টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একমাত্র শিরোপা এসেছিল তাঁর হাত ধরে। ২০১০ ওয়েস্ট
ইন্ডিজ বিশ্বকাপে ইংলিশদের বিশ্বকাপ-স্বপ্নে পূর্ণতা এনে দিয়েছিলেন কেভিন
পিটারসেন। ছয় বছর পর আরও একবার সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ
ফাইনালে ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে আজ ইডেন গার্ডেনের ফাইনালের
উত্তরসূরিদের কিছু টোটকা দিয়ে রাখলেন ইংলিশদের প্রথম বিশ্বকাপের
নায়ক—‘ভাবনাহীন খেলো, উপভোগ করো, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলো।’
আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের মন্ত্র মরগানদের কানে বিশ্বকাপের আগেও দিয়ে রেখেছিলেন পিটারসেন। অবশ্য এই ইংল্যান্ড দলকে সেটি না দিলেও বোধ হয় চলছে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেটই এই ইংলিশ দল খেলে আসছে। সেটির অগ্রনায়ক অধিনায়ক মরগান নিজে, সঙ্গে আছেন জেসন রয়, জশ বাটলার, অ্যালেক্স হেলসদের মতো ব্যাটসম্যানরা। এই খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরও একটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় পিটারসেন। ইংলিশ দৈনিক গার্ডিয়ান-এ লেখা নিজের কলামে ৩৫ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান লিখেছেন, ‘এত বড় উপলক্ষ, ইংল্যান্ডের জন্য আমার একমাত্র পরামর্শ থাকবে যেন সেমিফাইনালে যা করেছে সেটাই করে। তাঁর কথা, ‘মাঠে যাও, আর সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে খেলো। পার স্কোর নিয়ে ভেবো না, ওসব ফালতু কথা।’ ‘পার স্কোরে’র বিষয়টা আসছে ইডেনের রেকর্ডের কারণে। এর আগে এই মাঠে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র একটি দলই ১৫৫ রানের বেশি স্কোর করতে পেরেছে। তবে এত কিছু মাথায় না আনতে মরগানদের পরামর্শ দিলেন কেপি, ‘ইডেনে গত এক বছরের গড় স্কোর ১৫০ হলে হোক, সেটি ভুলে যাও। মাঠে গিয়ে শুধু তিন ঘণ্টা উপভোগ করো। পার স্কোর শুধু ইতিহাসের বইতেই থাকে।’ উপভোগ, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট—শব্দগুলো ক্যারিবীয়দের সঙ্গেও খুব যায়। এই দলে তো গেইল-সিমন্সরা আছেন! এই মারকুটে ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে টক্কর দিতে পিটারসেনের বাজির ঘোড়া রয়, ‘জেসন রয়ই এই ইংল্যান্ড দলের প্রতীক। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ও যেভাবে খেলেছে, ফাইনালেও তেমন খেলতে পারলে ও-ই ম্যাচ জিতিয়ে দেবে!’
২০১৬ বিশ্বকাপের ‘পিটারসেন’ হতে পারবেন রয়? গার্ডিয়ান।
আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের মন্ত্র মরগানদের কানে বিশ্বকাপের আগেও দিয়ে রেখেছিলেন পিটারসেন। অবশ্য এই ইংল্যান্ড দলকে সেটি না দিলেও বোধ হয় চলছে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেটই এই ইংলিশ দল খেলে আসছে। সেটির অগ্রনায়ক অধিনায়ক মরগান নিজে, সঙ্গে আছেন জেসন রয়, জশ বাটলার, অ্যালেক্স হেলসদের মতো ব্যাটসম্যানরা। এই খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরও একটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় পিটারসেন। ইংলিশ দৈনিক গার্ডিয়ান-এ লেখা নিজের কলামে ৩৫ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান লিখেছেন, ‘এত বড় উপলক্ষ, ইংল্যান্ডের জন্য আমার একমাত্র পরামর্শ থাকবে যেন সেমিফাইনালে যা করেছে সেটাই করে। তাঁর কথা, ‘মাঠে যাও, আর সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে খেলো। পার স্কোর নিয়ে ভেবো না, ওসব ফালতু কথা।’ ‘পার স্কোরে’র বিষয়টা আসছে ইডেনের রেকর্ডের কারণে। এর আগে এই মাঠে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র একটি দলই ১৫৫ রানের বেশি স্কোর করতে পেরেছে। তবে এত কিছু মাথায় না আনতে মরগানদের পরামর্শ দিলেন কেপি, ‘ইডেনে গত এক বছরের গড় স্কোর ১৫০ হলে হোক, সেটি ভুলে যাও। মাঠে গিয়ে শুধু তিন ঘণ্টা উপভোগ করো। পার স্কোর শুধু ইতিহাসের বইতেই থাকে।’ উপভোগ, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট—শব্দগুলো ক্যারিবীয়দের সঙ্গেও খুব যায়। এই দলে তো গেইল-সিমন্সরা আছেন! এই মারকুটে ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে টক্কর দিতে পিটারসেনের বাজির ঘোড়া রয়, ‘জেসন রয়ই এই ইংল্যান্ড দলের প্রতীক। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ও যেভাবে খেলেছে, ফাইনালেও তেমন খেলতে পারলে ও-ই ম্যাচ জিতিয়ে দেবে!’
২০১৬ বিশ্বকাপের ‘পিটারসেন’ হতে পারবেন রয়? গার্ডিয়ান।

No comments:
Post a Comment