হঠাৎ
করেই পাইকারি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে।
বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার কারণে আমদানিনির্ভর নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে বলে
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। দাম বাড়ার কারণে পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে দীর্ঘদিন
পর পণ্যের বেচাকেনাও বেড়েছে। আমদানিনির্ভর ভোগ্যপণ্যের দাম দুই কারণে
বৃদ্ধি পায়। একটি হচ্ছে বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে বা চাহিদার তুলনায় আমদানি কম
হলে। খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, এখন পাইকারি বা খুচরা বাজারে পণ্যের
দাম বৃদ্ধির কারণ বিশ্ববাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার প্রভাব।
সামনে রোজা আসছে। রোজাকে কেন্দ্র করে এখনই সরকারি সংস্থা টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে রাখা উচিত বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। কারণ, সরকারের হাতে রোজার পণ্য থাকলে রোজার সময় বাজার স্থিতিশীল রাখার সুযোগ থাকবে। খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, গত দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় চিনি, রসুন, ছোলা, মটর ডাল ও মসুর ডালের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে ডালজাতীয় পণ্যের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। যেমন প্রতিকেজি মাঝারি মানের ছোলা গতকাল বৃহস্পতিবার ৬৮ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ৭৭ টাকা ৭০ পয়সা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়েছে। এই দাম ১৫-২০ দিন আগে ছিল ৬৫ টাকা ৬৪ পয়সা। একইভাবে মটর ডালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৩ টাকা বেড়ে এখন হয়েছে ৩৮ টাকা। মানভেদে মসুরের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪ থেকে ১০ টাকা। সবচেয়ে কম দামের অর্থাৎ মোটা আকারের মসুর ডাল প্রতিকেজি ৮৬-৮৭ টাকা থেকে বেড়ে এখন ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে ভালো মানের মসুরের ডাল (নেপালি) প্রতিকেজি ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা।
ডাল ছাড়া চিনির দামও কেজিপ্রতি ১ টাকা ৩৪ পয়সা বেড়ে ৪৮ টাকা ৭৬ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে। খাতুনগঞ্জে চীন থেকে আমদানি করা রসুনের দাম কয়েক দফা বেড়ে কেজিপ্রতি ১৭৫-১৮০ টাকায় উঠলেও এখন অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৭২ টাকায়। ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এক থেকে দেড় মাসের ব্যবধানে ডালজাতীয় পণ্য ও চিনির দাম টনপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার করে বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বাড়ায় এবং বৃষ্টিতে ফলন কম হওয়াসহ নানা কারণেই পণ্যের দাম বেড়েছে। ফলে বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশে বিক্রি হওয়া ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। কাস্টমসের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে গত অর্থবছরের তুলনায় চিনি ও ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে। এ সময় ভোজ্যতেল আমদানি ১ লাখ ৬২ হাজার টন বেড়ে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। চিনি আমদানি ৮৬ হাজার টন বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ২৭ হাজার টন। তবে ছোলা, মটর ও মসুর ডালের আমদানি ৮৪ হাজার টন কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার টনে। একই সময়ে রসুন আমদানি প্রায় অর্ধেক বা ২৬ হাজার টন কমে ২৭ হাজার টনে নেমেছে। খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, রোজার সময় বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য আরও আগে থেকে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য কিনে মজুত করা উচিত ছিল। কারণ, দেড় মাসের ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি টন ছোলা ৬৭০ ডলার থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০০ ডলারে উঠেছে। তা ছাড়া দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রোজার আগে চিনি আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা উচিত। খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে খুচরা বাজারে পড়ছে। যেমন, নগরের ষোলোশহর কর্ণফুলী বাজারে গতকাল প্রতি কেজি মোটা দানা মসুর ১২০ টাকা, ভালো মানের মসুর ১৪০-১৪৫ টাকা, ছোলা ৭৫-৮০ টাকা, রসুন ২১০ টাকা ও মটর ডাল ৪০-৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সামনে রোজা আসছে। রোজাকে কেন্দ্র করে এখনই সরকারি সংস্থা টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে রাখা উচিত বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। কারণ, সরকারের হাতে রোজার পণ্য থাকলে রোজার সময় বাজার স্থিতিশীল রাখার সুযোগ থাকবে। খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, গত দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় চিনি, রসুন, ছোলা, মটর ডাল ও মসুর ডালের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে ডালজাতীয় পণ্যের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। যেমন প্রতিকেজি মাঝারি মানের ছোলা গতকাল বৃহস্পতিবার ৬৮ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ৭৭ টাকা ৭০ পয়সা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়েছে। এই দাম ১৫-২০ দিন আগে ছিল ৬৫ টাকা ৬৪ পয়সা। একইভাবে মটর ডালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৩ টাকা বেড়ে এখন হয়েছে ৩৮ টাকা। মানভেদে মসুরের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪ থেকে ১০ টাকা। সবচেয়ে কম দামের অর্থাৎ মোটা আকারের মসুর ডাল প্রতিকেজি ৮৬-৮৭ টাকা থেকে বেড়ে এখন ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে ভালো মানের মসুরের ডাল (নেপালি) প্রতিকেজি ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা।
ডাল ছাড়া চিনির দামও কেজিপ্রতি ১ টাকা ৩৪ পয়সা বেড়ে ৪৮ টাকা ৭৬ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে। খাতুনগঞ্জে চীন থেকে আমদানি করা রসুনের দাম কয়েক দফা বেড়ে কেজিপ্রতি ১৭৫-১৮০ টাকায় উঠলেও এখন অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৭২ টাকায়। ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এক থেকে দেড় মাসের ব্যবধানে ডালজাতীয় পণ্য ও চিনির দাম টনপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার করে বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বাড়ায় এবং বৃষ্টিতে ফলন কম হওয়াসহ নানা কারণেই পণ্যের দাম বেড়েছে। ফলে বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশে বিক্রি হওয়া ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। কাস্টমসের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে গত অর্থবছরের তুলনায় চিনি ও ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে। এ সময় ভোজ্যতেল আমদানি ১ লাখ ৬২ হাজার টন বেড়ে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। চিনি আমদানি ৮৬ হাজার টন বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ২৭ হাজার টন। তবে ছোলা, মটর ও মসুর ডালের আমদানি ৮৪ হাজার টন কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার টনে। একই সময়ে রসুন আমদানি প্রায় অর্ধেক বা ২৬ হাজার টন কমে ২৭ হাজার টনে নেমেছে। খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, রোজার সময় বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য আরও আগে থেকে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য কিনে মজুত করা উচিত ছিল। কারণ, দেড় মাসের ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি টন ছোলা ৬৭০ ডলার থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০০ ডলারে উঠেছে। তা ছাড়া দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রোজার আগে চিনি আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা উচিত। খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে খুচরা বাজারে পড়ছে। যেমন, নগরের ষোলোশহর কর্ণফুলী বাজারে গতকাল প্রতি কেজি মোটা দানা মসুর ১২০ টাকা, ভালো মানের মসুর ১৪০-১৪৫ টাকা, ছোলা ৭৫-৮০ টাকা, রসুন ২১০ টাকা ও মটর ডাল ৪০-৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment