Thursday, February 25, 2016

প্রশাসনে জামায়াত শিবির জঙ্গি যেন ঢুকতে না পারে- সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য দিচ্ছেন-
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জয় নিজেই তার পথ দেখবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামায়াত-শিবিরসহ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদযুক্ত ব্যক্তিরা যেন কোনোভাবেই পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীতে নিয়োগ না পেতে পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগুনসন্ত্রাসীরা যেন শৃংখলিত একটি বাহিনীতে ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারে পুলিশকেই সজাগ থাকতে হবে। আমরা এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তবে আশা করি আইনশৃংখলা বাহিনী এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীর নিরাপত্তা জোরদারে নতুন সৃষ্ট ১৩ হাজার ৮৮৮টি পদের মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) জন্য ৭ হাজার ১৩৯টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। আবুল কালাম আজাদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ নিয়োগে যাতে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও জামায়াত-শিবির না ঢুকতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে একাধিক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচালের আন্দোলনের নামে দেশজুড়ে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও মানুষ পুড়িয়ে হত্যার বিবরণ তুলে ধরে বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াত জোট নৃশংস তাণ্ডব চালিয়েছে। মানুষ পোড়ানো থেকে শুরু করে বাস-ট্রাক-সিএনজি আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। পেট্রলবোমা দিয়ে এসব যানবাহনের চালকসহ সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশের জনবল গ্রহণের জন্য একটি নীতিমালা আছে। তবে এটা ঠিক বিএনপি-জামায়াত জোট ২০১৩-২০১৪ নির্বাচন ঠেকানোর প্রচেষ্টা এবং ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত একের পর এক যে তাণ্ডব চালিয়েছিল। কোনো কিছুই তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। এমনকি পুলিশের সদস্যরাও রেহাই পায়নি। পুলিশও তাদের হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী যখন লোক (জনবল) গ্রহণ করে তখন এর দায়িত্বে থাকে পুলিশ বাহিনীর অফিসাররা। আমি মনে করি, তাদের এ কথাগুলো একটু মনে রাখা উচিত। কারণ বিএনপি-জামায়াত তাদের ওপর কি অত্যাচার করেছে। তাদের প্রায় ১৮-১৯ জন পুলিশের সদস্যকে তারা হত্যা করেছে। কাজেই সেই জামায়াত-শিবিরের লোক পুলিশ বাহিনীতে ঢোকার ক্ষেত্রে তারা সচেতন হবে এটাই আশা করি। তবে এখানে আমরা ঠিক হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু এটা তাদের দেখা উচিত, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যারা লিপ্ত ছিল, যারা এ ধরনের অগ্নিসন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল তারা যাতে পুলিশ বাহিনীর মতো সুশৃংখল বাহিনীতে আসতে না পারে। এটা দেখার দায়িত্বও তাদের। আমি আশা করি তারা এটা দেখবে।
এমপিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের নিজ নিজ এলাকায় এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল তারা কেউ যদি পুলিশ বাহিনীতে ঢুকে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই এসব তথ্য গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে দেবেন এবং তারা সেটা নিশ্চয়ই যাচাই-বাছাই করে দেখে ব্যবস্থা নেবে বলেও উল্লেখ করেন সংসদ নেতা।
সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেই তার পথ দেখবে : জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, ‘জয় বাংলা’ দুটি শব্দ এবং ‘প্রথম’ শব্দটি নিয়ে আপনি কি চিন্তাভাবনা করছেন? পাশাপাশি পুরুষের অধিকার নিয়েও কি চিন্তাভাবনা করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওনার (ফখরুল ইমাম) ঘরে উনি যে ওনার বউকে এত ভয় পান এটা আমরা জানতাম না। তবে ভাগ্য ভালো উনি ওনার ঘরে পুলিশি পাহারার কথা বলেন নাই। আর পৃথিবীকে আসলে কেউ বদলাতে পারে না। জীবন বদলাতে পারে। ঘরে আপনি চ্যানেল বদলাতে পারেন। এটা তো সমঝোতা করে নেয়া যায়। কে কখন কতটুকু সময় টেলিভিশন দেখবেন আপনার ঘরের কর্ত্রীর সঙ্গে বসে একটা সমঝোতা করে নেন। যাতে চ্যানেল বদলানো নিয়ে কোনো সংঘাত না হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জয়’ একটি শব্দ, ‘বাংলা’ আরেকটি শব্দ। দুটো মিলেই কিন্তু জয় বাংলা। জয় বাংলা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। জয় বাংলা এবং জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়েই আমরা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটাই ছিল আমাদের কাছে সবচেয়ে অনুপ্রেরণা দায়ী স্লে­াগান। কাজেই এ শব্দটাকে ভাগ করার উপায় নেই।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছি। তাদের একটি কথাও বলেছি যে তোমাদের কোনো সম্পদ দিতে পারব না। তোমাদের একটি বড় সম্পদ যত পার শিক্ষাগ্রহণ কর। ওটাই তোমাদের জীবন-জীবিকা তৈরি করে দেবে। আর তাদের জীবনের ভবিষ্যৎ তারা নিজেরাই ঠিক করবে। এ দায়িত্ব তাদের নিজের উপরেই ছেড়ে দিয়েছি। কাজেই জয় (সজীব ওয়াজেদ জয়) ভবিষ্যতে কি করবে এটা সম্পূর্ণ তার ওপর নির্ভর করে। সে কিন্তু আমাদের সহযোগিতা করছে। আজকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ করছি সেখানে ডিজিটাল শব্দটি থেকে শুরু করে যতটুকু অর্জন তার পরামর্শ মতেই হচ্ছে। আর জয় কিন্তু জনগণের জন্য সেবা ও সাহায্য করছে। কোনো কিছু পাওয়ার আশা বা নিতে আসেনি। যতটুকু পারছে দিচ্ছে। এটা তাকে জয় বাংলা স্লোগানের প্রেরণাই উদ্দীপ্ত করছে দেশের সেবা করতে। আর তার পথ সে নিজে দেখবে।
সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভূখণ্ডে জঙ্গিবাদ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কোনো শক্তিকে প্রশ্রয় দেয়া হয় না। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবেলায় দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত যথার্থ : ‘আমি কখনও অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে নিয়ে যাবেন না, তুলবেন না এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’- প্রধানমন্ত্রী তার এ ঘোষণাকে যথার্থ বলে দাবি করেন। মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট কর্তৃক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও নার্সিং ইন্সটিটিউট’-এ গিয়েছিলাম। ওই হাসপাতালে সর্বস্তরের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং স্বনামধন্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে উন্নতর চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষায়িত এ হাসপাতালে সর্বস্তরের জনগণ যাতে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পায় তারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ কারণেই আমি সেদিন ঘোষণা করেছিলাম, ‘আমি কখনও অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে নিয়ে যাবেন না, তুলবেন না এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে।’
তিনি বলেন, আমার এ ঘোষণা যথার্থ বলে আমি মনে করছি। কারণ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স, নাক-কান-গলা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, খুলনায় শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যক্ষ্মা হাসপাতাল, চট্টগ্রামে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ট্রাপিক্যাল মেডিসিন ইন্সটিটিউটসহ সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতালের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব কারণে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের প্রবণতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।
তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের উন্নয়নের ৯০ ভাগ নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে। সম্প্রতি নিউইয়র্কভিত্তিক আর্থিক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০১৬ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশ। বছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।
৯ দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন। আরও অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করলেও সময়ের অভাবে তিনি নিতে যেতে পারেননি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আন্তর্জাতিক পদক লাভ করেছেন। সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রদত্ত তালিকা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশ থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন তার মধ্যে রয়েছে- ভারতের ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়, রাশিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটি অব পিটার্সবার্গ, একই দেশের পিপলস বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিজপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বেলজিয়ামের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় অব ব্রাসেলস, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, এবারটে বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাজ্য এবং ওয়াসিডা বিশ্ববিদ্যালয় জাপান। এছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে যে ৮টি পদক পেয়েছেন এর মধ্যে রয়েছে- চ্যাম্পিয়ন্স অব আর্থ, মাদার তেরেসা পদক, মহাত্মা গান্ধী পদক, সেরেস পদক, এমডিজি পুরস্কার, ইন্ধিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার, সাউথ-সাউথ পুরস্কার, পিস ট্রি ইত্যাদি।
শেখ জামাল সেতুর উদ্বোধন করবেন : বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কে নবনির্মিত শেখ কামাল ও শেখ জামাল সেতু এবং সিলেট অঞ্চলে ১৬টি সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবেন।
শেখ কামাল ও শেখ জামাল সেতুর নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এরমধ্যে ৯শ’ মিটার দৈর্ঘ্যরে শেখ কামাল সেতু নির্মাণে ৬৫ কোটি টাকা এবং ৫শ’ মিটার দৈর্ঘ্যরে শেখ জামাল সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৪৩ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, এর আগে শেখ রাসেল সেতু উদ্বোধন হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এছাড়া ইস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় সিলেট-সুনামগঞ্জ ও সিলেট-জকিগঞ্জ মহাসড়কের ১৬টি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে ১১টি এবং সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে ৫টি সেতু। এ ১৬ সেতুর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৬৮ কোটি টাকা।
নির্মিত এ সেতুগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গোবিন্দগঞ্জ, জাতুয়া, বাউস, চেচাং, রাউলি, আহছানমারা, মনবেগ কাকুরা, কোনাগ্রাম, পরচক, সাতপরি, সাজাতপুর।
প্রধানমন্ত্রী ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে শেখ কামাল সেতু, শেখ জামাল সেতু ও শেখ রাসেল সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তিনি ২০১৫ সালের ২০ আগস্ট শেখ রাসেল সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেন। শেখ কামাল সেতু ও শেখ জামাল সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আগামীকাল এ দুটি সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।

No comments:

Post a Comment