কক্সবাজারে
বেসরকারি কার্গো প্লেন বিধ্বস্তের ঘটনায় ৩ বিদেশি ক্রু নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার কুলিশ নোলরি, নেভিগেটর কালটুরভ জুলুডিমির ও
কো-পাইলট প্যাটরভ ইভান। কো-পাইলট পেট্রো ভিবেন ওরফে কুলথানব (৪৫) আহত
অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও
ফায়ার সার্ভিসের যৌথ দল দীর্ঘ প্রায় ৬ ঘণ্টা উদ্ধার তৎপরতা চালানোর পর
বিকাল পৌনে ৪টার দিকে নেভিগেটর ও কো-পাইলটের লাশ উদ্ধার করে। বিকাল সাড়ে
৫টায় সিপডবোটে উদ্ধার হওয়া ক্রুর মরদেহ উপকূলে নিয়ে আসা হয়। ফায়ার
সার্ভিসের লোকজন মরদেহগুলো জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যান। এই দুর্ঘটনায়
নিহত ও আহতরা সকলেই ইউরোপিয়ান দেশ ইউক্রেনের বাসিন্দা।
জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালে আনার আগেই কুলিশ নোলরীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যজনকে জরুরি চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তার পায়ের অপারেশন করবেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ও কোস্টগার্ডের কক্সবাজার স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, নিখোঁজ দুইজনের মরদেহ বিধ্বস্ত কার্গোটির ভেতরেই পাওয়া গেছে।
এদিকে বুধবার সকালে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাজিরারটেক এলাকার বাসিন্দা দোকানদার মাহবুব ও শুঁটকি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জামশেদ জানান, উপকূল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে ট্র-ভিশন নামের কার্গো বিমানটি আঁকাবাঁকা হয়ে দুলতে দুলতে আচড়ে পড়ে।
দোকানদার মাহবুব জানান, বিমানটি সাগরে পড়ার পর অনেকদূর এগিয়ে যায়। পরে আস্তে আস্তে ডুবতে থাকে। ওই সময় উপকূল থেকে জেলে ও স্থানীয় অধিবাসীরা অন্তত ২০টি মাছধরার ট্রলার ও নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান।
মাহবুব ও জামশেদ দাবি করেন, প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্থানীয়রাই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ক্রুদের উদ্ধারের চেষ্টা চালান। ওই সময় পর্যন্ত সরকারি কোনো সংস্থা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহান্ত বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চিংড়ি পোনা নিয়ে কার্গো বিমানটি যশোরের উদ্দেশে উড়াল দেয়। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি কয়েকটি চক্কর দিয়ে সাগরে বিধ্বস্ত হয়। তবে কী কারণে এ দুর্ঘটনা তা বলতে পারেননি তিনি।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, তারা দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে আরও একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। তিনি জানান, তারা শুনেছেন ওই কার্গোতে চারজন ক্রু ছিলেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, নিখোঁজ দুইজন ক্রুর মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
তিনি জানান, নিহত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। কূটনৈতিক ভাবে মরদেহ নিহতের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আবদুল মজিত জানান, নিখোঁজদের ও বিধ্বস্ত প্লেনটিকে উদ্ধারে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিকালে সেটিকে তীরে আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, সকালে উদ্ধার করা দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরজনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়।
জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালে আনার আগেই কুলিশ নোলরীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যজনকে জরুরি চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তার পায়ের অপারেশন করবেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ও কোস্টগার্ডের কক্সবাজার স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, নিখোঁজ দুইজনের মরদেহ বিধ্বস্ত কার্গোটির ভেতরেই পাওয়া গেছে।
এদিকে বুধবার সকালে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাজিরারটেক এলাকার বাসিন্দা দোকানদার মাহবুব ও শুঁটকি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জামশেদ জানান, উপকূল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে ট্র-ভিশন নামের কার্গো বিমানটি আঁকাবাঁকা হয়ে দুলতে দুলতে আচড়ে পড়ে।
দোকানদার মাহবুব জানান, বিমানটি সাগরে পড়ার পর অনেকদূর এগিয়ে যায়। পরে আস্তে আস্তে ডুবতে থাকে। ওই সময় উপকূল থেকে জেলে ও স্থানীয় অধিবাসীরা অন্তত ২০টি মাছধরার ট্রলার ও নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান।

মাহবুব ও জামশেদ দাবি করেন, প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্থানীয়রাই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ক্রুদের উদ্ধারের চেষ্টা চালান। ওই সময় পর্যন্ত সরকারি কোনো সংস্থা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহান্ত বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চিংড়ি পোনা নিয়ে কার্গো বিমানটি যশোরের উদ্দেশে উড়াল দেয়। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি কয়েকটি চক্কর দিয়ে সাগরে বিধ্বস্ত হয়। তবে কী কারণে এ দুর্ঘটনা তা বলতে পারেননি তিনি।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, তারা দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে আরও একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। তিনি জানান, তারা শুনেছেন ওই কার্গোতে চারজন ক্রু ছিলেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, নিখোঁজ দুইজন ক্রুর মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
তিনি জানান, নিহত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। কূটনৈতিক ভাবে মরদেহ নিহতের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আবদুল মজিত জানান, নিখোঁজদের ও বিধ্বস্ত প্লেনটিকে উদ্ধারে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিকালে সেটিকে তীরে আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, সকালে উদ্ধার করা দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরজনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়।

No comments:
Post a Comment