![]() |
| স্কুলছাত্রী মারিয়া |
গাজীপুরে
চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী মারিয়া হত্যার ঘটনায় বাড়ির দু’কর্মচারীর মৃত্যুদণ্ড
এবং তথ্য গোপন করার দায়ে অপর এক নারীকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ
দিয়েছে আদালত। এছাড়াও তাদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল
হক এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর জেলার মাইজা মিয়ার ডাঙ্গী গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে মোঃ সুমন শেখ (২০) ও বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড সিরাজগঞ্জ জেলার ধুকুরিয়া বেড়া গ্রামের মৃত গোলাম মুর্তজার ছেলে আব্দুল আলীম (৪৩)। অপর দণ্ডিত হলেন আব্দুল আলীমের স্ত্রী শেফালী বেগম (৩২)। রায় ঘোষণাকালে মামলার বাদি ও দুই আসামি আলিম ও শেফালী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি সুমন জামিন লাভের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়িস্থিত আজিজ ফুড কারখানার ম্যানেজার আক্তারুজ্জামান স্থানীয় হরিনাচালা এসরারনগর এলাকার নিজ বাড়ি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় সপরিবারে থাকেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মারিয়া আক্তার (১০) ছোট। মারিয়া বাড়ির পাশের গাজীপুর শাহীন ক্যাডেট একাডেমি’র চতুর্থ শ্রেণীতে লেখাপড়া করত। বাড়ির নিচতলায় কারখানার কর্মচারী ও বাড়ির কেয়ারটেকার সুমন এবং স্ত্রী শেফালী বেগমকে নিয়ে বাংলালিংক টাওয়ারের কর্মী ও বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড আলিম বসবাস করতেন। গত ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই বিকেলে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে মারিয়া নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে মারিয়াকে কোথাও না পেয়ে বাড়ির গ্যারেজে খুঁজতে যায়। এসময় সুমন, আলিম ও শেফালী স্থানীয়দের বাধা দেয়। পরে রাতে এলাকাবাসী ওই তিনজনের কাছ থেকে জোর করে চাবি নিয়ে তল্লাশী চালিয়ে গ্যারেজের ভিতর পানির রিজার্ভ ট্যাংক থেকে নিখোঁজ মারিয়ার স্কুল ব্যাগ ও বইপত্র এবং সুমনের চৌকির নিচ থেকে গলায় টি-শর্ট পেঁচানো মারিয়ার লাশ উদ্ধার করে। এসময় সুমন, আলীম ও শেফালীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা মারিয়াকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। পরে আটককৃতদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর জেলার মাইজা মিয়ার ডাঙ্গী গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে মোঃ সুমন শেখ (২০) ও বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড সিরাজগঞ্জ জেলার ধুকুরিয়া বেড়া গ্রামের মৃত গোলাম মুর্তজার ছেলে আব্দুল আলীম (৪৩)। অপর দণ্ডিত হলেন আব্দুল আলীমের স্ত্রী শেফালী বেগম (৩২)। রায় ঘোষণাকালে মামলার বাদি ও দুই আসামি আলিম ও শেফালী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি সুমন জামিন লাভের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়িস্থিত আজিজ ফুড কারখানার ম্যানেজার আক্তারুজ্জামান স্থানীয় হরিনাচালা এসরারনগর এলাকার নিজ বাড়ি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় সপরিবারে থাকেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মারিয়া আক্তার (১০) ছোট। মারিয়া বাড়ির পাশের গাজীপুর শাহীন ক্যাডেট একাডেমি’র চতুর্থ শ্রেণীতে লেখাপড়া করত। বাড়ির নিচতলায় কারখানার কর্মচারী ও বাড়ির কেয়ারটেকার সুমন এবং স্ত্রী শেফালী বেগমকে নিয়ে বাংলালিংক টাওয়ারের কর্মী ও বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড আলিম বসবাস করতেন। গত ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই বিকেলে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে মারিয়া নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে মারিয়াকে কোথাও না পেয়ে বাড়ির গ্যারেজে খুঁজতে যায়। এসময় সুমন, আলিম ও শেফালী স্থানীয়দের বাধা দেয়। পরে রাতে এলাকাবাসী ওই তিনজনের কাছ থেকে জোর করে চাবি নিয়ে তল্লাশী চালিয়ে গ্যারেজের ভিতর পানির রিজার্ভ ট্যাংক থেকে নিখোঁজ মারিয়ার স্কুল ব্যাগ ও বইপত্র এবং সুমনের চৌকির নিচ থেকে গলায় টি-শর্ট পেঁচানো মারিয়ার লাশ উদ্ধার করে। এসময় সুমন, আলীম ও শেফালীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা মারিয়াকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। পরে আটককৃতদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
![]() |
| দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি |
এ
ব্যাপারে পরদিন মারিয়ার পিতা জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে
পুলিশ গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি ওই তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র
দাখিল করেন। আদালত স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মঙ্গলবার রায়
ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, আসামি সুমন শেখ ও আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে
পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাদেরকে ফাঁসিতে
ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডসহ প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং তথ্য গোপন করায়
পেনাল কোডের ২০১ ধারায় শোফলী বেগমকে ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা
জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হলো।
রায় ঘোষণার পর মামলার বাদি ও বাদি পক্ষের আইনজীবিগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান।
আদালতে বাদি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি হারিছ উদ্দিন ও বিবাদি পক্ষে ছিলেন স্টেট ডিফেন্স জিয়ারত হোসেন।
রায় ঘোষণার পর মামলার বাদি ও বাদি পক্ষের আইনজীবিগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান।
আদালতে বাদি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি হারিছ উদ্দিন ও বিবাদি পক্ষে ছিলেন স্টেট ডিফেন্স জিয়ারত হোসেন।


No comments:
Post a Comment