অন্যান্যবারের
মতো এবারও যাতে ভারতের সংসদীয় অধিবেশন ভেস্তে না যায়, রাষ্ট্রপতি প্রণব
মুখার্জি সে জন্য সরাসরি আবেদন জানালেন। গতকাল মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনের
শুরুতে সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন প্রণব। ভাষণের একেবারে
শেষে তিনি বললেন, ‘সংসদেই জনগণের ইচ্ছার সর্বোচ্চ প্রতিফলন ঘটে। এখানে
বিতর্ক চলুক, আলোচনা হোক, কিন্তু অধিবেশন ভেস্তে দেবেন না।’
বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদের গত অধিবেশনগুলো বারবার ভন্ডুল হয়েছে। সরকারপক্ষ সে জন্য দায়ী করেছে বিরোধীদের, বিরোধীরা সরকারপক্ষকে। ফলে সংসদে প্রয়োজনীয় বিলগুলো পাস করা যায়নি। এবারও তারই পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা রয়েছে।
রীতি অনুযায়ী এই ভাষণে সর্বস্তরে সরকারের সাফল্যই রাষ্ট্রপতি তুলে ধরেন। এই ভাষণে দেশের ‘সফল’ পররাষ্ট্রনীতির উল্লেখ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার প্রতিবেশীদের কাছে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক স্থলসীমান্ত চুক্তি সম্পাদন করেছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত-সংক্রান্ত যে বিতর্ক ছিল, তার শান্তিপূর্ণ মীমাংসা ঘটেছে। পাকিস্তান প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে ভারত আগ্রহী। এবং এর মধ্য দিয়ে ভারত এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, যার ফলে সীমান্তসন্ত্রাসের মোকাবিলা করা সম্ভবপর হবে।
সর্বস্তরে অগ্রগতির উল্লেখ রাষ্ট্রপতির ভাষণে বারবার উঠে এসেছে। যেমন তিনি বলেছেন, সারা বিশ্বে ব্যবসা-বাণিজ্য করার নিরিখে ভারত ১২ ধাপ এগিয়ে এসেছে, প্রধানমন্ত্রীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানের পর বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
রাষ্ট্রপতির এ আহ্বান সত্ত্বেও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনা, দলিত ছাত্র রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যা, হরিয়ানায় জাঠ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশ্নে সংসদ উত্তাল হতে পারে। বাজেট এবং ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসা মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয় ছাড়া আর কোনো বিষয়ে বিরোধীদের সহযোগিতা সরকার কতটা পাবে সন্দেহ।
বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদের গত অধিবেশনগুলো বারবার ভন্ডুল হয়েছে। সরকারপক্ষ সে জন্য দায়ী করেছে বিরোধীদের, বিরোধীরা সরকারপক্ষকে। ফলে সংসদে প্রয়োজনীয় বিলগুলো পাস করা যায়নি। এবারও তারই পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা রয়েছে।
রীতি অনুযায়ী এই ভাষণে সর্বস্তরে সরকারের সাফল্যই রাষ্ট্রপতি তুলে ধরেন। এই ভাষণে দেশের ‘সফল’ পররাষ্ট্রনীতির উল্লেখ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার প্রতিবেশীদের কাছে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক স্থলসীমান্ত চুক্তি সম্পাদন করেছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত-সংক্রান্ত যে বিতর্ক ছিল, তার শান্তিপূর্ণ মীমাংসা ঘটেছে। পাকিস্তান প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে ভারত আগ্রহী। এবং এর মধ্য দিয়ে ভারত এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, যার ফলে সীমান্তসন্ত্রাসের মোকাবিলা করা সম্ভবপর হবে।
সর্বস্তরে অগ্রগতির উল্লেখ রাষ্ট্রপতির ভাষণে বারবার উঠে এসেছে। যেমন তিনি বলেছেন, সারা বিশ্বে ব্যবসা-বাণিজ্য করার নিরিখে ভারত ১২ ধাপ এগিয়ে এসেছে, প্রধানমন্ত্রীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানের পর বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
রাষ্ট্রপতির এ আহ্বান সত্ত্বেও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনা, দলিত ছাত্র রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যা, হরিয়ানায় জাঠ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশ্নে সংসদ উত্তাল হতে পারে। বাজেট এবং ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসা মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয় ছাড়া আর কোনো বিষয়ে বিরোধীদের সহযোগিতা সরকার কতটা পাবে সন্দেহ।

No comments:
Post a Comment