মহানবী
হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে 'ইসলাম বিতর্ক' নামে বিতর্কিত বই প্রকাশের
ঘটনায় ব-দ্বীপ প্রকাশনের মালিক শামসুজ্জোহা মানিককে পাঁচ দিন, প্রেসমালিক
ফকির তসলিম উদ্দিন কাজলকে দুদিন এবং বিক্রয়কর্মী শামসুল আলম চঞ্চলকে
একদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে তিন আসামিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল হায়দার চৌধুরীর আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাফর আলী বিশ্বাস।
শুনানি শেষে তিন আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত বিভিন্ন মেয়াদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বইটি প্রকাশের পেছনে কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
এর আগে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে এমন বিষয় থাকায় ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটি জব্দ ও বইমেলায় এর স্টল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বইটির অনলাইন সংস্করণও আছে। এ জন্য গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭-এর ২ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। পরে শাহবাগ এলাকা থেকে তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে সোমবার দুপুরে ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টলে পুলিশি অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক থেকে পুলিশ জানতে পারে, ব-দ্বীপ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটিতে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো লেখা আছে। বাংলা একাডেমিকে বিষয়টি জানালে তারা স্টলটি বন্ধের নির্দেশ দেয়।
বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘ইসলাম বিতর্ক’ শিরোনামে বইটিতে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য রয়েছে জানতে পেরে তারা দ্রুত এর প্রকাশনা সংস্থা ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। স্টল থেকে বেশ কিছু বইও জব্দ করা হয়।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেছেন, বইটিতে ইসলামের নবী সম্পর্কে এমন কুৎসিত ও জঘন্য কথাবার্তা রয়েছে যে, এই ব্যবস্থা নেয়া না হলে বইমেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হত না।
মঙ্গলবার দুপুরে তিন আসামিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল হায়দার চৌধুরীর আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাফর আলী বিশ্বাস।
শুনানি শেষে তিন আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত বিভিন্ন মেয়াদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বইটি প্রকাশের পেছনে কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
এর আগে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে এমন বিষয় থাকায় ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটি জব্দ ও বইমেলায় এর স্টল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বইটির অনলাইন সংস্করণও আছে। এ জন্য গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭-এর ২ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। পরে শাহবাগ এলাকা থেকে তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে সোমবার দুপুরে ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টলে পুলিশি অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক থেকে পুলিশ জানতে পারে, ব-দ্বীপ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটিতে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো লেখা আছে। বাংলা একাডেমিকে বিষয়টি জানালে তারা স্টলটি বন্ধের নির্দেশ দেয়।
বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘ইসলাম বিতর্ক’ শিরোনামে বইটিতে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য রয়েছে জানতে পেরে তারা দ্রুত এর প্রকাশনা সংস্থা ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। স্টল থেকে বেশ কিছু বইও জব্দ করা হয়।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেছেন, বইটিতে ইসলামের নবী সম্পর্কে এমন কুৎসিত ও জঘন্য কথাবার্তা রয়েছে যে, এই ব্যবস্থা নেয়া না হলে বইমেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হত না।

No comments:
Post a Comment