যখন
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন মহল সমালোচনামুখর,
তখনই প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিরা সেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশের ওপর
বিধিনিষেধ জারি করেছেন। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। এ ধরনের
বিধিনিষেধ স্বাধীন সাংবাদিকতা তো বটেই, তথ্য অধিকার আইনেরও পরিপন্থী। গত
মঙ্গলবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরে জানা যায়, গত সোমবার পেশাগত দায়িত্ব
পালনের জন্য কয়েকজন সংবাদকর্মী সংস্থাটির কার্যালয়ে গেলে ‘ওপরের নির্দেশ
রয়েছে’ বলে প্রবেশে বাধা দেন নিরাপত্তাকর্মীরা। বেলা তিনটার পর দুদকের
সচিবের সঙ্গে দেখা করার পরামর্শ দেন তাঁরা। দুদকের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের
সঙ্গে সাংবাদিকদের দেখা করার পূর্বানুমতি (অ্যাপয়েন্টমেন্ট) থাকলেও তাঁরা
কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারছেন না। এ ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তারা সাবেক দুই
চেয়ারম্যানের আমলের দুটি আদেশের দোহাই দিচ্ছেন।
সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদকের কার্যক্রম সমালোচিত হলে তৎকালীন চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী কমিশনে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে সপ্তাহে এক দিন ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। ২০১২ সালে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমানও দুদকে সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধিনিষেধ জারি করেন। কিন্তু সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিবাদের মুখে তা কার্যকর করা হয়নি। এখন পুরোনো আদেশ ফাইল থেকে তুলে এনে সাংবাদিকদের একহাত নেওয়ার চেষ্টা করছেন দুদকের পদাধিকারীরা। হঠাৎ অকার্যকর আদেশ কার্যকর করার প্রয়োজনই বা দেখা দিল কেন? দুদকের সচিব ঠুনকো যুক্তি দেখাচ্ছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় তথ্য’ চুরি হওয়ার ভয়ে নাকি এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর জানা উচিত সাংবাদিকেরা তথ্য গায়েব করেন না, বরং প্রাপ্ত তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন। তাহলে দুদক উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে কেন? গণমাধ্যমকর্মীরা কার কাছ থেকে কিংবা বেলা তিনটার পরে না আগে তথ্য নেবেন, সেটিও তারা বলে দিতে পারে না। দুদকে সাংবাদিকদের প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক।
সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদকের কার্যক্রম সমালোচিত হলে তৎকালীন চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী কমিশনে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে সপ্তাহে এক দিন ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। ২০১২ সালে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমানও দুদকে সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধিনিষেধ জারি করেন। কিন্তু সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিবাদের মুখে তা কার্যকর করা হয়নি। এখন পুরোনো আদেশ ফাইল থেকে তুলে এনে সাংবাদিকদের একহাত নেওয়ার চেষ্টা করছেন দুদকের পদাধিকারীরা। হঠাৎ অকার্যকর আদেশ কার্যকর করার প্রয়োজনই বা দেখা দিল কেন? দুদকের সচিব ঠুনকো যুক্তি দেখাচ্ছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় তথ্য’ চুরি হওয়ার ভয়ে নাকি এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর জানা উচিত সাংবাদিকেরা তথ্য গায়েব করেন না, বরং প্রাপ্ত তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন। তাহলে দুদক উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে কেন? গণমাধ্যমকর্মীরা কার কাছ থেকে কিংবা বেলা তিনটার পরে না আগে তথ্য নেবেন, সেটিও তারা বলে দিতে পারে না। দুদকে সাংবাদিকদের প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক।

No comments:
Post a Comment