![]() |
কক্সবাজার
সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ইউনিয়নের দক্ষিণ রাখাইনপাড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের
(পাউবো) বেড়িবাঁধ কেটে তৈরি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধন ও
প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কয়েক শ নারী-পুরুষ। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায়
কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্যাথিং অং, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম, চৌফলদন্ডি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মংওয়েন, ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুচ্ছফি, চৌফলদন্ডি রাখাইন যুব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি ক্য খিং, সাধারণ সম্পাদক অং চেন লাইন প্রমুখ।
ক্যাথিং অং বলেন, বেড়িবাঁধের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বরফকলসহ ১০-১২টি দোকান তৈরি করছেন। এতে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি বিলীনসহ রাখাইনদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।
ইউপি সদস্য মংওয়েন বলেন, গত ৩ জানুয়ারি পাউবোর বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করলে রাখাইনেরা এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করে এবং এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে স্মারকিলিপি পাঠানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
মংওয়েন বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের কেউ মারা গেলে লাশ নিয়ে পাউবো কার্যালয়ে বিক্ষোভ করবে রাখাইনেরা। কারণ, লাশ সৎকারের কোনো জমি চৌফলদন্ডিতে নেই। আর প্রবারণা পূর্ণিমা কিংবা ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠানের ফানুস বাতি ওড়ানোর জন্য তারা জড়ো হবে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে।
এ বিষয়ে পাউবো কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাবিবুর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধের ওপর অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। বেড়িবাঁধ কেটে তৈরি করা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য দখলদারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদ করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্যাথিং অং, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম, চৌফলদন্ডি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মংওয়েন, ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুচ্ছফি, চৌফলদন্ডি রাখাইন যুব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি ক্য খিং, সাধারণ সম্পাদক অং চেন লাইন প্রমুখ।
ক্যাথিং অং বলেন, বেড়িবাঁধের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বরফকলসহ ১০-১২টি দোকান তৈরি করছেন। এতে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি বিলীনসহ রাখাইনদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।
ইউপি সদস্য মংওয়েন বলেন, গত ৩ জানুয়ারি পাউবোর বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করলে রাখাইনেরা এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করে এবং এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে স্মারকিলিপি পাঠানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
মংওয়েন বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের কেউ মারা গেলে লাশ নিয়ে পাউবো কার্যালয়ে বিক্ষোভ করবে রাখাইনেরা। কারণ, লাশ সৎকারের কোনো জমি চৌফলদন্ডিতে নেই। আর প্রবারণা পূর্ণিমা কিংবা ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠানের ফানুস বাতি ওড়ানোর জন্য তারা জড়ো হবে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে।
এ বিষয়ে পাউবো কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাবিবুর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধের ওপর অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। বেড়িবাঁধ কেটে তৈরি করা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য দখলদারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদ করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments:
Post a Comment