![]() |
| দেশের একটি জুট মিলে পাটের ব্যাগ তৈরি করছেন শ্রমিকরা |
ব্যাংকের
ঋণ ও দায়ের পরিমাণ দুই হাজার চারশ’ কোটি টাকা * পাটের বকেয়া ও অন্যান্য
দেনার পরিমাণ প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা * পাটের ব্যাগ বাধ্যতামূলক আইন
বাস্তবায়নে আরও দুইশ’ কোটি টাকার প্রস্তাব
বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি)
ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ
কর্পোরেশন লাভের মুখ দেখছে না। কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন
অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ে দিতে হয়। সংস্থাটি লোকসানে ডুবছে। বৃহস্পতিবার
বিজেএসসির সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে এক বৈঠকে এ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন
অর্থমন্ত্রী। তবে ওই বৈঠকে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম পাট খাতকে
এগিয়ে নিতে অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া
গেছে এ তথ্য।
জানা গেছে, বর্তমান বিজেএমসির কাছে ব্যাংকের ঋণ ও দায়-দেনার পরিমাণ হচ্ছে দু’ হাজার চারশ’ কোটি টাকা। এছাড়া পাটের বকেয়া দেনা ও অন্যান্য দেনার পরিমাণ প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা।
জানা গেছে, ২০০৯ সালে বিজেএসসির চালু পাটকলগুলো তারল্য সংকটে পড়ে। ফলে ব্যাংকের দায় ও অন্যান্য দেনার কারণে পাটগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এ পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য বিজেএমসি একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে। ওই কর্মপরিকল্পনার মধ্যে মিলগুলো নিজেরাই লাভজনক হয়ে সরকারি অর্থায়নের পাট ক্রয়, বকেয়া মজুরি ও বেতন-ভাতাদি পরিশোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল, গ্রাইচুটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি খাতে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
পরিকল্পনায় আরও বলা হয়, পাটের বকেয়া দেনা ও অন্যান্য দেনা ২০১০-১১ অর্থবছরসহ আগামী তিন বছরে সমহারে সিএ ফার্ম দিয়ে নির্ধারণ করা হবে। পরে ওই নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকারি তহবিল হতে অর্থায়ন করা হবে। এ খাতসমূহে ছাড়কৃত অর্থ বিজেএমসির অনুকূলে সরকারি ঋণ হিসেবে গণ্য হবে, যা তিন বছর স্থগিতসহ আগামী ২০ বছরে ৫ শতাংশ সুদে পরিশোধযোগ্য এবং এ সংক্রান্ত একটি ঋণচুক্তি সম্পাদন করার কথা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বিজেএমসি যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তা তারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ সংস্থার অধীনে পাট মিলগুলো লাভের মুখ দেখতে পায়নি। ফলে এখনও পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ নিয়ে তাদের চলতে হচ্ছে। জানা গেছে, সর্বশেষ গত বছরের শেষদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একশ’ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এসব পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী বৈঠক করেছেন বিজেএমসির সঙ্গে। ওই বৈঠকে বিজেএমসির চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেএমসির এমন এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিজেএমসির লোকসান কমিয়ে আনতে হবে। কারণ যে হারে এ প্রতিষ্ঠানকে টাকা দেয়া হচ্ছে তা অর্থ বাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে। তিনি এসব আক্ষেপ করে বলেন, বিজেএমসির পাটকলগুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বসিয়ে বেতন দিলেও লোকসান অনেকাংশে কম হতো। কারণ বেতন-ভাতার বাইরে আরও লোকসান হচ্ছে।
সূত্র থেকে আরও জানা গেছে, এ সময় বিজেএমসি থেকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ করে পাটজাত পণ্যের ব্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে এর বাস্তবায়ন করতে অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়। কারণ পাটের ব্যাগ বাধ্যতামূলক করলে প্রচুর পরিমাণ ব্যাগ তৈরি করতে হবে। এর জন্য কাঁচাপাট ক্রয় করতে হবে। আনুমানিক ২শ’ কোটি টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়। তবে বৈঠকে সব বিষয় অবহিত হয়ে অর্থমন্ত্রী এসব সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আরও একটি বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছেন। বৈঠক শেষে বিজেএমসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল হুমায়ুন খালেদ জানান, অর্থমন্ত্রীর কাছে আমরা বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি আমাদের প্রস্তাবগুলো শুনে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে আরও একটি বৈঠকে বসবেন বলে অবহিত করেছেন।
জানা গেছে, বর্তমান বিজেএমসির কাছে ব্যাংকের ঋণ ও দায়-দেনার পরিমাণ হচ্ছে দু’ হাজার চারশ’ কোটি টাকা। এছাড়া পাটের বকেয়া দেনা ও অন্যান্য দেনার পরিমাণ প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা।
জানা গেছে, ২০০৯ সালে বিজেএসসির চালু পাটকলগুলো তারল্য সংকটে পড়ে। ফলে ব্যাংকের দায় ও অন্যান্য দেনার কারণে পাটগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এ পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য বিজেএমসি একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে। ওই কর্মপরিকল্পনার মধ্যে মিলগুলো নিজেরাই লাভজনক হয়ে সরকারি অর্থায়নের পাট ক্রয়, বকেয়া মজুরি ও বেতন-ভাতাদি পরিশোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল, গ্রাইচুটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি খাতে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
পরিকল্পনায় আরও বলা হয়, পাটের বকেয়া দেনা ও অন্যান্য দেনা ২০১০-১১ অর্থবছরসহ আগামী তিন বছরে সমহারে সিএ ফার্ম দিয়ে নির্ধারণ করা হবে। পরে ওই নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকারি তহবিল হতে অর্থায়ন করা হবে। এ খাতসমূহে ছাড়কৃত অর্থ বিজেএমসির অনুকূলে সরকারি ঋণ হিসেবে গণ্য হবে, যা তিন বছর স্থগিতসহ আগামী ২০ বছরে ৫ শতাংশ সুদে পরিশোধযোগ্য এবং এ সংক্রান্ত একটি ঋণচুক্তি সম্পাদন করার কথা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বিজেএমসি যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তা তারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ সংস্থার অধীনে পাট মিলগুলো লাভের মুখ দেখতে পায়নি। ফলে এখনও পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ নিয়ে তাদের চলতে হচ্ছে। জানা গেছে, সর্বশেষ গত বছরের শেষদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একশ’ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এসব পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী বৈঠক করেছেন বিজেএমসির সঙ্গে। ওই বৈঠকে বিজেএমসির চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেএমসির এমন এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিজেএমসির লোকসান কমিয়ে আনতে হবে। কারণ যে হারে এ প্রতিষ্ঠানকে টাকা দেয়া হচ্ছে তা অর্থ বাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে। তিনি এসব আক্ষেপ করে বলেন, বিজেএমসির পাটকলগুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বসিয়ে বেতন দিলেও লোকসান অনেকাংশে কম হতো। কারণ বেতন-ভাতার বাইরে আরও লোকসান হচ্ছে।
সূত্র থেকে আরও জানা গেছে, এ সময় বিজেএমসি থেকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ করে পাটজাত পণ্যের ব্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে এর বাস্তবায়ন করতে অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়। কারণ পাটের ব্যাগ বাধ্যতামূলক করলে প্রচুর পরিমাণ ব্যাগ তৈরি করতে হবে। এর জন্য কাঁচাপাট ক্রয় করতে হবে। আনুমানিক ২শ’ কোটি টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়। তবে বৈঠকে সব বিষয় অবহিত হয়ে অর্থমন্ত্রী এসব সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আরও একটি বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছেন। বৈঠক শেষে বিজেএমসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল হুমায়ুন খালেদ জানান, অর্থমন্ত্রীর কাছে আমরা বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি আমাদের প্রস্তাবগুলো শুনে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে আরও একটি বৈঠকে বসবেন বলে অবহিত করেছেন।

No comments:
Post a Comment