Tuesday, April 5, 2016

বাংলাদেশ ব্যাংকে সুইফটের এমডি

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় নিজেদের কোনো দুর্বলতা ছিল না—এমন দাবির পর এবারে ঢাকা এসেছেন সুইফটের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এডওয়ার্ড হাদ্দাদ।
বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে গতকাল সোমবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে আলোচনা করেন এডওয়ার্ড হাদ্দাদ। এ সময়ে তাঁর সঙ্গে সুইফটের আরেক কর্মকর্তাও ছিলেন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টার ব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশনের (সুইফট) নেটওয়ার্ক ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এরপর গত মাসে সুইফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এক চিঠিতে বাংলাদেশে সুইফট ব্যবহারকারী ব্যাংকগুলোকে জানান, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় তাঁদের নেটওয়ার্কের অপব্যবহারের কোনো নজির পাওয়া যায়নি। এমনকি এ ঘটনায় সুইফটের বার্তা বিনিময় সেবায়ও কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সুইফটের এমডি গতকাল বেলা তিনটায় বাংলাদেশ ব্যাংকে আসেন। তিনি প্রায় এক ঘণ্টা গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগ পরিদর্শন করেন। বিকেলের দিকে এডওয়ার্ড হাদ্দাদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (এফআইইউ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সুইফটের কর্মকর্তারা কীভাবে চুরির ঘটনা ঘটল তা জানতে চেয়েছেন। তাঁদের নেটওয়ার্কের কোনো দুর্বলতা ছিল কি না, তা নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেছেন। প্রয়োজনে তাঁরা নেটওয়ার্ক উন্নীতকরণের আশ্বাস দিয়েছেন। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গেও আলোচনা করেছেন সুইফটের এমডি। বিএনপির চিঠি: এদিকে রিজার্ভ চুরির ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের বিচার চেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে গতকাল তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে একটি প্রতিনিধিদল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দিয়েছে। এর সঙ্গে দেওয়া হয়েছে রিজার্ভ চুরির ঘটনার ওপর বিশ্লেষণাত্মক উপস্থাপনার একটি সিডি।

No comments:

Post a Comment