Tuesday, March 15, 2016

সমুদ্রসম্পদ আহরণে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে নৌবাহিনী

নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের ১৬তম
আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে চট্টগ্রামে। নগরের
রেডিসন ব্লু হোটেলে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের
উদ্বোধন ঘোষণার পর কেক কাটেন অতিথিরা  - প্রথম আলো
সমুদ্রসম্পদের সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। সমুদ্রসম্পদ আহরণে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে নৌবাহিনী। নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের ১৬তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ।
১৬টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গতকাল সোমবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের রেডিসন ব্লুতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন। ২০১৫-২০১৬ সালের জন্য নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ।
ভাইস অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্বের ৯০ ভাগ বাণিজ্য হয় সমুদ্রপথে। সমুদ্র এলাকা ব্যবহারের জন্য হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের নৌবাহিনী প্রধান বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সমুদ্রসীমার বিরোধ নিরসন হয়েছে। এর ফলে সমুদ্রে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সমুদ্রসম্পদ রক্ষায় প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্র এলাকায় যে সম্পদ রয়েছে, তা আহরণের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক অর্গানাইজেশনের পরিচালক মোস্তফা ইপটেজ বলেন, পারস্পরিক সমন্বয়, যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদ আহরণের জন্য কাজ করে যেতে হবে।
নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মকবুল হোসেন বলেন, পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান ও সহযোগিতার জন্য এই সম্মেলন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সম্মেলনে নয়টি সদস্যরাষ্ট্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব, মিসর ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া অংশ নিচ্ছে পাঁচটি সহযোগী রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ওমান, সিসিলিস ও যুক্তরাষ্ট্র এবং দুটি পর্যবেক্ষক দেশ রাশিয়া ও সুদানের প্রতিনিধিরা।

No comments:

Post a Comment