![]() |
| ইজিপ্ট এয়ারের বিমান থেকে নেমে আসা এই ব্যক্তি ছিনতাইকারী সাইফ এলদিন মুস্তফা বলে ধারণা করা হচ্ছে। |
কোন
মুক্তিপণ কিংবা সন্ত্রাসী কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে নয় ব্যক্তিগত কারণে
ইজিপ্ট এয়ারের বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছিল। বিমানটি ছিনতাইয়ের পেছনে
ব্যক্তিগত ওই কারণটি হলো বিমান ছিনতাইকারী সাইফ এলদিন মুস্তফা তাঁর সাবেক
স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা। এএফপির খবরে এমনটাই বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে
মিসরের বিমান ছিনতাইয়ের ছয় ঘণ্টা পর সাইপ্রাসে আত্মসমর্পণের পর
গ্রেপ্তার হয়েছেন ছিনতাইকারী সাইফ এলদিন মুস্তফা। সাইপ্রাসের লারনাকা
বিমানবন্দরে বিমানের ক্রু ও যাত্রীদের মুক্ত করে দেওয়ার পরই ওই ছিনতাইকারী
বিমান থেকে নেমে আসেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দুই
মিনিট কথা বলেন সাইফ। তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ছিনতাইকারী সাইফ এলদিন মুস্তফাকে ‘অস্থির’ বলে মন্তব্য করেছেন সাইপ্রাসের
কর্মকর্তারা। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, সাইফ প্রথমে তার কাছে বোমা ও
বিস্ফোরক আছে দাবি করলেও আত্মসমর্পণের পর এমন কিছু পাওয়া যায়নি। দেশটির
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব আক্সেজান্দ্রার্স জেনন এএফপিকে বলেন, ‘এটা
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটা ব্যক্তিগত একটি কাজ, যিনি
মানসিকভাবে অস্থির।’ বিমানে ডগ স্কোয়াড পাঠিয়ে এবং পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে
কোনো কোন বোমা কিংবা এমন কিছু পাননি। খবরে বলা হয়েছে, সাইফ আরবিতে লেখা
একটি চিঠি দিয়েছেন। সেখানে সাইপ্রাসে থাকা তার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে দেখা
করার বিষয়টিও ছিল। তার সন্তানও আছে। পুলিশ বলেছে, সন্তানসহ ওই নারীকে
বিমানবন্দরে আনা হয়েছে। তবে এর বেশি কিছু পুলিশ জানায়নি। সাইফের সাবেক
স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার বিষয়টির কথা উল্লেখ করে সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট
নিকস আনাস্তাসিয়াদেস হাসতে হাসতে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘একজন নারী এ ঘটনার
সঙ্গে সম্পর্কিত।’ আলেকজান্দ্রিয়া থেকে কায়রো যাওয়ার পথে বিমানটি ছিনতাই
হয়। বোমা হামলার ভয় দেখিয়ে বিমানটিকে সাইপ্রাসের লারনাকা বিমানবন্দরে
অবতরণ করতে বাধ্য করা হয়।

No comments:
Post a Comment