শেয়ারবাজারে
তালিকাভুক্ত তিন শ্রেণির কোম্পানি ছাড়া বাকি সব কোম্পানির আর্থিক বছর
অভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকে তা কার্যকর হবে। গতকাল বুধবার
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ
কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএসইসি জানিয়েছে, ফিন্যান্স অ্যাক্ট-২০১৬-এর আইনি বাধ্যবাধকতা পরিপালনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির আর্থিক বছরের হিসাব করতে হবে জুলাই-জুন ভিত্তিতে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ হিসাব বছর অনুসরণ করতে হবে। সেটি করতে গিয়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সে জন্য সিকিউরিটিজ আইনের সংশ্লিষ্ট বাধ্যবাধকতা শিথিল করার কথাও জানিয়েছে বিএসইসি। বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ভিন্ন ভিন্ন আর্থিক হিসাব বছর অনুসরণ করে। কোনো কোনো কোম্পানি জানুয়ারি-ডিসেম্বর আবার কোনো কোনো কোম্পানি জুলাই-জুন হিসাব বছর অনুসরণ করে থাকে। এদিকে অবলুপ্ত হওয়া মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটধারীদের মধ্যে অর্থ বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বিএসইসি। তাতে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ড অবসায়নের পর ওই ফান্ডের ইউনিটধারীদের প্রাপ্য অর্থ স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক বা ইএফটিএনের মাধ্যমে ফেরত দিতে হবে। তবে ঋণ শ্রেণিভুক্ত ইউনিটধারীদের বেলায় সংশ্লিষ্ট ডিপির (ডিপজিটরি পার্টিসিপেন্ট) মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করতে হবে। পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডিপি ইউনিটধারীর হিসাবে ওই অর্থ স্থানান্তর করে তা ফান্ডের ট্রাস্টিকে অবহিত করবে। অর্থাৎ ঋণ গ্রহণকারী ইউনিটধারী যে ডিপির অধীনে থাকবে, সেই ডিপির মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডের অর্থ বণ্টন করার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। সাম্প্রতিক সময়ে এইমস ফার্স্ট ও গ্রামীণ ওয়ান স্কিম ওয়ান নামের মিউচুয়াল ফান্ড দুটি অবসায়ন হয়। অবসায়ন শেষে এ দুটি ফান্ডের ইউনিটের বিপরীতে অর্থ ফেরতের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেই প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে গতকাল এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিএসইসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব ইউনিটধারীর ইএফটিএনের মাধ্যমে অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে না, তাদের বেলায় ক্রসড চেক, ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে অর্থ ফেরত দিতে হবে। এর বাইরে বিএসইসির গতকালের সভায় আইসিবির ব্যবস্থাপনাধীন থাকা তিনটি মিউচুয়াল ফান্ডের বে-মেয়াদি রূপান্তর-পরবর্তী প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়েছে। ফান্ড তিনটি হলো যথাক্রমে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম আইসিবি ইউনিট ফান্ড। বে-মেয়াদে রূপান্তরের পর ফান্ডগুলোর সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৪৪, ৩১ দশমিক ৫০ ও ৪৬ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব মূল আইসিবির পরিবর্তে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।
বিএসইসি জানিয়েছে, ফিন্যান্স অ্যাক্ট-২০১৬-এর আইনি বাধ্যবাধকতা পরিপালনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির আর্থিক বছরের হিসাব করতে হবে জুলাই-জুন ভিত্তিতে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ হিসাব বছর অনুসরণ করতে হবে। সেটি করতে গিয়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সে জন্য সিকিউরিটিজ আইনের সংশ্লিষ্ট বাধ্যবাধকতা শিথিল করার কথাও জানিয়েছে বিএসইসি। বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ভিন্ন ভিন্ন আর্থিক হিসাব বছর অনুসরণ করে। কোনো কোনো কোম্পানি জানুয়ারি-ডিসেম্বর আবার কোনো কোনো কোম্পানি জুলাই-জুন হিসাব বছর অনুসরণ করে থাকে। এদিকে অবলুপ্ত হওয়া মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটধারীদের মধ্যে অর্থ বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বিএসইসি। তাতে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ড অবসায়নের পর ওই ফান্ডের ইউনিটধারীদের প্রাপ্য অর্থ স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক বা ইএফটিএনের মাধ্যমে ফেরত দিতে হবে। তবে ঋণ শ্রেণিভুক্ত ইউনিটধারীদের বেলায় সংশ্লিষ্ট ডিপির (ডিপজিটরি পার্টিসিপেন্ট) মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করতে হবে। পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডিপি ইউনিটধারীর হিসাবে ওই অর্থ স্থানান্তর করে তা ফান্ডের ট্রাস্টিকে অবহিত করবে। অর্থাৎ ঋণ গ্রহণকারী ইউনিটধারী যে ডিপির অধীনে থাকবে, সেই ডিপির মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডের অর্থ বণ্টন করার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। সাম্প্রতিক সময়ে এইমস ফার্স্ট ও গ্রামীণ ওয়ান স্কিম ওয়ান নামের মিউচুয়াল ফান্ড দুটি অবসায়ন হয়। অবসায়ন শেষে এ দুটি ফান্ডের ইউনিটের বিপরীতে অর্থ ফেরতের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেই প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে গতকাল এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিএসইসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব ইউনিটধারীর ইএফটিএনের মাধ্যমে অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে না, তাদের বেলায় ক্রসড চেক, ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে অর্থ ফেরত দিতে হবে। এর বাইরে বিএসইসির গতকালের সভায় আইসিবির ব্যবস্থাপনাধীন থাকা তিনটি মিউচুয়াল ফান্ডের বে-মেয়াদি রূপান্তর-পরবর্তী প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়েছে। ফান্ড তিনটি হলো যথাক্রমে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম আইসিবি ইউনিট ফান্ড। বে-মেয়াদে রূপান্তরের পর ফান্ডগুলোর সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৪৪, ৩১ দশমিক ৫০ ও ৪৬ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব মূল আইসিবির পরিবর্তে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।

No comments:
Post a Comment