পাকিস্তানের কবি ও লেখক রাহাত সাঈদ বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত।
একই সঙ্গে বাংলাদেশে যে বিচার প্রক্রিয়া চলছে তা অব্যাহত রাখারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন পাকিস্তানের এই নাগরিক।
লেখক রাহাত সাঈদ বলেন, 'যুদ্ধাপরাধ প্রশ্নে বাংলাদেশে প্রতি পাকিস্তানের দুঃখ প্রকাশ যথষ্টে নয়। পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এই ইস্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমিও বাংলাদেশীদের মতই ব্যথিত। কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করে কাজ শেষ হয় না।'
তিনি আরও বলেন, সেই ভাষা আন্দোলন আজ শুধু বাঙালির একার গৌরব না, এ গৌরব গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। সমস্ত ভাষার মর্যাদাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৫২, ৭১-এ পাকিস্তান যে ভুল করেছিল, আশা করি অন্তত ভাষার প্রশ্নে আর কোনো শাসক, আর কোনো দেশ ভুল করবে না। কোনো দেশ, জাতিই আগ্রাসন মেনে নেয় না।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর আয়োজনে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু 'সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সাংস্কৃতিক কনভেনশন' এ যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন রাহাত সাঈদ।
তিনদিনব্যাপী কনভেনশনে ২১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচিও ছিল। উদীচীর সাধারণ সম্পাদক বিদেশী প্রতিনিধিদের এ প্রভাতফেরির নেতৃত্ব দেন।
উদীচীর কনভেনশনে অংশ নেয়া ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, চীন, জাপানের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শহীদ মিনারে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক পাকিস্তানের এ প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন। পরে বিদেশী অতিথিরা একুশে গ্রন্থমেলা ঘুরে দেখেন।
একই সঙ্গে বাংলাদেশে যে বিচার প্রক্রিয়া চলছে তা অব্যাহত রাখারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন পাকিস্তানের এই নাগরিক।
লেখক রাহাত সাঈদ বলেন, 'যুদ্ধাপরাধ প্রশ্নে বাংলাদেশে প্রতি পাকিস্তানের দুঃখ প্রকাশ যথষ্টে নয়। পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এই ইস্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমিও বাংলাদেশীদের মতই ব্যথিত। কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করে কাজ শেষ হয় না।'
তিনি আরও বলেন, সেই ভাষা আন্দোলন আজ শুধু বাঙালির একার গৌরব না, এ গৌরব গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। সমস্ত ভাষার মর্যাদাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৫২, ৭১-এ পাকিস্তান যে ভুল করেছিল, আশা করি অন্তত ভাষার প্রশ্নে আর কোনো শাসক, আর কোনো দেশ ভুল করবে না। কোনো দেশ, জাতিই আগ্রাসন মেনে নেয় না।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর আয়োজনে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু 'সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সাংস্কৃতিক কনভেনশন' এ যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন রাহাত সাঈদ।
তিনদিনব্যাপী কনভেনশনে ২১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচিও ছিল। উদীচীর সাধারণ সম্পাদক বিদেশী প্রতিনিধিদের এ প্রভাতফেরির নেতৃত্ব দেন।
উদীচীর কনভেনশনে অংশ নেয়া ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, চীন, জাপানের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শহীদ মিনারে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক পাকিস্তানের এ প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন। পরে বিদেশী অতিথিরা একুশে গ্রন্থমেলা ঘুরে দেখেন।

No comments:
Post a Comment