শিক্ষা হবে সার্টিফিকেট সর্বস্ব, যা যুগের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হবে। এতে দেশে উচ্চশিক্ষার হার বাড়বে, বাড়বে না গুণগত শিক্ষা। এজন্য আমাদের শিক্ষার সর্বস্তরে গুণগত শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করতে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বর্তমান যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার আহ্বান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য আবদুল হামিদ বলেন, আমরা আজ একবিংশ শতাব্দীর যাত্রী। তথ্যপ্রযুক্তি এ যুগের অন্যতম বাহন। একে কাজে লাগিয়ে আমাদের বর্তমান যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। দেশ ও সমাজের প্রতি গ্রাজুয়েটদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, তোমরা একুশ শতকের স্নাতক, তোমরা পূর্বসূরিদের তুলনায় অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা লাভ করেছ। চিন্তা, কর্ম ও আচরণ দিয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে সততা, দেশপ্রেম, ন্যায়নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘দেশ, সমাজ ও তোমার পরিবার তোমাকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তোমরা তাদের কাছে ঋণী। তোমাদের অর্জিত মেধা ও মনন দিয়ে দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে পারলে সে ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে।
সমাবর্তনে দুই হাজার ১৩০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ডিগ্রি দেয়া হয়। শিক্ষা জীবনে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্য নয়জনকে দেয়া হয় স্বর্ণপদক। স্বর্ণপদক পাওয়া সবাই ছাত্রী দেখে রাষ্ট্রপতি তার লিখিত বক্তব্যের বাইরে স্বভাবসুলভ হাস্যরসে বলেন, ৯ জনকে স্বর্ণপদক দেয়া হল। নয়জনই নারী। একজন আসেনি দেখে তার বাবা পদক নিয়েছে। এজন্য একজন পুরুষের দেখা পেলাম। তার মা এলে সে সুযোগও হতো না। এ সময় সমাবর্তন স্থলে হাসির রোল পড়ে যায়। আবদুল হামিদ বলেন, আশা করি, সবক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে যাবে। নারীরা এগিয়ে গেলে দেশ সমৃদ্ধ হবে।
সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড এবং জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রিটা রোজি কলওয়েল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউজিসির চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য গৌর গোবিন্দ গোস্বামী ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এমএ কাসেম।
বৃহস্পতিবার নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ১৯তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি বলেন, নবীন গ্রাজুয়েটদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, তোমরা মাতৃভাষা চর্চার পাশাপাশি তোমাদের নিজ নিজ এলাকায়, পরিমণ্ডলে বছরে কমপক্ষে দু’জন নিরক্ষর ব্যক্তিকে অক্ষরজ্ঞানে সাক্ষর করে তুলবে, তা হলে ভাষা শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে।
গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কী ধরনের শিক্ষা ও গবেষণা হচ্ছে তা জানতে হবে এবং আমাদের দেশের উপযোগিতা অনুযায়ী জ্ঞান অর্জন করে তা প্রয়োগ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে শিক্ষা হবে সার্টিফিকেট সর্বস্ব, যা যুগের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হবে। এতে দেশে উচ্চশিক্ষার হার বাড়বে, বাড়বে না গুণগত শিক্ষা। এজন্য আমাদের শিক্ষার সর্বস্তরে গুণগত শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করতে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বর্তমান যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার আহ্বান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য আবদুল হামিদ বলেন, আমরা আজ একবিংশ শতাব্দীর যাত্রী। তথ্যপ্রযুক্তি এ যুগের অন্যতম বাহন। একে কাজে লাগিয়ে আমাদের বর্তমান যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। দেশ ও সমাজের প্রতি গ্রাজুয়েটদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, তোমরা একুশ শতকের স্নাতক, তোমরা পূর্বসূরিদের তুলনায় অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা লাভ করেছ। চিন্তা, কর্ম ও আচরণ দিয়ে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে সততা, দেশপ্রেম, ন্যায়নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘দেশ, সমাজ ও তোমার পরিবার তোমাকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তোমরা তাদের কাছে ঋণী। তোমাদের অর্জিত মেধা ও মনন দিয়ে দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে পারলে সে ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে।
সমাবর্তনে দুই হাজার ১৩০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ডিগ্রি দেয়া হয়। শিক্ষা জীবনে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্য নয়জনকে দেয়া হয় স্বর্ণপদক। স্বর্ণপদক পাওয়া সবাই ছাত্রী দেখে রাষ্ট্রপতি তার লিখিত বক্তব্যের বাইরে স্বভাবসুলভ হাস্যরসে বলেন, ৯ জনকে স্বর্ণপদক দেয়া হল। নয়জনই নারী। একজন আসেনি দেখে তার বাবা পদক নিয়েছে। এজন্য একজন পুরুষের দেখা পেলাম। তার মা এলে সে সুযোগও হতো না। এ সময় সমাবর্তন স্থলে হাসির রোল পড়ে যায়। আবদুল হামিদ বলেন, আশা করি, সবক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে যাবে। নারীরা এগিয়ে গেলে দেশ সমৃদ্ধ হবে।
সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড এবং জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রিটা রোজি কলওয়েল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউজিসির চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য গৌর গোবিন্দ গোস্বামী ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এমএ কাসেম।

No comments:
Post a Comment