![]() |
| সংঘর্ষের সময় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বসতঘরে। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর পোরকরা গ্রাম থেকে তোলা ছবি -প্রথম আলো |
নোয়াখালীর
সোনাইমুড়ীতে হিজবুত তওহিদের নেতা-কর্মী ও গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায়
সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৫টা
পর্যন্ত উপজেলার চাষীর হাট নতুন বাজার এবং পাশের পোরকরা গ্রামে দুই পক্ষের
মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়।
হামলায় নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ অন্তত ১৫০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে নোয়াখালী ও সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রায় দিনভর সংঘর্ষের সময় গ্রামবাসীর ঘেরাওয়ের কবলে পড়া হিজবুত তওহিদের ১০৭ জন নেতা-কর্মীকে সন্ধ্যায় উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁদের পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান। হিজবুত তওহিদের নেতা-কর্মীদের উদ্ধারের খবরে আবারও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে গ্রামবাসী। রাত পৌনে ১০টার দিকে কয়েক শ গ্রামবাসী সোনাইমুড়ী থানা ঘেরাও করে। একপর্যায়ে তারা থানা কমপ্লেক্সের ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এর আগে গতকাল দুপুরে সংঘর্ষের সময় এলাকার সাতটি বসতঘরে এবং হিজবুতের কর্মীদের অন্তত ২০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব এবং ফেনী থেকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে পোরকরা গ্রামে হিজবুত তওহিদ আয়োজিত এক সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাঁর বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও ইসলামবিরোধী বলে মনে করে গ্রামবাসী। সংঘর্ষের নেপথ্যে ওই ঘটনার প্রভাব থাকতে পারে।
তবে হিজবুত তওহিদের নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিন দাবি করেন, গ্রামবাসী তাঁদের ভুল বুঝেছে। তাঁরাও জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, গতকালের সংঘর্ষে তাঁর শ্বশুরও নিহত হয়েছেন। তবে তাঁর লাশ কোথায়, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
গতকালের সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তিরা হলেন হিজবুত তওহিদ কর্মী ইব্রাহিম রুবেল (৩২), সোলেমান খোকন (২৮) এবং গ্রামবাসী মুজিবুল হক (৫০)। এর মধ্যে মুজিবুল হক চাষীর হাট ইউনিয়নের খোদখাস্তা গ্রামের বাসিন্দা। তবে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান প্রথম দুজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন। মুজিবুল হক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হানিফ ও ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম।
পোরকরা গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থানীয় নুরুল হকের পরিবারের সদস্যরা কয়েক বছর ধরে হিজবুত তওহিদের নামে এলাকায় ইসলামবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে আসছেন। এর প্রতিবাদ করায় ২০০৯ সালেও গ্রামবাসীর সঙ্গে হিজবুতের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। কয়েক মাস আগে হিজবুত তওহিদের কর্মীরা এলাকায় আবার সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেন। তাঁরা মেম্বারের বাড়ির সামনে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেন। সর্বশেষ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হিজবুত তওহিদের কর্মীরা মেম্বারের বাড়ির সামনে সমাবেশ করেন। সমাবেশে সংগঠনের বর্তমান প্রধান হোসাইন মো. সেলিমের দেওয়া বক্তব্যের কারণে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।
গ্রামের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শুক্রবার গ্রামের মসজিদে হিজবুত তওহিদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল বেলা ১১টার দিক কয়েক শ গ্রামবাসী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে নাওতলা এলাকায় সোনাইমুড়ী থানা-পুলিশের একটি দল গ্রামবাসীর গতিরোধ করে এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা করার আশ্বাস দেয়। এরপর মিছিল নিয়ে গ্রামে ফিরে যাওয়ার পথে চাষীর হাট নতুন বাজারে হিজবুত তওহিদের কর্মীদের হামলার শিকার হয় তারা। এ সময় দুই পক্ষে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বাজারের দোকানপাট এবং একটি বেসরকারি ব্যাংকে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে গ্রামবাসী ধাওয়া দিয়ে হিজবুত তওহিদ কর্মীদের পোরকরা গ্রামের দিকে নিয়ে যায়। সেখানে দুই পক্ষে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে প্রথমে সোনাইমুড়ী থানা-পুলিশ, পরে বেগমগঞ্জ থানা-পুলিশ এবং পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফের নেতৃত্বে পুলিশ লাইনস থেকে দাঙ্গা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সংঘর্ষ পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব এবং ফেনী থেকে বিজিবি সদস্যদের আনা হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে হিজবুত তওহিদের দুই কর্মীকে গলা কেটে এবং আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। একই সময়ে হিজবুত তওহিদের কর্মীদের হামলায় গ্রামের এক বাসিন্দা মারা যান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরই পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘটনাস্থলে যান। পরে সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জ থানা-পুলিশ এবং জেলা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ যোগ দেয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমপক্ষে ৫০০টি গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে মারা হয়।
গতকাল বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের প্রায় সব সড়কে গাছ ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। গ্রামের দুটি বাড়ির সাতটি বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নুরুল হকের বাড়ির পাশে পুড়ে যাওয়া ২০টি মোটরসাইকেল দেখা যায়। এ ছাড়া হিজবুত তওহিদ কর্মীদের নির্মাণাধীন একটি মসজিদের ইটের গাঁথুনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম ওরফে বাকের বলেন, হিজবুত তওহিদ কর্মীদের প্রশাসন যদি এই এলাকা থেকে বিতাড়িত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
