ইসলামী
প্রজাতন্ত্র ইরানের ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘ম্যারাথন’ ভোটগ্রহণ শেষ
হয়েছে। ব্যাপক ভোটার উপস্থিতির কারণে অন্তত পাঁচ দফা সময় বাড়িয়ে স্থানীয়
সময় শুক্রবার রাত পৌনে ১২টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। সন্ধ্যা ছয়টায় ভোটগ্রহণ শেষ
হওয়ার কথা থাকলেও ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এমনকি
ভোটারদের এই চাপ সামাল দিতে ভ্রাম্যমাণ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একইদিন বিশেষজ্ঞ পরিষদের ৫ম নির্বাচন
সম্পন্ন হয়েছে। শেষ খবর পর্যন্ত ভোট গণনার কাজ চলছে। আশা করা হচ্ছে- ছোট
ছোট শহর থেকে শনিবার নির্বাচনের আংশিক ফলাফল পাওয়া যাবে কিন্তু রাজধানী
তেহরান ও বড় বড় শহরগুলোর ফলাফল ঘোষণা করতে কয়েকদিন সময় লেগে যেতে পারে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়ায় প্রথমে দুই ঘণ্টা বাড়ানো হয়। সে অনুযায়ী রাত ৮টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাত ৮টার সময়ও বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতির কারণে আরো এক ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়। পরে সে সময়ের ভেতরেও বহু ভোটারের ভোট দেয়া শেষ না হওয়ায় আরো এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে রাত দশটা করা হয়। এরপরও ভোটগ্রহণ শেষ না হলে এবং কেন্দ্রগুলোতে বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতির কারণে পরে সময় বাড়িয়ে রাত পৌনে ১২টায় ভোটগ্রহণ শেষ করা হয়। সে হিসাবে মোট সময় বেড়েছে ৫ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
এবারের নির্বাচনে সারা দেশে মোট ৫২,০০০ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয় এবং ভোটার সংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি ৪৯ লাখ ১৫ হাজার ২৪ জন। জাতীয় সংসদের ২৯০টি আসনের জন্য সংশোধিত তালিকা অনুসারে প্রার্থী হয়েছেন ৪,৮৪৪ জন। এরমধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৫০০ জন। ২৯০টি আসনের মধ্যে ২০টি আসন রয়েছে অমুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য। ইরানের সংসদে শতকরা আট ভাগ রয়েছে নারী আসন। সারা দেশে প্রতিটি আসনের বিপরীতে গড়ে ২১ জন করে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রাজধানী তেহরানে ৩০টি আসনের জন্য ১,০০০ এর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করেছেন। রাজধানী তেহরানে ভোটারদের চাপ সামাল দিতে এক পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আগামী ৩রা মে থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন এবং চার বছরের জন্য দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। এছাড়া, বিশেষজ্ঞ পরিষদের জন্য ৮৮ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যরা আট বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে, বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে ৪৭৩ জন সাংবাদিক ইরানের নির্বাচন কভার করেছেন। এর মধ্যে ৮৪টি বিদেশী মিডিয়ার ১৪৮ জন স্থায়ী প্রতিনিধি কাজ করেছেন। এছাড়া, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৪৬টি টিভি ও রেডিও চ্যানেলের ১৭৭ অনাবাসিক সাংবাদিক, ছয়টি বার্তা সংস্থা ও ৩২টি পত্রিকার সাংবাদিক নির্বাচনের খবর সংগ্রহের জন্য ইরান আসেন। এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকা, কানাডা, কলম্বিয়া, অস্ট্রিয়া, স্পেন, বৃটেন, ইতালি, জার্মানি, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া, ফ্রান্স, নরওয়ে, হল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, আজারবাইজান, তুরস্ক, কাতার, লেবানন, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত।
ইরানের ওপর থেকে দীর্ঘ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর এই প্রথম ভিন্ন পরিবেশে নির্বাচন অুনষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনের নারী প্রার্থীর সংখ্যা যেমন বেশি তেমনি প্রচারণায় তাদের অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক। নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের প্রচারণাও ছিল অনেক বেশি জমজমাট; অনেকে এ প্রচারণাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। কোনো দল এককভাবে অংশ না নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করছে। কথিত সংস্কারপন্থী ও রক্ষণশীল -এই দুই জোটে ভাগ হয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়ায় প্রথমে দুই ঘণ্টা বাড়ানো হয়। সে অনুযায়ী রাত ৮টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাত ৮টার সময়ও বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতির কারণে আরো এক ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়। পরে সে সময়ের ভেতরেও বহু ভোটারের ভোট দেয়া শেষ না হওয়ায় আরো এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে রাত দশটা করা হয়। এরপরও ভোটগ্রহণ শেষ না হলে এবং কেন্দ্রগুলোতে বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতির কারণে পরে সময় বাড়িয়ে রাত পৌনে ১২টায় ভোটগ্রহণ শেষ করা হয়। সে হিসাবে মোট সময় বেড়েছে ৫ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
এবারের নির্বাচনে সারা দেশে মোট ৫২,০০০ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয় এবং ভোটার সংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি ৪৯ লাখ ১৫ হাজার ২৪ জন। জাতীয় সংসদের ২৯০টি আসনের জন্য সংশোধিত তালিকা অনুসারে প্রার্থী হয়েছেন ৪,৮৪৪ জন। এরমধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৫০০ জন। ২৯০টি আসনের মধ্যে ২০টি আসন রয়েছে অমুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য। ইরানের সংসদে শতকরা আট ভাগ রয়েছে নারী আসন। সারা দেশে প্রতিটি আসনের বিপরীতে গড়ে ২১ জন করে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রাজধানী তেহরানে ৩০টি আসনের জন্য ১,০০০ এর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করেছেন। রাজধানী তেহরানে ভোটারদের চাপ সামাল দিতে এক পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আগামী ৩রা মে থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন এবং চার বছরের জন্য দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। এছাড়া, বিশেষজ্ঞ পরিষদের জন্য ৮৮ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যরা আট বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে, বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে ৪৭৩ জন সাংবাদিক ইরানের নির্বাচন কভার করেছেন। এর মধ্যে ৮৪টি বিদেশী মিডিয়ার ১৪৮ জন স্থায়ী প্রতিনিধি কাজ করেছেন। এছাড়া, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৪৬টি টিভি ও রেডিও চ্যানেলের ১৭৭ অনাবাসিক সাংবাদিক, ছয়টি বার্তা সংস্থা ও ৩২টি পত্রিকার সাংবাদিক নির্বাচনের খবর সংগ্রহের জন্য ইরান আসেন। এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকা, কানাডা, কলম্বিয়া, অস্ট্রিয়া, স্পেন, বৃটেন, ইতালি, জার্মানি, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া, ফ্রান্স, নরওয়ে, হল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, আজারবাইজান, তুরস্ক, কাতার, লেবানন, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত।
ইরানের ওপর থেকে দীর্ঘ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর এই প্রথম ভিন্ন পরিবেশে নির্বাচন অুনষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনের নারী প্রার্থীর সংখ্যা যেমন বেশি তেমনি প্রচারণায় তাদের অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক। নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের প্রচারণাও ছিল অনেক বেশি জমজমাট; অনেকে এ প্রচারণাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। কোনো দল এককভাবে অংশ না নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করছে। কথিত সংস্কারপন্থী ও রক্ষণশীল -এই দুই জোটে ভাগ হয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করেছে।

No comments:
Post a Comment