![]() |
| সমালোচনা গায়ে মাখছেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন |
ওয়েস্ট
ইন্ডিজ নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ইডেনে উৎসব করতে পারত মহেন্দ্র সিং
ধোনির দলও। লেন্ডন সিমন্সের ৮২ রানের এক ইনিংসে সেমিফাইনালেই চুরমার হয়ে
গেছে ভারতের শিরোপা-স্বপ্ন। অথচ সেদিন ১৫ রানেই আউট হতে পারতেন সিমন্স।
রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে ক্যাচ আউট হয়েও উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান বেঁচে গেছেন
ওটা নো-বল ছিল বলে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক ধোনি নো-বল নিয়ে তাঁর বিরক্তি
লুকাননি। অশ্বিনের পর পান্ডিয়ার আরেকটি নো-বলে আবারও বেঁচে যান সিমন্স।
সিমন্সের ওই ইনিংসটিই সেদিন ম্যাচের মীমাংসা টেনেছে। তবে পান্ডিয়ার চেয়ে
অশ্বিনের নো-বলই আলোচনায় বেশি এসেছে। একজন স্পিনার হয়ে নো-বল করায়
সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। তবে কাল এক সংবাদ সম্মেলনে আত্মপক্ষ সমর্থন
করলেন অশ্বিন, ‘অনেক সাংবাদিক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি বলেছেন অনেক দিন আমি নো-বল
করিনি, তাই একটি নো-বলই আমাকে ভিলেন বানিয়ে দিতে পারে না। মানুষ যদি এ
দৃষ্টিতেই বিষয়টি দেখে, তাহলে আমার কাছে এর কোনো উত্তর নেই।’ তবে মানুষের
সমালোচনা তিনি গায়ে মাখছেন না, ‘বাড়ি ফেরার পরই একটি দুঃখজনক ঘটনা দেখতে
হয়েছে আমাকে। যা আমাকে দেখিয়েছে জীবনে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, আর কোনটি অনেক
অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পরের তিন দিন আমি কোনো পত্রিকা উল্টাইনি। মানুষজন
কী বলছে সেটাও পড়া হয়নি আমার।’ সেমিফাইনালে ভারতের হারের পেছনে শুধু নো-বল
নয়, শিশিরেও প্রভাব দেখেছেন ধোনি। শেষ দিকে অশ্বিনকে বোলিংয়ে না আনার পেছনে
এটিকেই মূল কারণ ভাবা হচ্ছিল। তবে এ প্রসঙ্গে অশ্বিন যেন ধোঁয়াশারই জন্ম
দিলেন, ‘শিশির পড়ার সময় আমি বল করিনি। তখন যারা বল করেছে তাদেরই এ প্রশ্ন
করা ভালো। আমি জানি না অধিনায়ক কী বলেছেন।’ সুযোগ পেয়ে সাংবাদিকদের একটু
উপদেশও দিয়েছেন এই অফ স্পিনার, ‘আমি আপনাদের দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু আপনাদের
দায়িত্ব নিয়ে লেখা উচিত, কারণ লাখ লাখ লোক সেটি পড়ে মনে মনে একটি ধারণা
সৃষ্টি করে।’

No comments:
Post a Comment