দেড়
বছর বয়সী মৃত শিশুকে ভর্তি রেখে তার পরিবারের কাছ থেকে নির্দয়ভাবে অর্থ
আদায়ের ঘটনায় জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
(এমডি) এবং ওষুধ প্রশাসনের পরিচালককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। ২২ ফেব্রুয়ারি
আদালতে তাদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের
বিরুদ্ধে কেন ফৌজদারি মামলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে
না এবং কেন শিশুটির পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয়া হবে না, ১০
দিনের মধ্যে তা জানাতে বলেছেন আদালত। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক ও জাপান-বাংলাদেশের মহাপরিচালককে
জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইদ্রিসুর রহমান ও ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম টিপু এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সেলিম।
বুধবার মৃত শিশু সুমাইয়া সাবাকে রাজধানীর ঝিগাতলায় জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের আইসিইউতে জীবিত বলে রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগে হাসপাতালটিতে অভিযান চালায় র্যাবের-২ এর মোবাইল কোর্ট।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এক ডাক্তারসহ হাসপাতালের ৬ কর্মকর্তাকে সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করে।
র্যাব-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত যুগান্তরকে জানান, উপপরিচালক ড. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে ঝিগাতলার জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল সার্ভিসেস হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার ১ বছর ৪ মাস বয়সের একটি শিশু আইসিইউতে মারা যায়। বুধবার পর্যন্ত তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়ার কথা বলে আসছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা প্রায় দেড় লাখ টাকা বিল করে। শিশুটিকে ‘জীবিত’ দেখিয়ে আরও বেশি টাকা আদায়ের কৌশল নেয় হাসপাতালের ডাক্তার ও কর্মচারীরা।
র্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহম্মেদ যুগান্তরকে বলেন, সুমাইয়া সাবা নামে দেড় বছর বয়সী মেয়েটি তিন দিন আগে ভর্তি হয়েছিল জাপান-বাংলাদেশ হাসপাতালে। মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যুর পরও কর্তৃপক্ষ তার লাশ ‘জীবিত’ হিসেবে ভর্তি রেখে যে অন্যায় করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। দেড় বছরের শিশু মারা যাওয়ার পর শিশুটিকে জীবিত বলে, পরিবারকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করেছে তারা। আমরা মোবাইল কোর্ট আইন অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ জরিমানা করেছি। শিশুটির পরিবারকে ফৌজদারি মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। শিশুটির পরিবার শোকাহত হওয়ায় তারা এখনই মামলা করতে রাজি হয়নি।
র্যাব-২ এর উপপরিচালক ড. দিদারুল আলম এবং উপপরিচালক মেজর আতাউর রহমান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। দিদারুল আলম যুগান্তরকে বলেন, র্যাবের তৎপরতায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবারের কাছ থেকে শুধু কয়েকটি ওষুধের দাম রেখে ছাড়পত্র দিতে বাধ্য হয়।
অমানবিক ও বর্বর এই অপরাধে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার রণভৈরব গ্রামের নজরুল ইসলামকে দুই লাখ টাকা, রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার উত্তরপুরকনদ গ্রামের ডা. শরিফুজ্জামানকে ২ লাখ টাকা, নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার কনদুমী গ্রামের কাওসারকে দুই লাখ টাকা, গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার মোছা. লিজাকে ২ লাখ টাকা, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের মনতেশ মণ্ডলকে ৩ লাখ টাকা ও পটুয়াখালীর বাউফল থানার নূরাইলপুর গ্রামের সুমন মণ্ডলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আসামিদের জরিমানা অনাদায়ে এক থেকে ৬ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইদ্রিসুর রহমান ও ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম টিপু এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সেলিম।
বুধবার মৃত শিশু সুমাইয়া সাবাকে রাজধানীর ঝিগাতলায় জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের আইসিইউতে জীবিত বলে রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগে হাসপাতালটিতে অভিযান চালায় র্যাবের-২ এর মোবাইল কোর্ট।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এক ডাক্তারসহ হাসপাতালের ৬ কর্মকর্তাকে সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করে।
র্যাব-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত যুগান্তরকে জানান, উপপরিচালক ড. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে ঝিগাতলার জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল সার্ভিসেস হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার ১ বছর ৪ মাস বয়সের একটি শিশু আইসিইউতে মারা যায়। বুধবার পর্যন্ত তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়ার কথা বলে আসছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা প্রায় দেড় লাখ টাকা বিল করে। শিশুটিকে ‘জীবিত’ দেখিয়ে আরও বেশি টাকা আদায়ের কৌশল নেয় হাসপাতালের ডাক্তার ও কর্মচারীরা।
র্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহম্মেদ যুগান্তরকে বলেন, সুমাইয়া সাবা নামে দেড় বছর বয়সী মেয়েটি তিন দিন আগে ভর্তি হয়েছিল জাপান-বাংলাদেশ হাসপাতালে। মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যুর পরও কর্তৃপক্ষ তার লাশ ‘জীবিত’ হিসেবে ভর্তি রেখে যে অন্যায় করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। দেড় বছরের শিশু মারা যাওয়ার পর শিশুটিকে জীবিত বলে, পরিবারকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করেছে তারা। আমরা মোবাইল কোর্ট আইন অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ জরিমানা করেছি। শিশুটির পরিবারকে ফৌজদারি মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। শিশুটির পরিবার শোকাহত হওয়ায় তারা এখনই মামলা করতে রাজি হয়নি।
র্যাব-২ এর উপপরিচালক ড. দিদারুল আলম এবং উপপরিচালক মেজর আতাউর রহমান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। দিদারুল আলম যুগান্তরকে বলেন, র্যাবের তৎপরতায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবারের কাছ থেকে শুধু কয়েকটি ওষুধের দাম রেখে ছাড়পত্র দিতে বাধ্য হয়।
অমানবিক ও বর্বর এই অপরাধে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার রণভৈরব গ্রামের নজরুল ইসলামকে দুই লাখ টাকা, রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার উত্তরপুরকনদ গ্রামের ডা. শরিফুজ্জামানকে ২ লাখ টাকা, নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার কনদুমী গ্রামের কাওসারকে দুই লাখ টাকা, গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার মোছা. লিজাকে ২ লাখ টাকা, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের মনতেশ মণ্ডলকে ৩ লাখ টাকা ও পটুয়াখালীর বাউফল থানার নূরাইলপুর গ্রামের সুমন মণ্ডলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আসামিদের জরিমানা অনাদায়ে এক থেকে ৬ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

No comments:
Post a Comment