ইউরোপের ক্ষুদ্র রাজতন্ত্রী দেশ লুক্সেমবার্গের সরকার মহাকাশে ছুটে
বেড়ানো অ্যাসট্রয়েডে (গ্রহাণু) খনন কাজ শুরু করার কার্যক্রম শুরু করেছে।
দেশটির সরকার এ কাজের জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আর অ্যান্ড ডি
টেকনোলজিকে প্রয়োজনীয় যন্ত্র তৈরির ব্যাপারে সমর্থন দেবে। এছাড়া আরও কিছু
প্রতিষ্ঠানে সরাসরি বিনিয়োগ করার কথাও জানিয়েছে। এ কাজে জড়িত কর্মীদের
আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য এ ব্যাপারে একটি আইনগত কাঠামোও দাঁড় করাবে দেশটি।
তাদের এই মাইনিং উদ্যোগের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন ইউরোপ মহাকাশ সংস্থার
সাবেক প্রধান জন জাক জরডেইন।
জরডেইন বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, মহাকাশে খনন এখন আর জুলসভার্নের উপন্যাসের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী থাকবে না। কারণ মহাকাশে ভেসে বেড়ানো গ্রহাণুতে অবতরণ করে এবং খনন করে সেখান থেকে দরকারি উপাদান সংগ্রহের ব্যাপারটি এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও এ ব্যাপারে আরও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। কারণ অনেক মার্কিন কোম্পানি এরই মধ্যে মহাকাশে খননের ব্যাপারে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। মহাকাশের এই গ্রহাণুগুলোর ভেতরে রয়েছে দুর্লভ কিছু উপাদান।
মহাকাশবিষয়ক দুটি নামকরা মার্কিন কোম্পানি এরই মধ্যে খননের ব্যাপারে দল গঠন এবং কার্যক্রম শুরু করেছে। তাদের উদ্দেশ্য গ্রহাণু খনন করে সেখান থেকে খনিজ পদার্থ বের করে নিয়ে আসা।
এই কাজে মোটেও পিছিয়ে থাকতে রাজি নয় লুক্সেমবার্গ। যে কারণে ইউরোপের মধ্যে তারাই এটা নিয়ে আগে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।
জরডেইন বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, মহাকাশে খনন এখন আর জুলসভার্নের উপন্যাসের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী থাকবে না। কারণ মহাকাশে ভেসে বেড়ানো গ্রহাণুতে অবতরণ করে এবং খনন করে সেখান থেকে দরকারি উপাদান সংগ্রহের ব্যাপারটি এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও এ ব্যাপারে আরও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। কারণ অনেক মার্কিন কোম্পানি এরই মধ্যে মহাকাশে খননের ব্যাপারে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। মহাকাশের এই গ্রহাণুগুলোর ভেতরে রয়েছে দুর্লভ কিছু উপাদান।
মহাকাশবিষয়ক দুটি নামকরা মার্কিন কোম্পানি এরই মধ্যে খননের ব্যাপারে দল গঠন এবং কার্যক্রম শুরু করেছে। তাদের উদ্দেশ্য গ্রহাণু খনন করে সেখান থেকে খনিজ পদার্থ বের করে নিয়ে আসা।
এই কাজে মোটেও পিছিয়ে থাকতে রাজি নয় লুক্সেমবার্গ। যে কারণে ইউরোপের মধ্যে তারাই এটা নিয়ে আগে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

No comments:
Post a Comment