বোলিং
দাপটে বিধ্বস্ত আরব আমিরাত। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারলো না
আমিরাতের ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশের ১৩৩ রানের জবাবে তারা অলআউট হয় ৮২
রানে। বাংলাদেশ জিতলো ৫১ রানে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের বোলাররা যেমন
করেছিলেন কাল বাংলাদেশের বিপক্ষেও প্রায় তেমনই করেন। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা
আর তেমনটা পারেন নি। বাংলাদেশের বোলরারা লঙ্কানদের চেয়ে ভালো দাবি করতেই
পারেন। শুরুটা করেন আল আমিন হোসেন এরপর মাশরাফি আর মুস্তাফিজঝড়ে তছনছ হয়ে
যায় মরুর দলটির। পেসারদের পরে দাপট দেখান স্পিনাররাও। ছয় বোলারের মধ্যে
শূন্য থাকেননি কেউ-ই। মাশরাফি মুস্তাফিজ, তাসকিন আর মাহমুদুল্লাহ নেন দুটি
করে উইকেট। আর আল আমিন ও সাকিব নেন একটি করে। ভারতের বিপক্ষে কোনো উইকেট না
পাওয়া তাসকিন এ খেলায় ফেরান সবচেয়ে বেশি রান করা উসমানকে। তিনি ৩০ বলে ৩০
রান করে সরাসরি বোল্ড হন। যদিও এর আগের বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন উসমান। আল
আমিন হোসেন নিজের প্রথম ওভারেই ৫ বল খেলা কালিমকে ফেরান। ৯ বলে দলের রান
তখন ২। তবে দ্বিতীয় উইকেটে রোহান আর শাহজাদ ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেন। এর
মধ্যে মুস্তাফিজের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হওয়ার হাত থেকে রেহাই পেয়ে জ্বলে
ওঠার চেষ্টা করেন ওপেনার রোহান মুস্তাফা। কিন্ত ২৫ রানের মাথায় এ জুটিকে
ফেরান অধিনায়ক মাশরাফি। রোহানের ক্যাচটি নেন সেই মুস্তাফিজই। প্রথম ওভারে
দুর্দান্ত ক্যাচ প্রত্যাখাত হলেও পরের ওভারে দুজনকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে
দারুণভাবে খেলায় ফেরান বাঁ হাতি এ বোলার। এর মধ্যে একটি আবার নিজের বলেই
ক্যাচ নেন মুস্তাফিজ। মাশরাফি আর মুস্তাফিজ নেন দুটি করে উইকেট। ১৩৪ রানের
লক্ষ্যে খেলতে নেমে আরব আমিরাতের শুরুটা তেমন ভালো ছিল না। তিন ওভার শেষে
তারা তোলে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১ রান। কিন্তু মুস্তাফিজের করা প্রথম আর
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে রোহান মুস্তফার একটি আউট নাকচ করের দেন পাকিস্তানি
আম্পায়ার রাজা। নিজের বলেই অসাধারণ ক্যাচ নিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। কিন্তু ফলো
থ্রুতে পরে গেলে মাটিতে বল স্পর্শ করার অজুহাতে নট আউট দেন শোজাব রাজা। পরে
অবশ্য তিনি মুস্তাফিজের হাতে ধরা পড়েন মাশরাফির বলে। চৌকষ নৈপূণ্যে ম্যান
অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
ভারতের বিপক্ষে পরে ব্যাটিং করে মাত্র ১২১ রান করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। মনে হয়েছিল আগে ব্যাটিং করতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু হায়! বিধি বাম। আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষেও নিজেদের জাত চেনাতে পারলেন না বাংলাদেশের টাইগাররা। মরুর পেসার আর স্পিনার কারও বিপক্ষেই মাথা খেলতে পারেন নি মুশফিক-সাকিবরা। আগের খেলায় সাব্বির আর গতকাল মিঠুন আলী ৪০এর কোঠা পেরোতে পেরেছেন। ফিফটির দেখা পেলেন না কেউই। টসে হেরে ব্রাট করতে নেমে মিরপরের স্টেডিয়াম যেন অচেনা হয়ে যায় মাশরাফিবাহিনীর কাছে। শেষ ওভারে ১৭ রান তুলে শ্রীলঙ্কার স্কোরকে টপকাতে পারে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা আরব আমিরাতের বিপক্ষে তুলেছিল ১২৯ রান। আর বাংলাদেশ করেছে ১৩৩ রান। