সা. সম্পাদক পদে রাষ্ট্রপতি পুত্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রীর ভাইয়ের লড়াই
দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের সম্মেলন
অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনকে ঘিরে ১৩টি উপজেলার নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের
আমেজ বিরাজ করছে। নতুন নেতৃত্ব নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা ও
আলোচনা-সমালোচনা। এবার সভাপতি পদে আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য জেলা
পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত
সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ আফজল ও জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা
সম্পাদক পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হকের নাম আলোচিত হলেও
তারা দৃশ্যত কোনো তৎপরতায় না জড়িয়ে সাবধানে পথ চলেন।
আর সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে দুই তরুণ নেতা প্রকাশ্য তৎপরতা ও গণসংযোগে লিপ্ত হয়েছেন। এদের একজন হলেন, দীর্ঘ ৪৪ বছর জেলা আওয়ামী লীগের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালনকারী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের জ্যেষ্ঠপুত্র কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক। অপরজন হলেন, প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাতিজা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চাচাতো ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। ফলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ আফজল বলেন, প্রবীণ ও নবীনদের সমন্বয়ে গঠিত একটি গ্রহণযোগ্য কমিটি পাওয়ার আশা করছি। রাষ্ট্রপতিপুত্র রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক এমপি এবং সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভাই সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করতে সক্ষম তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষিত তরুণ নেতৃত্ব এখন সময় এবং নেতাকর্মীদের দাবি।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, এ সম্মেলনে ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার ভিত্তিতে (প্রতি দশ হাজারে একজন করে) ১৩টি উপজেলা ও পৌর কমিটির মোট ৩৫৯ জন কাউন্সিলর করা হয়েছে। আর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিশোরগঞ্জ পুরনো স্টেডিয়াম মাঠে। স্টেডিয়ামে সুদৃশ্য বৃহদাকার মঞ্চের সামনে স্থাপন করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। শহরের স্থানে স্থানে শোভা পাচ্ছে সুদৃশ্য তোরণ ও রংবেরঙের ব্যানার-পোস্টার। এ সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম প্রধান অতিথি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি প্রধান বক্তা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মেদ হোসেন, সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক এমপি, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি ও উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের হয়ে সম্মেলনের মাঠে ৩০ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ১৯৯৭ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট সভাপতি নির্বাচিত হন। সে বছরই তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলে সিনিয়র সহ-সভাপতিকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।
আর সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে দুই তরুণ নেতা প্রকাশ্য তৎপরতা ও গণসংযোগে লিপ্ত হয়েছেন। এদের একজন হলেন, দীর্ঘ ৪৪ বছর জেলা আওয়ামী লীগের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালনকারী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের জ্যেষ্ঠপুত্র কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক। অপরজন হলেন, প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাতিজা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চাচাতো ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। ফলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ আফজল বলেন, প্রবীণ ও নবীনদের সমন্বয়ে গঠিত একটি গ্রহণযোগ্য কমিটি পাওয়ার আশা করছি। রাষ্ট্রপতিপুত্র রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক এমপি এবং সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভাই সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করতে সক্ষম তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষিত তরুণ নেতৃত্ব এখন সময় এবং নেতাকর্মীদের দাবি।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, এ সম্মেলনে ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার ভিত্তিতে (প্রতি দশ হাজারে একজন করে) ১৩টি উপজেলা ও পৌর কমিটির মোট ৩৫৯ জন কাউন্সিলর করা হয়েছে। আর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিশোরগঞ্জ পুরনো স্টেডিয়াম মাঠে। স্টেডিয়ামে সুদৃশ্য বৃহদাকার মঞ্চের সামনে স্থাপন করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। শহরের স্থানে স্থানে শোভা পাচ্ছে সুদৃশ্য তোরণ ও রংবেরঙের ব্যানার-পোস্টার। এ সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম প্রধান অতিথি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি প্রধান বক্তা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মেদ হোসেন, সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক এমপি, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি ও উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের হয়ে সম্মেলনের মাঠে ৩০ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ১৯৯৭ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট সভাপতি নির্বাচিত হন। সে বছরই তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলে সিনিয়র সহ-সভাপতিকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

No comments:
Post a Comment