হামলায় নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ অন্তত ১৫০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে নোয়াখালী ও সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রায় দিনভর সংঘর্ষের সময় গ্রামবাসীর ঘেরাওয়ের কবলে পড়া হিজবুত তওহিদের ১০৭ জন নেতা-কর্মীকে সন্ধ্যায় উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁদের পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান। হিজবুত তওহিদের নেতা-কর্মীদের উদ্ধারের খবরে আবারও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে গ্রামবাসী। রাত পৌনে ১০টার দিকে কয়েক শ গ্রামবাসী সোনাইমুড়ী থানা ঘেরাও করে। একপর্যায়ে তারা থানা কমপ্লেক্সের ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এর আগে গতকাল দুপুরে সংঘর্ষের সময় এলাকার সাতটি বসতঘরে এবং হিজবুতের কর্মীদের অন্তত ২০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব এবং ফেনী থেকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে পোরকরা গ্রামে হিজবুত তওহিদ আয়োজিত এক সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাঁর বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও ইসলামবিরোধী বলে মনে করে গ্রামবাসী। সংঘর্ষের নেপথ্যে ওই ঘটনার প্রভাব থাকতে পারে।
তবে হিজবুত তওহিদের নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিন দাবি করেন, গ্রামবাসী তাঁদের ভুল বুঝেছে। তাঁরাও জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, গতকালের সংঘর্ষে তাঁর শ্বশুরও নিহত হয়েছেন। তবে তাঁর লাশ কোথায়, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
গতকালের সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তিরা হলেন হিজবুত তওহিদ কর্মী ইব্রাহিম রুবেল (৩২), সোলেমান খোকন (২৮) এবং গ্রামবাসী মুজিবুল হক (৫০)। এর মধ্যে মুজিবুল হক চাষীর হাট ইউনিয়নের খোদখাস্তা গ্রামের বাসিন্দা। তবে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান প্রথম দুজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন। মুজিবুল হক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হানিফ ও ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম।
পোরকরা গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থানীয় নুরুল হকের পরিবারের সদস্যরা কয়েক বছর ধরে হিজবুত তওহিদের নামে এলাকায় ইসলামবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে আসছেন। এর প্রতিবাদ করায় ২০০৯ সালেও গ্রামবাসীর সঙ্গে হিজবুতের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। কয়েক মাস আগে হিজবুত তওহিদের কর্মীরা এলাকায় আবার সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেন। তাঁরা মেম্বারের বাড়ির সামনে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেন। সর্বশেষ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হিজবুত তওহিদের কর্মীরা মেম্বারের বাড়ির সামনে সমাবেশ করেন। সমাবেশে সংগঠনের বর্তমান প্রধান হোসাইন মো. সেলিমের দেওয়া বক্তব্যের কারণে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।
গ্রামের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শুক্রবার গ্রামের মসজিদে হিজবুত তওহিদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল বেলা ১১টার দিক কয়েক শ গ্রামবাসী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে নাওতলা এলাকায় সোনাইমুড়ী থানা-পুলিশের একটি দল গ্রামবাসীর গতিরোধ করে এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা করার আশ্বাস দেয়। এরপর মিছিল নিয়ে গ্রামে ফিরে যাওয়ার পথে চাষীর হাট নতুন বাজারে হিজবুত তওহিদের কর্মীদের হামলার শিকার হয় তারা। এ সময় দুই পক্ষে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বাজারের দোকানপাট এবং একটি বেসরকারি ব্যাংকে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে গ্রামবাসী ধাওয়া দিয়ে হিজবুত তওহিদ কর্মীদের পোরকরা গ্রামের দিকে নিয়ে যায়। সেখানে দুই পক্ষে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে প্রথমে সোনাইমুড়ী থানা-পুলিশ, পরে বেগমগঞ্জ থানা-পুলিশ এবং পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফের নেতৃত্বে পুলিশ লাইনস থেকে দাঙ্গা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সংঘর্ষ পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব এবং ফেনী থেকে বিজিবি সদস্যদের আনা হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে হিজবুত তওহিদের দুই কর্মীকে গলা কেটে এবং আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। একই সময়ে হিজবুত তওহিদের কর্মীদের হামলায় গ্রামের এক বাসিন্দা মারা যান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরই পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘটনাস্থলে যান। পরে সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জ থানা-পুলিশ এবং জেলা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ যোগ দেয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমপক্ষে ৫০০টি গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে মারা হয়।
গতকাল বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের প্রায় সব সড়কে গাছ ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। গ্রামের দুটি বাড়ির সাতটি বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নুরুল হকের বাড়ির পাশে পুড়ে যাওয়া ২০টি মোটরসাইকেল দেখা যায়। এ ছাড়া হিজবুত তওহিদ কর্মীদের নির্মাণাধীন একটি মসজিদের ইটের গাঁথুনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম ওরফে বাকের বলেন, হিজবুত তওহিদ কর্মীদের প্রশাসন যদি এই এলাকা থেকে বিতাড়িত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

No comments:
Post a Comment