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ করেছিল ১২১ রান। বাংলাদেশের মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৬ রান করে। একটি চার মারলেও দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি। যে সময় রান ওঠার কথা তখনই আরও বাজে অবস্থায় ফিরেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ১৮ ও ১৯তম ওভারে আট বলে আউট হলেন তিন ব্যাটসম্যান সাকিব, নুরুল হাসান আর মাশরাফি। ১৯ ওভারে সংগ্রহ ১১৫ রান। দুর্বল আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ধুকলো। কয়েকবার জীবন পাওয়ার পরও ১৩ ওভারে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ১০০ রান করার আগেই। ১৪ ওভার শেষে সংগ্রহ ৮৪/৪। দুই ওপেনার সৌম্য ও মিঠুন ৩২ বলে ৪৬ রান তুলে দেয়ার পরই ঘটে ছন্দপতন। সৌম্য অনেকটা স্বচ্ছন্দ মনে হলেও ১৪ বলে ২১ রান করে বিদায় নেন। মিঠুন ৪৭ রান করে স্টাম্পড হওয়ার আগেই সাব্বির ৬ আর মুশফিক ৪ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন। সাকিব খানিকটা ভাল করলেও ১৩ বলে ১৩ রান করে সরাসরি বোল্ড। এশিয়া কাপে দুই দলেরই দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশ ৪৫ রানে ভারতের কাছে আর আরব আমিরাত শ্রীলঙ্কার কাছে ১৪ রানে। বাংলাদেশ দলে এদিন একটি পরিবর্তন দেখা যায়। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসের বদলে একাদশে জায়গা পান নুরুল হাসান সোহান। তবে প্রথম বল খেলতে গিয়েই লং অনে হাঁকিয়ে ক্যাচ আউট হয়ে যান তিনি। মাশরাফিও আউট হন শুন্য রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান দারুণ নৈপুণ্য দেখান।
আরব আমিরাতের পক্ষে পেসার মোহাম্মদ নাভিদ মাত্র ১২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। স্পিনার আহমদ রাজা কোন উইকেট না পেলেও চার ওভারে দেন ১৭ রান। আমজাদ জাভেদ নেন দুই উইকেট।
ভারতের বিপক্ষে পরে ব্যাটিং করে মাত্র ১২১ রান করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। মনে হয়েছিল আগে ব্যাটিং করতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু হায়! বিধি বাম। আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষেও নিজেদের জাত চেনাতে পারলেন না বাংলাদেশের টাইগাররা। মরুর পেসার আর স্পিনার কারও বিপক্ষেই মাথা খেলতে পারেন নি মুশফিক-সাকিবরা। আগের খেলায় সাব্বির আর গতকাল মিঠুন আলী ৪০এর কোঠা পেরোতে পেরেছেন। ফিফটির দেখা পেলেন না কেউই। টসে হেরে ব্রাট করতে নেমে মিরপরের স্টেডিয়াম যেন অচেনা হয়ে যায় মাশরাফিবাহিনীর কাছে। শেষ ওভারে ১৭ রান তুলে শ্রীলঙ্কার স্কোরকে টপকাতে পারে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা আরব আমিরাতের বিপক্ষে তুলেছিল ১২৯ রান। আর বাংলাদেশ করেছে ১৩৩ রান। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ করেছিল ১২১ রান। বাংলাদেশের মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৬ রান করে। একটি চার মারলেও দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি। যে সময় রান ওঠার কথা তখনই আরও বাজে অবস্থায় ফিরেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ১৮ ও ১৯তম ওভারে আট বলে আউট হলেন তিন ব্যাটসম্যান সাকিব, নুরুল হাসান আর মাশরাফি। ১৯ ওভারে সংগ্রহ ১১৫ রান। দুর্বল আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ধুকলো। কয়েকবার জীবন পাওয়ার পরও ১৩ ওভারে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ১০০ রান করার আগেই। ১৪ ওভার শেষে সংগ্রহ ৮৪/৪। দুই ওপেনার সৌম্য ও মিঠুন ৩২ বলে ৪৬ রান তুলে দেয়ার পরই ঘটে ছন্দপতন। সৌম্য অনেকটা স্বচ্ছন্দ মনে হলেও ১৪ বলে ২১ রান করে বিদায় নেন। মিঠুন ৪৭ রান করে স্টাম্পড হওয়ার আগেই সাব্বির ৬ আর মুশফিক ৪ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন। সাকিব খানিকটা ভাল করলেও ১৩ বলে ১৩ রান করে সরাসরি বোল্ড। এশিয়া কাপে দুই দলেরই দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশ ৪৫ রানে ভারতের কাছে আর আরব আমিরাত শ্রীলঙ্কার কাছে ১৪ রানে। বাংলাদেশ দলে এদিন একটি পরিবর্তন দেখা যায়। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসের বদলে একাদশে জায়গা পান নুরুল হাসান সোহান। তবে প্রথম বল খেলতে গিয়েই লং অনে হাঁকিয়ে ক্যাচ আউট হয়ে যান তিনি। মাশরাফিও আউট হন শুন্য রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান দারুণ নৈপুণ্য দেখান।
আরব আমিরাতের পক্ষে পেসার মোহাম্মদ নাভিদ মাত্র ১২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। স্পিনার আহমদ রাজা কোন উইকেট না পেলেও চার ওভারে দেন ১৭ রান। আমজাদ জাভেদ নেন দুই উইকেট।

No comments:
Post a Comment