দেশের
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক আরও তলানিতে নেমে
গেছে। গতকাল সোমবার এক দিনেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় সোয়া ১
শতাংশ বা ৫৩ পয়েন্ট কমে গেছে। টানা পঞ্চম দিনের পতন শেষে গতকাল ডিএসইর
প্রধান সূচকটির অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩০৩ পয়েন্টে। এর ফলে প্রধান
বাজারের প্রধান সূচকটি ফিরে গেছে গত বছরের ১০ মের অবস্থানে। অর্থাৎ প্রায়
১১ মাস আগের অবস্থানে নেমে এসেছে এ সূচকটি। এতে করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের
মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অনেকের কাছেই বাজারের বর্তমান অবস্থায় এ ধরনের
পতন অপ্রত্যাশিত। বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাজারে এখন একধরনের
শুষ্কাবস্থা বিরাজ করছে। অর্থের জোগান নেই। এ অবস্থায় এমন দরপতন বাজারকে
আরও বেশি তলানিতে নিয়ে যাবে। যদি অর্থ সরবরাহ বাড়ানো না যায় তাহলে যেসব
বিনিয়োগকারী এখনো শেয়ার ধরে রেখেছেন তাঁরাও একপর্যায়ে লোকসান কমাতে শেয়ার
বিক্রি করে দেবেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সূচক যখন ৪ হাজার ৫০০ পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে নেমে গিয়েছিল তখনই তা আরও নিচে নেমে আসার একধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেটিই এখন বাস্তব হয়েছে। এ বিষয়ে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য অনুষদের ডিন মোহাম্মদ মুসা প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে এখন চরম তারল্য-সংকট বিরাজ করছে। এ অবস্থা বিদ্যমান থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ‘নেতিবাচক ভীতি বা নেগেটিভ প্যানিক’ তৈরি হবে। সেটি হলে সূচক আরও তলানিতে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠবে। তখন শেয়ারের দামও হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যেতে পারে। সাধারণত এ ধরনের বাজার পরিস্থিতিতে সেটিই হয়ে থাকে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে সূচক আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কার কারণ জানতে চাইলে মোহাম্মদ মুসা বলেন, দরপতনের একটি পর্যায় পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা লোকসান হলেও শেয়ার ধরে রাখেন। কিন্তু দরপতন যখন চলতে থাকে তখন আরও বেশি লোকসানের ভয়ে হাতের শেয়ার বিক্রি করে দেন। এ অবস্থায় করণীয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুসা বলেন, তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি বা ক্রেতার চাহিদা বাড়ানো ছাড়া এ পরিস্থিতি কাটানো যাবে না। মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকালের বাজারে স্বল্প ও বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারের বিক্রির চাপ ছিল বেশি, যা সূচকের পতনকে ত্বরান্বিত করেছে। আগের দিনের মতো গতকালও লেনদেনে আধিপত্য ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ শতাংশই বেশি ছিল এ খাতের কোম্পানিগুলোর। ঢাকার বাজারে এদিন মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকা বেশি।
ঢাকার বাজারে গতকাল ৩২১ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। তার মধ্যে ২১০টি বা ৬৫ শতাংশের দাম কমেছে। দাম বেড়েছে ৭০টির বা প্রায় ২২ শতাংশের আর অপরিবর্তিত ছিল ৪১টির দাম। ডিএসইতে এদিন লেনদেনের শীর্ষে ছিল এমারেল্ড অয়েল। এককভাবে কোম্পানিটির ২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। যদিও প্রতিটি শেয়ারের দাম সাড়ে ৯ শতাংশ বা ৬ টাকা কমেছে। এমারেল্ড অয়েলের শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণ হিসেবে জানা গেছে, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিবকে গত রোববার রাতে দুনীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেপ্তার করে। আলোচিত বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ খবর গতকাল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কে অনেকে শেয়ার বিক্রি করে দেন। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটিও গতকাল প্রায় ১ শতাংশ বা ১৩৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে। সেখানকার বাজারে লেনদেন হওয়া ২৩৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৫৯টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৪১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩৪টির দাম। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকায়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সূচক যখন ৪ হাজার ৫০০ পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে নেমে গিয়েছিল তখনই তা আরও নিচে নেমে আসার একধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেটিই এখন বাস্তব হয়েছে। এ বিষয়ে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য অনুষদের ডিন মোহাম্মদ মুসা প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে এখন চরম তারল্য-সংকট বিরাজ করছে। এ অবস্থা বিদ্যমান থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ‘নেতিবাচক ভীতি বা নেগেটিভ প্যানিক’ তৈরি হবে। সেটি হলে সূচক আরও তলানিতে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠবে। তখন শেয়ারের দামও হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যেতে পারে। সাধারণত এ ধরনের বাজার পরিস্থিতিতে সেটিই হয়ে থাকে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে সূচক আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কার কারণ জানতে চাইলে মোহাম্মদ মুসা বলেন, দরপতনের একটি পর্যায় পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা লোকসান হলেও শেয়ার ধরে রাখেন। কিন্তু দরপতন যখন চলতে থাকে তখন আরও বেশি লোকসানের ভয়ে হাতের শেয়ার বিক্রি করে দেন। এ অবস্থায় করণীয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুসা বলেন, তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি বা ক্রেতার চাহিদা বাড়ানো ছাড়া এ পরিস্থিতি কাটানো যাবে না। মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকালের বাজারে স্বল্প ও বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারের বিক্রির চাপ ছিল বেশি, যা সূচকের পতনকে ত্বরান্বিত করেছে। আগের দিনের মতো গতকালও লেনদেনে আধিপত্য ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ শতাংশই বেশি ছিল এ খাতের কোম্পানিগুলোর। ঢাকার বাজারে এদিন মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকা বেশি।
ঢাকার বাজারে গতকাল ৩২১ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। তার মধ্যে ২১০টি বা ৬৫ শতাংশের দাম কমেছে। দাম বেড়েছে ৭০টির বা প্রায় ২২ শতাংশের আর অপরিবর্তিত ছিল ৪১টির দাম। ডিএসইতে এদিন লেনদেনের শীর্ষে ছিল এমারেল্ড অয়েল। এককভাবে কোম্পানিটির ২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। যদিও প্রতিটি শেয়ারের দাম সাড়ে ৯ শতাংশ বা ৬ টাকা কমেছে। এমারেল্ড অয়েলের শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণ হিসেবে জানা গেছে, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিবকে গত রোববার রাতে দুনীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেপ্তার করে। আলোচিত বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ খবর গতকাল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কে অনেকে শেয়ার বিক্রি করে দেন। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটিও গতকাল প্রায় ১ শতাংশ বা ১৩৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে। সেখানকার বাজারে লেনদেন হওয়া ২৩৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৫৯টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৪১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩৪টির দাম। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকায়।

No comments:
Post a Comment