ডিজিটাল
দক্ষতা কি নারীদের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারবে? বৃটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে
সমপ্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে এই শিরোনামে প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারের ভিত্তিতে নারী-পুরুষের
বৈষম্য এবং কিভাবে নারী-পুরুষ উভয়েই ডিজিটাল দক্ষতার মাধ্যমে অর্থনীতিতে
উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনায় জানানো হয়, ২০০৯ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী, অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত দেশসমূহে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলে দেশটির জিডিপি ১.৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশে বর্তমানে ওয়েবে সুযোগ থাকার ভিত্তিতে নারী-পুরুষের অনুপাত ১:৬। আর মোবাইল ফোন মালিকানার ভিত্তিতে নারী-পুরুষের অনুপাত ১:২। ২০১৩ সালে প্রকাশিত উইমেন অ্যান্ড ওয়েব শীর্ষক ইন্টেলের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় উন্নয়নশীল বিশ্বজুড়ে পুরুষের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম নারী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। যদি এই নারীদের অনলাইনে নিয়ে আসা যায় তাহলে তা বাংলাদেশসহ ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের জিডিপিতে আনুমানিক ১৩ থেকে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রাখবে। ডিজিটাল দক্ষতার ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য নারীদের এ সম্ভাবনা অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ লিঙ্গ বৈষম্য দক্ষতার ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক ভারসাম্যহীনতা ও অসাম্য তৈরি করছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীদের প্রয়োজন সকল সুযোগকে কাজে লাগানো। নারীদের প্র্রযুক্তি খাতে নিয়ে আসার বহুপক্ষীয় অংশীদারিত্বে কাজ করা প্রয়োজন। আলোচনায় কিভাবে নারীরা ও বিভিন্ন সংস্থা লৈঙ্গিক সমতা আনতে কাজ করার ব্যাপারে অনপ্রাণিত হতে পারে, কিভাবে এ সম্পর্কিত নীতিমালা শক্তিশালী করা যেতে পারে এবং এ কাজে সরকার ও এনজিও সমূহের ভূমিকা নিয়ে প্যানেলে ডিসকাশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
ডিসকাশন প্যানেলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিন আহমেদ চৌধুরী, ইউএসএইড বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মাহমুদা রহমান খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিঙ্গ, মিডিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. গীতি আরা নাসরিন। আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বৃটিশ কাউন্সিলের হেড অব ইংলিশ গেনর ইভানস।
আলোচনায় জানানো হয়, ২০০৯ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী, অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত দেশসমূহে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলে দেশটির জিডিপি ১.৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশে বর্তমানে ওয়েবে সুযোগ থাকার ভিত্তিতে নারী-পুরুষের অনুপাত ১:৬। আর মোবাইল ফোন মালিকানার ভিত্তিতে নারী-পুরুষের অনুপাত ১:২। ২০১৩ সালে প্রকাশিত উইমেন অ্যান্ড ওয়েব শীর্ষক ইন্টেলের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় উন্নয়নশীল বিশ্বজুড়ে পুরুষের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম নারী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। যদি এই নারীদের অনলাইনে নিয়ে আসা যায় তাহলে তা বাংলাদেশসহ ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের জিডিপিতে আনুমানিক ১৩ থেকে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রাখবে। ডিজিটাল দক্ষতার ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য নারীদের এ সম্ভাবনা অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ লিঙ্গ বৈষম্য দক্ষতার ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক ভারসাম্যহীনতা ও অসাম্য তৈরি করছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীদের প্রয়োজন সকল সুযোগকে কাজে লাগানো। নারীদের প্র্রযুক্তি খাতে নিয়ে আসার বহুপক্ষীয় অংশীদারিত্বে কাজ করা প্রয়োজন। আলোচনায় কিভাবে নারীরা ও বিভিন্ন সংস্থা লৈঙ্গিক সমতা আনতে কাজ করার ব্যাপারে অনপ্রাণিত হতে পারে, কিভাবে এ সম্পর্কিত নীতিমালা শক্তিশালী করা যেতে পারে এবং এ কাজে সরকার ও এনজিও সমূহের ভূমিকা নিয়ে প্যানেলে ডিসকাশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
ডিসকাশন প্যানেলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিন আহমেদ চৌধুরী, ইউএসএইড বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মাহমুদা রহমান খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিঙ্গ, মিডিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. গীতি আরা নাসরিন। আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বৃটিশ কাউন্সিলের হেড অব ইংলিশ গেনর ইভানস।

No comments:
Post a Comment