![]() |
| জলবায়ু পরিবর্তনে বিভিন্ন প্রজাতি এলাকা ছাড়ছে |
উষ্ণ
আবহাওয়ার কারণে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক উদ্ভিদ ও প্রাণী নিজ নিজ স্থান
পরিবর্তন করেছে। আজ বুধবার অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে
বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রতিটি প্রধান প্রজাতির
ওপর পড়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ক্যামিল পারমেসান বলেন, হাজারো প্রজাতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত শতকে অনেক প্রজাতি এলাকা পরিবর্তন করে মেরু অঞ্চল বা উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলের দিকে চলে গেছে। ‘স্পেসিজ অন দ্য মুভ’ শীর্ষক সম্মেলনে পারমেসান বলেন, জীবনের ওপর বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রমাণ শত শত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত।
সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনে প্রজাতি কীভাবে সাড়া দিচ্ছে, বিষয়টির ওপর আলোকপাত করা হয়।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের ওই গবেষক বলেন, ‘সব গবেষণার মধ্যে অর্ধেকের বেশি গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রজাতির স্থানান্তর ঘটেছে এবং অধিকাংশ বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ক্ষেত্রে আমরা নেতিবাচক প্রভাব দেখতে শুরু করেছি।’
অন্যান্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে উদ্ভিদে আগাম ফুল ফোটা, পরিযায়ী পাখির আগাম আগমন প্রভৃতি। উদ্ভিদ, গুল্ম, প্রজাপতি, পাখি, স্তন্যপায়ী, উভচর, কোরাল, মেরুদণ্ডহীন ও মাছের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দেখা গেছে। অস্ট্রেলিয়ার হোবার্টে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইনস্টিটিউট ফর মেরিন অ্যান্ড অ্যান্টার্কটিক স্টাডিজ অংশ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ভাষ্য, অস্ট্রেলিয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও খরার ফলে কোয়ালা, জলাভূমির পাখি ও প্লাটিপাসের ওপর প্রভাব পড়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ক্যামিল পারমেসান বলেন, হাজারো প্রজাতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত শতকে অনেক প্রজাতি এলাকা পরিবর্তন করে মেরু অঞ্চল বা উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলের দিকে চলে গেছে। ‘স্পেসিজ অন দ্য মুভ’ শীর্ষক সম্মেলনে পারমেসান বলেন, জীবনের ওপর বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রমাণ শত শত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত।
সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনে প্রজাতি কীভাবে সাড়া দিচ্ছে, বিষয়টির ওপর আলোকপাত করা হয়।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের ওই গবেষক বলেন, ‘সব গবেষণার মধ্যে অর্ধেকের বেশি গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রজাতির স্থানান্তর ঘটেছে এবং অধিকাংশ বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ক্ষেত্রে আমরা নেতিবাচক প্রভাব দেখতে শুরু করেছি।’
অন্যান্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে উদ্ভিদে আগাম ফুল ফোটা, পরিযায়ী পাখির আগাম আগমন প্রভৃতি। উদ্ভিদ, গুল্ম, প্রজাপতি, পাখি, স্তন্যপায়ী, উভচর, কোরাল, মেরুদণ্ডহীন ও মাছের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দেখা গেছে। অস্ট্রেলিয়ার হোবার্টে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইনস্টিটিউট ফর মেরিন অ্যান্ড অ্যান্টার্কটিক স্টাডিজ অংশ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ভাষ্য, অস্ট্রেলিয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও খরার ফলে কোয়ালা, জলাভূমির পাখি ও প্লাটিপাসের ওপর প্রভাব পড়েছে।

No comments:
Post a Comment