২১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ২৩৫
কোটি ১৭ লাখ টাকার রফতানি আদেশ পাওয়া গেছে। যা গত বছর ছিল ৯৫ কোটি টাকা।
রোববার বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব তথ্য জানান।রফতানি আদেশ পাওয়া পণ্যের
মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক্স এন্ড হোম এপ্লায়েন্স,
বহুমুখী পাট পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
এবং হোম টেক্সটাইল। বাণিজ্য মন্ত্রী জানান, মেলায় ১২১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে,
যা গত বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ০২ কোটি টাকা বেশি। মেলায় প্যাভিলিয়ন ও স্টল
নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ১৫ কোটি ১৩
লাখ টাকা বেশি।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাণিজ্য ও বিনোদনের জন্য বাণিজ্য মেলা সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছে। জেলা-উপজেলা পর্যায় থেকে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা মেলায় এসেছেন।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। আর ক্রয়ক্ষমতার দিক থেকে ৩৩তম। এতেই প্রমাণিত হয়, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারপরও অনেক বাধা আছে। কিন্তু কোনো বাধাই অগ্রযাত্রাকে আটকে রাখতে পারবে না।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাণিজ্য ও বিনোদনের জন্য বাণিজ্য মেলা সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছে। জেলা-উপজেলা পর্যায় থেকে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা মেলায় এসেছেন।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। আর ক্রয়ক্ষমতার দিক থেকে ৩৩তম। এতেই প্রমাণিত হয়, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারপরও অনেক বাধা আছে। কিন্তু কোনো বাধাই অগ্রযাত্রাকে আটকে রাখতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির
লক্ষ্যমাত্রা ধরা রয়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬ বিলিয়ন হয়ে গেছে। চলতি
অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মাফরূহা সুলতানা।
এতে বিশেষ অথিতি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি
তাজুল ইসলাম, বাণিজ্য সচিব হোদায়েতুল্লাহ আল মামুন ও এফবিসিসিআই সভাপতি
আবদুল মাতলুব আহমাদ।
অনুষ্ঠানে ১৪টি ক্যাটাগরিতে ৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে ১৪টি ক্যাটাগরিতে ৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।

No comments:
Post a Comment