বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার জন্য সম্পাদিত জি টু জি প্লাস চুক্তি বহাল থাকবে বলে শনিবার ঢাকা ও কুয়ালালামপুর থেকে জানানো হয়েছে।
শনিবার এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রিয়ট জানান, জি টু জি প্লাস চুক্তির কার্যকারিতা বহাল থাকবে।
এদিকে বাংলাদেশে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব বেগম শামসুন্নাহার যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত করার ব্যাপারে সরকারিভাবে কিছুই জানায়নি মালয়েশিয়া। ফলে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার জন্য সম্পাদিত জি টু জি প্লাস চুক্তি-পরবর্তী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ভবনে বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির সফররত মানবসম্পদ-বিষয়ক মন্ত্রী রিচার্ড রিয়ট ওই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের সোর্স কান্ট্রির আওতাভুক্ত হয় বাংলাদেশ। ফলে সেবা, নির্মাণ, কৃষি, প্লান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিংসহ সব খাতেই কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বাংলাদেশীদের জন্য নতুন করে দেশটির শ্রমবাজারে দ্বার উন্মোচিত হওয়ার খবরে সারা দেশেই ব্যাপক সাড়া পড়ে।
কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিন শুক্রবার মালয়েশিয়ার দ্য স্টার দাবি করে, দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেছেন- তার দেশ বিদেশী শ্রমিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।
দ্য স্টার'র ওই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে জি টু জি প্লাস চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। তবে শনিবার সব বিভ্রান্তির অবসান ঘটলো মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রিয়টের বিবৃতিতে।
শনিবার এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রিয়ট জানান, জি টু জি প্লাস চুক্তির কার্যকারিতা বহাল থাকবে।
এদিকে বাংলাদেশে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব বেগম শামসুন্নাহার যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত করার ব্যাপারে সরকারিভাবে কিছুই জানায়নি মালয়েশিয়া। ফলে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার জন্য সম্পাদিত জি টু জি প্লাস চুক্তি-পরবর্তী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ভবনে বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির সফররত মানবসম্পদ-বিষয়ক মন্ত্রী রিচার্ড রিয়ট ওই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের সোর্স কান্ট্রির আওতাভুক্ত হয় বাংলাদেশ। ফলে সেবা, নির্মাণ, কৃষি, প্লান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিংসহ সব খাতেই কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বাংলাদেশীদের জন্য নতুন করে দেশটির শ্রমবাজারে দ্বার উন্মোচিত হওয়ার খবরে সারা দেশেই ব্যাপক সাড়া পড়ে।
কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিন শুক্রবার মালয়েশিয়ার দ্য স্টার দাবি করে, দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেছেন- তার দেশ বিদেশী শ্রমিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।
দ্য স্টার'র ওই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে জি টু জি প্লাস চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। তবে শনিবার সব বিভ্রান্তির অবসান ঘটলো মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রিয়টের বিবৃতিতে।

No comments:
Post a Comment