ঘুষের
বিরুদ্ধে এক অভিনব প্রতিবাদ চলছে ভারতজুড়ে। ভারতের ফিফথ্ পিলার নামক একটি
বেসরকারি সংস্থা ‘শূন্য রুপির নোট’ (জিরো রুপি নোট) বের করেছে। ঘুষের
বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতেই সংস্থাটি এ পথ বেছে নিয়েছে, যাতে সাড়াও মিলছে।
জি নিউজ।
বোফোর্স কেলেঙ্কারিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম জড়িয়েছিল একসময়। ১৫ হাজার রুপি নেওয়ার ঘটনায় ভারতের এক রেলমন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। দেশটির মন্ত্রীরা পশুখাদ্য চুরিতেও অভিযুক্ত বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এ ছাড়া কফিন, স্পেকট্রাম, সারদা, টেট, ত্রিফলা, কয়লাসহ বড় বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা রয়েছে দেশটিতে।
এসব কেলেঙ্কারি মাথায় রেখে এবং দেশে সরকারি কর্মচারী ও রাজনীতিবিদদের ঘুষ নেওয়ার প্রতিবাদেই বের করা হয়েছে শূন্য রুপির নোট। ফিফথ্ পিলারের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় আনন্দ বলেছেন, ‘দেশের মানুষ ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারলে শূন্য রুপির নোট দিয়ে ঘুষের বিরুদ্ধে বিরাট আন্দোলন গড়ে তোলা যাবে ভারতে।’
ঘুষখোরদের খপ্পরে পড়ে সাধারণ মানুষ যথাযথভাবে প্রতিবাদ করতে পারেন না। ঘুষ দিতে বাধ্য হন অনেকে। কেউ কেউ ঘুষ দিতে রাজি থাকেন না ঠিক, আবার প্রতিবাদও করতে পারেন না। মন্ত্রী, রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি কর্মচারী বা যে-কেউ ঘুষ চাইবেন তো হাতে ধরিয়ে দিন শূন্য রুপির নোট—এই হলো ফিফথ্ পিলারের আহ্বান।
ফিফথ্ পিলার চায় ঘুষবিরোধী আন্দোলন গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক এবং কেউ ঘুষ চাইলেই তাঁকে শূন্য রুপির নোট ধরিয়ে দেওয়া হোক। এতে ঘুষখোরেরা বুঝতে পারবেন যে ঘুষের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে এবং তাঁদের এ পথ থেকে সরে আসতে হবে।
বিজয় আনন্দ আরও বলেন, সরকারি কর্মচারী যাঁরা ঘুষ নেন, তাঁরা ভয়ে থাকেন। কারণ, জানাজানি হলে চাকরি চলে যেতে পারে, আবার জেলও হতে পারে। কিন্তু ওইভাবে কেউ প্রতিবাদ করেন না বলে ঘুষের কারবার চলতেই থাকে। সাহস করে কেউ প্রতিবাদ করলে ঘুষখোরেরা দমে যান। ঘুষ চাইলে সবাই যদি তাঁদের শূন্য রুপির নোট ধরিয়ে দেন আর এই প্রবণতা যদি দেশজুড়ে বাড়তে থাকে, তাহলে ঘুষ চাইতেই ভয় পাবেন দুর্নীতিবাজেরা।
ফিফথ্ পিলারের কর্মীরা ভারতের বড় বড় শহরের রেল ও বাসস্টেশনগুলোতে সচেতনতা বাড়াতে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিচ্ছে শূন্য রুপির কড়কড়ে গান্ধী নোট। সংস্থাটির চাওয়া হচ্ছে, শূন্য রুপির নোট দিয়েই দেশে দুর্নীতি কমাতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলা, তামিল, মালয়ালম, তেলেগু, কন্নড় ও হিন্দি ভাষায় ছড়িয়ে পড়ছে শূন্য রুপির নোট। নোটের গায়ে লেখা রয়েছে, ‘শূন্য রুপির নোট: ঘুষ দেওয়া ও না নেওয়ার প্রতিজ্ঞা’।
বোফোর্স কেলেঙ্কারিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম জড়িয়েছিল একসময়। ১৫ হাজার রুপি নেওয়ার ঘটনায় ভারতের এক রেলমন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। দেশটির মন্ত্রীরা পশুখাদ্য চুরিতেও অভিযুক্ত বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এ ছাড়া কফিন, স্পেকট্রাম, সারদা, টেট, ত্রিফলা, কয়লাসহ বড় বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা রয়েছে দেশটিতে।
এসব কেলেঙ্কারি মাথায় রেখে এবং দেশে সরকারি কর্মচারী ও রাজনীতিবিদদের ঘুষ নেওয়ার প্রতিবাদেই বের করা হয়েছে শূন্য রুপির নোট। ফিফথ্ পিলারের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় আনন্দ বলেছেন, ‘দেশের মানুষ ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারলে শূন্য রুপির নোট দিয়ে ঘুষের বিরুদ্ধে বিরাট আন্দোলন গড়ে তোলা যাবে ভারতে।’
ঘুষখোরদের খপ্পরে পড়ে সাধারণ মানুষ যথাযথভাবে প্রতিবাদ করতে পারেন না। ঘুষ দিতে বাধ্য হন অনেকে। কেউ কেউ ঘুষ দিতে রাজি থাকেন না ঠিক, আবার প্রতিবাদও করতে পারেন না। মন্ত্রী, রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি কর্মচারী বা যে-কেউ ঘুষ চাইবেন তো হাতে ধরিয়ে দিন শূন্য রুপির নোট—এই হলো ফিফথ্ পিলারের আহ্বান।
ফিফথ্ পিলার চায় ঘুষবিরোধী আন্দোলন গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক এবং কেউ ঘুষ চাইলেই তাঁকে শূন্য রুপির নোট ধরিয়ে দেওয়া হোক। এতে ঘুষখোরেরা বুঝতে পারবেন যে ঘুষের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে এবং তাঁদের এ পথ থেকে সরে আসতে হবে।
বিজয় আনন্দ আরও বলেন, সরকারি কর্মচারী যাঁরা ঘুষ নেন, তাঁরা ভয়ে থাকেন। কারণ, জানাজানি হলে চাকরি চলে যেতে পারে, আবার জেলও হতে পারে। কিন্তু ওইভাবে কেউ প্রতিবাদ করেন না বলে ঘুষের কারবার চলতেই থাকে। সাহস করে কেউ প্রতিবাদ করলে ঘুষখোরেরা দমে যান। ঘুষ চাইলে সবাই যদি তাঁদের শূন্য রুপির নোট ধরিয়ে দেন আর এই প্রবণতা যদি দেশজুড়ে বাড়তে থাকে, তাহলে ঘুষ চাইতেই ভয় পাবেন দুর্নীতিবাজেরা।
ফিফথ্ পিলারের কর্মীরা ভারতের বড় বড় শহরের রেল ও বাসস্টেশনগুলোতে সচেতনতা বাড়াতে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিচ্ছে শূন্য রুপির কড়কড়ে গান্ধী নোট। সংস্থাটির চাওয়া হচ্ছে, শূন্য রুপির নোট দিয়েই দেশে দুর্নীতি কমাতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলা, তামিল, মালয়ালম, তেলেগু, কন্নড় ও হিন্দি ভাষায় ছড়িয়ে পড়ছে শূন্য রুপির নোট। নোটের গায়ে লেখা রয়েছে, ‘শূন্য রুপির নোট: ঘুষ দেওয়া ও না নেওয়ার প্রতিজ্ঞা’।

No comments:
Post a Comment